করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?
জুয়েল রানা*



ভূমিকা : বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি থামছেই না। বরং নতুন নতুন রূপে দেখা যাচ্ছে ভাইরাসটিকে এবং একই সাথে সংক্রমণের তিব্রতাও বেড়ে চলেছে অব্যাহত গতিতে। ফলে দিন দিন পৃথিবীর মানুষ আরো ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছে। ১ বছরের বেশি বা ১৪ মাস ধরে পৃথিবী এক অস্বাভাবিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মানুষ চরম দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছে। পৃথিবীর স্বাভাবিক কার্যক্রম পর্যন্ত থমকে গেছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় (কোনো কোনো দেশে তৃতীয়) ঢেউয়ে মানুষ দিশেহারা। এই দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর রেকর্ড অতীত অর্থাৎ আগের ১৩ মাসের পরিসংখ্যানকে ছাড়িয়ে গেছে। শুধু দেশেই নয়, বাংলাদেশের প্রবাসী নাগরিকরাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন।

সবার মনে একটা আশা জন্মেছিল যে, বাংলাদেশে করোনা মহামারির অবসান হতে যাচ্ছে। কিন্তু এক মাসের ব্যবধানে আবার সব ওলট-পালট হয়ে গেল। মার্চ মাসের শুরু থেকেই করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করে। শীতে সংক্রমণ বাড়ে, গরমে কমে যায়— এ ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। একের পর এক সংক্রমণে গত এক বছরের রেকর্ডকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। নতুন করোনাভাইরাসের এ সংক্রমণকে স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, করোনার এ দ্বিতীয় ঢেউ বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যায়! গত বছরের জুন-জুলাইয়ে করোনা সংক্রমণের প্রথম ঢেউয়ে সংক্রমণ ছিল তীব্র। এ বছর মার্চ মাস থেকে করোনার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ শুরু হয়েছে। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের তীব্রতা বেশি। প্রথমবারের চূড়ার চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ে দৈনিক শনাক্ত বেশি হচ্ছে।

কোভিড-১৯ করোনা অণুজীবঘটিত কালব্যাধি। তা এখন ‘কোভিড-২১’ হওয়া উচিত। এই মহামারির তৃতীয় তরঙ্গের হাওয়াও না-কি লেগেছে কোনো কোনো রাষ্ট্রে। বাংলাদেশে এর দ্বিতীয় তরঙ্গ বা ঢেউ পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু কেন? কেউ বলছেন, কোভিড জীবাণু উষ্ণ আর্দ্র আবহাওয়া সইতে পারে না। এখন কেবল উষ্ণতা আছে, আর্দ্রতা নেই। তাই তার পোয়াবারো। বৃষ্টি হলে এর দৌরাত্ম্য কমে যেত। আসলে এর তরঙ্গ সৃষ্টির প্রকৃত কারণ ও করণীয় সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহই জানেন।

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ ও পুনরায় লকডাউনের কারণে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ, রফতানি, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে। উদীয়মান অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ গেল বছরের বিপর্যস্ত অর্থনীতির ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে। এ সময়ে শুল্ককর আদায়ের লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। লকডাউন প্রলম্বিত হলে রাজস্ব আদায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থ উপার্জনের ক্ষমতা ও ব্যয়ের সক্ষমতা নতুন করে বাধার সম্মুখীন হতে পারে। পয়লা বৈশাখ, রামাযান ও ঈদকে কেন্দ্র করে অর্থনীতিতে যে লেনদেন হওয়ার কথা, তাতে যেন বিপর্যয় নেমে না আসে সে দিকে এখনই সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।

টিকা নিয়ে তেলেসমাতি : টিকা নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক তেলেসমাতি কাণ্ড চলছে। টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে ধনী ও গরীব দেশগুলোর বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিশ্বে যত টিকা সরবরাহ করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই পেয়েছে উচ্চ আয়ের দেশগুলো। মাত্র ১ শতাংশেরও কম টিকা পেয়েছে গরীব দেশগুলো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৭০ কোটি টিকার ডোজ সারা বিশ্বে সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৭ শতাংশের বেশি পেয়েছে উচ্চ আয় অথবা মধ্যম আয়ের দেশগুলো। বাকিরা পেয়েছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।

বাংলাদেশে ভ্যাক্সিনেশন প্রক্রিয়াটি বেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলেই মনে হচ্ছে। ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউট চুক্তি মোতাবেক গত দুদফার ভ্যাক্সিন এখনো দিতে পারেনি। ভ্যাক্সিন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ এখন অন্যান্য একাধিক উৎসের খোঁজে নেমেছে কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে করোনা ভ্যাক্সিনের চাহিদার যে ব্যাপকতা তাতে ভ্যাক্সিন পাওয়া খুব সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। ভ্যাক্সিন সংগ্রহের জন্য কেবল একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে বসে থাকা কি অযৌক্তিক ছিল বাংলাদেশের জন্য? এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সহজ পথ কি খোলা আছে বাংলাদেশের সামনে?

