অন্ধভাবে মাযহাব মানার ভয়াবহ পরিণাম

-ড. রেজাউল করীম মাদানী
*পিএইচডি, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়, সঊদী আরব।

 

(পর্ব-৭)

৪র্থ উদাহরণ : ইমাম শাফেঈ (রহঃ)-এর সম্বন্ধে উস্তাদ কাওছারীর মন্তব্য, حتى أن الشافعي منهم ‘শাফেঈও মাওয়ালিদের অন্তর্ভুক্ত। এ ব্যাপারে পূর্বেকার আলোচনা দেখুন (ইমাম মালেক (রহঃ)-এর ব্যাপারে তার মন্তব্য)। শুধু তাই না তিনি তার বংশ, যোগ্যতা ও জ্ঞানের ব্যাপারেও বিভিন্ন মানহানিকর প্রশ্ন তুলেছেন।[1]

৫ম উদাহরণ : ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) সম্বন্ধে মাযহাবী আলেম আবু গুদ্দাহ আল-কাওছারীর মানহানিকর অবস্থান ও অসম্মানজনক কটুক্তি। তিনি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) সম্বন্ধে বলেন,

من تابع أحمد بن حنبل وذكره بكثرة الحديث فله ذلك، لكن كثرة الحديث بمجردها إذا لم تكن مقرونة بالتمحيص والغوص تكون قليلة الجدوى.

‘যে ব্যক্তি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-কে দেখবেন ও তার বর্ণিত বা সংকলিত অনেক হাদীছের কথা উল্লেখ করবেন। এটা ঠিক আছে। কিন্তু তাহক্বীক্ব ও বিশ্লেষণ ব্যতীত বহু হাদীছ বর্ণনা করার খুব বেশী উপকার নেই’।[2]   অন্যত্র তিনি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) সম্বন্ধে জঘন্য মন্তব্য করে বলেন,

وأما أحمد فدونك… فيا تري هل يمكنك أن تقرأ صحيفة منها على صحة الأصول من غير أن تجابهك خطيئات في اللغة والنحو..

‘আহমাদ (অর্থাৎ ইমাম আহমাদ), তার কথা বাদ দাও! তার সংকলিত গ্রন্থের কোন একটা পৃষ্ঠা ব্যাকরণ অনুযায়ী পড়লে এমন একটি পৃষ্ঠা তুমি পাবে না, যাতে ভাষাগত ও ব্যাকরণগত ভুল পাবে না’।[3]

৬ষ্ঠ উদাহরণ : ইমাম বুখারী (রহঃ) সম্বন্ধে শায়খ হাবীবুর রহমান আল-আ‘যমী আল-হানাফীর মন্তব্য : তিনি বলেন,

رحم الله منهم الإمام الترمذي، فإنه لم يحمله التعصب لشيخه الإمام البخاري أن يحيد عن الحق، ويداهن، فقد صرح بتحسين حديث ابن مسعود ( عدم رفع اليدين عند الركوع والرفع منه)

‘আল্লাহ ইমাম তিরমিযী (রহঃ)-কে রহম করুন। কারণ তিনি তার শিক্ষক ইমাম বুখারীর মত গোঁড়ামি করেননি। আর তার উস্তাদের ভালবাসা তাকে সত্য থেকে বিচ্যুতি করেননি এবং অসত্যের সাথে তাল মিলাননি, আপোস করেননি। এ জন্যই তিনি ইবনে মাসঊদের রুকূতে যাওয়ার সময় ও রুকূ হতে উঠার পরে হাত না উঠানো হাদীছকে হাসান বলেছেন’। [4]

৭ম উদাহরণ : ইমাম দারেমী  (রহঃ) সম্বন্ধে প্রখ্যাত হানাফী আলেম আবু গুদ্দাহ কাওছারী বলেন, ‘পৃথিবীতে কি এমন কেউ আছেন, যিনি এমন কুফরী করবেন, যেমনটি করেছেন ইমাম দারেমী ও তার অনুসারীবর্গ…..অতঃপর নিজের পক্ষ থেকে আক্বীদা সম্পর্কিত একটা বানোয়াট রেওয়ায়েত উল্লেখ করে বলেন, যে ব্যক্তি এমন কথা বলে, তার কুফরীর ব্যাপারে কি কোনো মুসলিমের সন্দেহ আছে? (সার সংক্ষেপ) বিস্তারিত দেখুন’। [5]

৮ম উদাহরণ : আবু গুদ্দাহ ইমাম ইবনে খুযায়মা ও তার কিতাব সম্বন্ধে বলেন,

ولهذين الكتابين- يعني كتاب السنة وكتاب نقض الدارمي-ثالث في مجلد ضخم يسميه مؤلفه ابن خزيمة “كتاب التوحيد” وهو عند محققي أهل العلم كتاب الشرك، وذلك لما حواه من الآراء الوثنية..

