বাবরি মসজিদের জমিতে মন্দির, অন্যত্র হবে মসজিদ!

ভারতের বহুল আলোচিত অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে ভেঙে ফেলা মসজিদের জমিতে মন্দির নির্মাণে তিন মাসের মধ্যে ট্রাস্ট গঠন করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে অযোধ্যা শহরের ‘উপযুক্ত স্থানে’ পাঁচ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ের পর সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবী জাফরাইব জিলানি বলেন, ‘আমরা সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সম্মান জানাই। তবে এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা মনে করি এটা অন্যায্য’। রায়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বিতর্কিত মূল জমি পাবে ‘রাম জন্মভূমি ন্যাস’। এই জমিতে মন্দির তৈরিতে কোনো বাধা নেই। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বাবরের সেনাপতি মীর বাকীই যে মসজিদ তৈরি করেছিলেন, তার প্রমাণ রয়েছে। তবে সেটা কোন সালে, তা নির্ধারিত নয় এবং তারিখ গুরুত্বপূর্ণও নয়। উল্লেখ্য, অযোধ্যায় ২.৭৭ একর বিতর্কিত জমির মালিকানা দাবি করে আসছিল মুসলিম ও হিন্দু দু’পক্ষই। মুসলিমদের পক্ষে বলা হয়েছে, সেই জায়গায় মন্দির থাকার কোনো প্রমাণ নেই। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভেঙে দেয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। তাদের বিশ্বাস, পুরনো মন্দির ভেঙে দিয়ে সেই জায়গায় মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, যে জায়গাটি ছিল রামচন্দ্রের জন্মভূমি। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত জমিটিকে তিন ভাগে ভাগ করে দেয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মোহী আখড়া এবং রাম লালার মধ্যে। তবে এই রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় তিনপক্ষই।

৪০ দিন ফজর ছালাত আদায় করলেই সাইকেল উপহার

ভারতের বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত হাজি স্যার ইসমাঈল সাইত মসজিদ থেকে ঘোষণা করা হয়, যে শিশুরা নিয়মিত ৪০ দিন ফজর ছালাত আদায় করবে তাদের জন্য পুরস্কার হিসাবে রয়েছে বাইসাইকেল। এ ঘোষণার পর শিশুদের মধ্যে শুরু হয় ছালাত আদায়ের প্রতিযোগিতা। গত ৩ নভেম্বর পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে নতুন ব্র্যান্ডের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। শিশুদেরকে ছালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে এ উদ্যোগ নিয়েছিল বেঙ্গালুরুর স্থানীয় হাজি স্যার ইসমাইল সাইত মসজিদ কমিটি। বেঙ্গালুরুর স্থানীয় মসজিদে নিয়মিত ৪০ দিন ফজরের ছালাত আদায় করলেই বাচ্চারা পাবে নতুন ব্র্যান্ডের এ সাইকেল। নিয়মিত ৪০ দিন ফজরের ছালাত আদায়ের এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ আহ্বান করার পর ২ শতাধিক শিশু ৪০ দিনের এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণে সাইনআপ (রেজিস্ট্রেশন) করে। তবে যারা নিয়মিত ৪০ দিন ক্যাম্পেইনটি অংশগ্রহণ করতে পারেনি তাদের জন্যও ছিল পুরস্কার। তারা পুরস্কার হিসাবে পেয়েছে ঘড়ি। ছালাতের প্রতি শিশু-কিশোরদের আগ্রহ বাড়াতে আরও যারা এ উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে তাদের মধ্যে রয়েছে- পাকিস্তান, মিসর, মালয়েশিয়া, তুরস্ক এবং ইংল্যান্ড।