যে সংকটের মুখে বাংলাদেশ পড়েছে, তা থেকে সহজেই বোঝা যায়, শুধু একটি দেশের ওপর নির্ভর করে বসে থাকাটা বুদ্ধিমানের কাজ হয়নি। বিশ্বের অনেক দেশ একাধিক কোম্পানির সাথে চুক্তি করেছে। যেমন— ব্রিটেন চারটি কোম্পানির কাছ থেকে টিকা সংগ্রহ করছে। বাংলাদেশের সামনে এখন রাস্তা দুটি— শীঘ্রই অন্য দেশের সাথে টিকা আমদানির জন্য চুক্তি করা, যেমন ভারত স্পুটনিক ভি ভ্যাক্সিনের জন্য রাশিয়ার সাথে করেছে। আরেকটি পথ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অনুমোদনপ্রাপ্ত যে কোনো টিকা বাংলাদেশে উৎপাদনের জন্য সত্ত্বাধিকারী কোম্পানির কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া।

লকডাউন কে দেয়, কে মানে : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় দেশে দফায় দফায় লকডাউন চলেছে। তবে লকডাউনের কারণে শ্রমজীবী খেটেখাওয়া মানুষ মহাবিপদে পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দিন এনে দিন খান, তাদের কষ্টের সীমা নেই। সিপিডির গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনাকালে শুধু শহরে কাজ হারিয়েছেন ১০ লাখ শ্রমিক। তবে সেটা লকডাউন না-কি হেফাজত ডাউন, তা নিয়ে জনমনে সংশয়ও দেখা দিয়েছে।

পৃথিবীর অনেক রাষ্ট্রে লাল, হলুদ ও সবুজ জোন ভাগ করে লকডাউন দেওয়া হয়। একেক জোনের একেক নিয়ম। রেড জোনে ফার্মেসি, নিত্যপণ্য সামগ্রীর দোকান ও কারখানা বন্ধ থাকে। লকডাউনভুক্ত এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের ব্যবস্থা থাকে। মালয়েশিয়া, আরব দেশ ও ইউরোপে এর প্রচলন রয়েছে। ইতালি, ফ্রান্সসহ বহু দেশে দিনের বেলা লকডাউন; রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা কারফিউ বলবৎ থাকে। আমাদের দেশে গত বছর মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশের কাছে ফোন করলে তালিকা অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে কিছুটা বিড়ম্বনা থাকলেও প্রয়াসটি ছিল মহৎ ও প্রশংসনীয়। এতে পুলিশের সাথে জনগণের যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, সেটি কমে আসার এবং পুলিশকে মানুষ বন্ধু ভাবার সুযোগ হয়েছিল।

লকডাউনের নিয়ম-কানুন এবং তার প্রয়োগ নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি আছে, যা থেকে অস্থিরতা এবং বাদানুবাদ সৃষ্টি হচ্ছে। 

আতঙ্কের মধ্যেই এলো মাহে রামাযান : বাংলাদেশে ২৯ শা‘বান চাঁদ দেখা যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রামাযান। তবে গত বছরের মতো এবারো করোনা মহামারির আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হয়েছে পবিত্র রামাযানের ছিয়াম। বিশ্বজুড়ে প্রায় সব মুসলিম নর-নারী এই মাসে ছিয়াম সাধনায় লিপ্ত হয়ে থাকেন। অফুরন্ত এক আনন্দধারায় তখন সিক্ত হয় সবার জীবন। পবিত্র মাহে রামাযানের পাশাপাশি বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখের দিনটিও শুরু হয়েছে ১৪ এপ্রিল। এই দুঃসময়, এই রোগ-শোক, ভয়-জরা দূরে সরিয়ে রেখেই পবিত্র মাহে রামাযানে ছিয়াম সাধনায় রত হয়েছে মুসলিম বিশ্ব।