‘ইমাম ইবনে খুযায়মার দু’টি গ্রন্থ অর্থাৎ ‘কিতাবুস-সুন্নাহ’ ও কিতাব ‘নাকযুদ দারেমী’ বিরাট তিনটি ভলিয়মে সংকলিত। এই কিতাবদ্বয়ের লেখক ইমাম ইবনে খুযায়মা নাম করণ করেছেন, ‘কিতাব আত-তাওহীদ’ কিন্তু ওলামায়ে কেরামের নিকট এ কিতাবের নাম হচ্ছে ‘কিতাবুশ শিরক’। কারণ এ কিতাবটি অনেক শিরকী চিন্তা-চেতনা ও মতকে সন্নিবেশিত করেছে’। [6]

৯ম উদাহরণ : শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তায়মিয়া (রহঃ) সম্বন্ধে আবু গুদ্দাহ বলেন,

وقد سئمت من تتبع مخازي هذا الرجل المسكين، الذي ضاعت مواهبه في شتى البدع. وقال فيه أيضا في مسالة التوسل” والذي أخذه الشيخ الحراني من اليهود…)

‘আমি এই ব্যক্তির যতসব লজ্জাজনক ও ন্যক্কারজনক মত ও চিন্তা-চেতনা দেখতে দেখতে ম্লান হয়ে গেছি। এ ব্যক্তি তার প্রদত্ত মেধা ও প্রতিভাকে বিভিন্ন বিদ‘আতে নষ্ট করেছেন ও ব্যবহার করেছেন।

অন্যত্র শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়া (রহঃ) সম্বন্ধে বলেন,

ومن يقع منه أمثال هذه التصرفات إما يكون في عقله شيئ ربما يكون القلم مرفوعا عنه، وقد تكون رغبته عن النكاح طول عمره مع سلامة البنية والصحة التامة وقوة الجسم أورثت هذه الشاذة في عقله

‘যে ব্যক্তি দ্বারা এমন সব মত প্রকাশ পায়, হয়ত তার মাথার কোন সমস্যা আছে। তা না হলে সে পাগল। আর এসব যে কারণে হয়েছে, সে সুন্দর স্বাস্থ্যের, শক্তির অধিকারী ও ফিজিক্যাল ফিট হওয়ার পরেও বিয়ে না করার কারণে এসব তার দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে’।[7]

১০ম উদাহরণ : ইমাম নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) সম্বন্ধে প্রখ্যাত হানাফী আলেম হাবীবুর রহমান আল-আ‘যমী মানহানিকর মন্তব্য করে বলেন,

الشيخ ناصر الدين الألباني شديد الولوع بتخطئة الحذاق من كبار العلماء,… ويكثر من ذلك حتى يظن الجهلة والسذج من العلماء أن الألباني نبغ في هذا العصر نبوغا يندر مثله. .

‘নাছিরুদ্দীন আলবানী নাকি বড় বড় বিজ্ঞ আলেমগণের ভুল (ছাঃ)রতে পটু ……আর তিনি আলেমদের বেশি বেশি ভুল (ছাঃ)রেন এ জন্য যে, যাতে করে মূর্খ ও নগন্য আলেমগণ মনে করেন যে, আলবানী এ যুগের বিরল ব্যক্তিত্ব ও পণ্ডিত, তার মতো পণ্ডিত কম হয়’।[8]  অপর এক জায়গায় তিনি আল্লামা নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) সম্বন্ধে বলেন,

فما له وللعلم ولم يتعلم…. وقد بلغني أن مبلغ علمه مختصر القدوري، وجل مهارته في تصليح الساعات ولازم ذلك… أنه والله لا يعرف ما يعرفه آحاد الطلبة الذين يشتغلون بدراسة الحديث في عامة مدارسنا.ا.