করোনার নতুন রূপ : বাংলাদেশে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। করোনায় প্রতিদিনই মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। গত বছরের এপ্রিলে দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৪৬ জন। সেটা ছাড়িয়ে বর্তমানে ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০ এবং সর্বশেষ ১০০ ছাড়িয়ে গেছে দৈনিক মৃত্যু। করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভেরিয়েন্টটি সম্পর্কে উদ্বেগজনক খবর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তারা জানিয়েছেন, শিশুরাও এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। বমি, খিঁচুনি ও পেট খারাপ হলেই শিশুটি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে বোঝা যায়। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় মৃত্যুতে কিছু পরিবর্তন ধরা পড়েছে রোগতত্ত্ববিদদের কাছে। কম বয়সী ও নারীদের মৃত্যু তুলনামূলক বেশি হতে দেখা যাচ্ছে। করোনায় বাংলাদেশে ১৩৯ চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন। পুলিশ মারা গেছেন ৯০ জন। প্রশাসনের ২৫ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। আর করোনায় সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৪ জন।

আগে বয়স্করা সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুবরণ করলেও এবার কম বয়সীদের হারটাও আশঙ্কাজনক। গত বছর ৮ মার্চ সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ৯৫ দিনে এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় ১৫ দিনেই মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। গত এক বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ হাজার। দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক সংগঠক, রাজনীতিবিদ, সংসদ-সদস্য, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশসহ প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এই মৃত্যুর তালিকায় আছেন। শহরে মৃত্যুর হার বেশি হলেও গ্রামে একেবারে বিস্তৃত হয়নি— তেমন দাবি করা যাবে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বাড়ছে মৃত্যু, সঙ্গে থাকছে শঙ্কা। ভাইরাসটির জিনোমে ক্রমবর্ধমান পরিবর্তন, বিয়োজন— মহামারির স্থায়িত্ব নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠছে, তেমনি তা চলমান ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনে বড় ধরনের বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভাইরাসটির রূপবদল গবেষক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপ্রধানদের ভাবিয়ে তুলছে। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বের হচ্ছে নতুন নতুন গবেষণাপত্র।

করোনাভাইরাসের ভবিষ্যৎ :  অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা, করোনাভাইরাস কখনোই দূরীভূত হবে না এবং মানুষকে সেটা মেনে নিয়েই জীবনযাপন করতে হবে। যেমন— ফ্লু বা নিউমোনিয়া দূরীভূত হয়নি, কিন্তু আল্লাহর দয়ায় ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে তার প্রভাব কমে গেছে। প্রতি বছর ফ্লু এবং নিউমোনিয়ায় অনেক বয়স্ক লোকের মৃত্যু হলেও স্বাভাবিক জীবন থেমে থাকেনি। করোনাভাইরাসের বেলায় হয়তো তাই হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।

উপসংহার : রোগ-বালাই হয় বিপদ, না হয় পরীক্ষা। মুমিনের জন্য উভয়টিই কল্যাণকর। হয় মহান আল্লাহ এর দ্বারা মুমিনের গুনাহ মাফ করে দেন অথবা তার ছবরের পরীক্ষা নিয়ে থাকেন। তাই মুমিনের এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছুই নেই। মহান আল্লাহ চাইলে মানুষকে করোনা দিয়েও বাঁচিয়ে রাখতে পারেন। আবার চাইলে করোনা না দিয়েও মৃত্যু দান করতে পারেন। একমাত্র জীবন দানকারী ও মৃত্যু দানকারী সত্তা তিনিই। আমদের তার উপরই ভরসা রাখা উচিত। নিজ নিজ তাক্বদীরের উপর বিশ্বাস মযবূত করা উচিত। যাতে আমরা মারা গেলেও যেন সঠিক ঈমানের উপর মারা যেতে পারি। কেননা আজ হোক কাল হোক আমাদের মৃত্যুবরণ করতেই হবে। বেঁচে থাকা সফলতা নয়; ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করতে পারাটা সফলতা। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈমানের উপর মৃত্যু দান করুন- আমীন!


* খত্বীব, গছাহার বেগ পাড়া জামে মসজিদ (১২ নং আলোকডিহি ইউনিয়ন), গছাহার, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর; সহকারী শিক্ষক, চম্পাতলী জান্দিপাড়া ইসলামিক একাডেমি, চম্পাতলী বাজার, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।