‘(ইমাম) আলবানীর শিক্ষার সাথে কী সম্পর্ক। কারণ তিনি শিক্ষিত নন। আমার কাছে আলবানীর শিক্ষার পরিধি সম্পর্কে পৌঁছেছে যে, তার শিক্ষার পরিসর নাকি কুদুরী পর্যন্ত। আর তিনি তার যোগ্যতাকে ও মেধাকে ঘড়ি ঠিক করার কাজে ব্যয় করেছেন এবং তিনি এ কাজেরত ছিলেন। আল্লাহ্র কসম! আমাদের সাধারণ মাদরাসাগুলোতে যে সকল ছাত্ররা হাদীছ পড়ে যতটুকু জানে বা শেখে, ততটুকু জ্ঞানও তার নেই’।[9]

৫. মাযহাব ও অন্ধ তাকলীদ মানুষকে (ছাঃ)র্মের বিধি-বিধানের সাথে দ্বিমুখী ও বৈপরীত্য আচরণ করতে শেখায় :

মাযহাব মানতে গিয়ে ও অন্ধ তাকলীদের স্বীকার হয়ে যেমন মাযহাবী মুকাল্লিদ ভাইয়েরা অনেক ছহীহ হাদীছ প্রত্যাখ্যান করছেন। তেমনি আবার তারা কখনও কখনও (ছাঃ)র্মের হুকুম, আহকাম, বিধি-বিধানের সাথে দ্বিমুখী ও বৈপরীত্য আচরণ করছেন। একই হাদীছের কিছু মানেন, আর কিছু মানেন না। যা তাদের মনমতো, মাযহাবের মতানুযায়ী, ইমামের মতানুযায়ী হয়, তা মানেন। আর যখন মাযহাবের খেলাফ, ইমামের মতের বিরোধী হয় তখন কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হলেও প্রত্যাখান করেন ।

মাযহাবপন্থী মুকাল্লিদ ভাইয়েরা শুধু মাযহাবকে টিকিয়ে রাখতে যে শরী‘আতের হুকুম-আহকাম, বিধি- বিধানের সাথে দ্বিমুখী আচরণ করেন, এ ব্যাপারে অনেক প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। কিন্তু প্রবন্ধের কলেবর যাতে বৃদ্ধি না হয় সেজন্যে আমরা মাত্র কয়েকটি উদাহরণ আপনাদের সমীপে পেশ করলাম:

১ম উদাহরণ : হানাফী মাযহাবে ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়া যাবে না, বরং ইমামের তেলাওয়াত ওয়াজিব, কিন্তু ফজরের সুন্নাতের সময় কেন এ দ্বিমুখী আচরণ? অর্থাৎ হানাফী মাযহাবপন্থী ভাইদের ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে না, এর স্বপক্ষে কুরআন হতে যে দলীল পেশ করেন, তা হচ্ছে,

وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُواْ لَهُ وَأَنصِتُواْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ

‘যখন কুরআন পড়া হয়, তখন তোমরা তা শ্রবণ করো ও নীরবতা অবলম্বন করো। তাহলে তোমাদের উপর রহম করা হবে’ (রাফ, ২০৪)। অতএব, যখন ইমাম ছালাতে কুরআন পড়বেন, তখন সূরা ফাতিহাও পড়া যাবে না। চুপ করে কুরআন শুনা ওয়াজিব। কিন্তু মাযহাবী ভাইয়েরা যখন ফজরের সময় সুন্নাত ছালাত পড়তে শুরু করেন ইমাম সাহেব কুরআন পড়েই চলেছেন, এমনকি রাক‘আতও শেষ হয়ে যায়, তবু মাযহাবী ভাইয়েরা ফরয ছালাত ছেড়ে কুরআন শুনা ওয়াজিব, এটা ছেড়ে সুন্নাত নিয়ে ব্যস্তই থাকেন। এমনকি তাদের যদি কোনো মুছল্লী ফজরে এসে দেখেন ইমাম সাহেব ফজরের ছালাত জামা‘আতের সাথে পড়াচ্ছেন বা এক রাক‘আত শেষ হয়ে গেছে তখনও তারা সুন্নাতের নিয়্যত করবে, সুন্নাত পড়বে। অথচ ছাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ) ও জাবের (রাঃ) রাসূল (ছাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ছাঃ) বলেন,

إِ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

‘যখন ফরয ছালাতের জন্য ইক্বামত দেওয়া হবে, তখন ফরয ছালাত ব্যতীত অন্য কোনো ছালাত পড়া জায়েয না’।[10] এখন এ সকল মাযহাবী ভাইদেরকে কী বলবেন? মাযহাবী ভাইয়েরা কি কুরআন হাদীছের সাথে দ্বিমুখী আচরণ করছেন না?

২য় উদাহরণ : আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ.

‘আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা শ্রবণ করো এবং নিশ্চুপ থাকো, যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়’ (রাফ, ২০৪)। আয়াত দ্বারা মাযহাবী ভাইয়েরা প্রমাণ পেশ করেন ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়া যাবে না। কিন্তু জুম‘আর খুৎবার সময় রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়া যাবে। অথচ জুম‘আর খুৎবা ছালাতেরই অংশ। দেখুন তাদের মাযহাবী কিতাব থেকে প্রমাণ- আপনারা আগেই দেখেছেন হানাফী ভাইয়েরা…وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ..আয়াত দ্বারা ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়া যাবে না বলে ফৎওয়া দিলেন। কারণ সূরা ফাতিহা পড়লে নাকি তাদের ছালাতের সমস্যা হয়! কিন্তু তাদের বড় বড় ইমাম, ফক্বীহ বলেন, জুম‘আর খুৎবার সময় যদি ইমাম এ আয়াত পড়েন, তাহলে ঐ খুৎবারত অবস্থায় মুক্তাদীর জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়া জায়েয।

এ সম্বদ্ধে হানাফী মাযহাবের বড় মুহাদ্দিছ আল্লামা আইনী বলেন,

لكن إذا قرأ الخطيب ” إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ” يصلى السامع ويسلم في نفسه.

‘খুৎবায় খত্বীব যখন এ আয়াত ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়’ (আহযাব, ৫৬) পড়েন, তখন শ্রবণকারী মনে মনে রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়বে’।[11]

তাদের অন্যতম বড় ইমাম ইবনুল হুমাম (রহঃ) ইমাম আবু ইউসুফ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন,

ينبغي أن يصلى في نفسه، لأن ذلك مما لا يشغله عن سماع الخطبة، فكان احرازا للفضيلتين”

‘ইমামের খুৎবারত অবস্থায় যখন কোনো মুছল্লী পূর্বোক্ত আয়াত অর্থাৎ রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়ার আয়াত শুনবে, তখন তার মনে মনে রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়া উচিত। কারণ তার মনে মনে এ দরূদ ও সালাম পড়া খতীবের খুৎবা শুনার কোনো ব্যাঘাত ঘটায় না। আর এ দরূদ ও সালাম পড়ার মাধ্যমে উক্ত মুছল্লী দুটি ফযীলতের ভাগীদার হবে।

সুধী পাঠক! এটা তাদের দ্বিমুখী আচরণের এক জ্বলন্ত প্রমাণ। যে আয়াত দ্বারা ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়া যাবে না বলছেন, কারণ ছালাতে ব্যাঘাত ঘটে। আবার জুম‘আর খুৎবা, যা নাকি ছালাতের অংশ সেখানে রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ ও সালাম পড়া জায়েয বলছেন। এখানে ছালাতের অংশ খুৎবা শুনাতে ব্যাঘাত ঘটে না। এ দ্বিমুখী বৈপরীত্য আচরণের একমাত্র কারণ মাযহাব ও অন্ধ তাকলীদ। কারণ মাযহাবের ইমামগণ যেখানে জায়েয বলেছেন, সেখানে কুরআন হাদীছ পরিত্যাজ্য।

(চলবে)

[1].   কাওছারী, আত-তা’নীব, পৃঃ ১০০।

[2].  প্রাগুক্ত, পৃঃ ৪।

[3]. প্রাগুক্ত, পৃঃ ২৬।

[4]. প্রাগুক্ত ।

[5]. বাকর আবু যায়েদ, আর-রদ্দু, পৃঃ ২৮৭।

[6]. আবুগুদ্দাহ, মাকালাত, পৃঃ ৪০৯; আর-রদ্দু, পৃঃ ২৮৬।

[7]. আবু গুদ্দাহ, ছাফওয়াতুল বুরহান, পৃঃ ২৯; আর-রদ্দু, পৃঃ ২৮৪ |

[8]. আলবানী, শুযূযুহূ ওয়া আখতাউহূ, পৃঃ ৯ |

[9]. প্রাগুক্ত।

[10]. বুখারী ও মুসলিম। ফাতহুল বারী, হা/৬৬৩, ‘আযান’ অধ্যায়; মুসলিম, হা/১১৬০, ‘ছালাত’ অধ্যায়।

[11]. আইনী, রমজুল হাকায়েক।|