কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
তাওহীদের আলো ও শিরকের অন্ধকার

মূল : ড. সাঈদ ইবনু আলী ইবনু ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী

অনুবাদ : হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হুসাইন

(পর্ব-৬)

শিরকের কারণ ও মাধ্যম সমূহ :

যা কিছু শিরকে নিপতিত করতে পারে, তার সবগুলো থেকে নবী কারীম (ছাঃ) স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করেছেন। সংক্ষিপ্তভাবে তার বিবরণ নিম্বরূপ:

(১) সৎলোকদের ব্যাপারে বেশি বাড়াবাড়ি করা শিরক করার অন্যতম কারণ :

আদম (আঃ)-কে জান্নাত থেকে দুনিয়াতে অবতরণ করার পর থেকে মানুষেরা ইসলামের (তাওহীদের) উপর ছিল। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন,

كَانَ بَيْنَ آدَمَ، وَنُوحٍ عَشَرَةُ قُرُونٍ كُلُّهُمْ عَلَى شَرِيعَةٍ مِنَ الْحَقِّ

‘আদম (আঃ) ও নূহ (আঃ)-এর মধ্যবর্তী ১০ শতাব্দী পর্যন্ত সবাই ইসলামের উপর ছিল’।[1]

তারপর মানুষ সৎলোকদের উপর বিশ্বাসী ও নির্ভর হয়ে গেল। তখন থেকেই পৃথিবীতে শিরকের সূত্রপাত ঘটে। অতঃপর এক আল্লাহর দিকে আহ্বান ও তিনি ব্যতীত অন্যের ইবাদত করা হতে বিরত রাখার জন্য নূহ (আঃ)-কে নবী হিসাবে প্রেরণ করেন’।[2]  তাঁর সম্প্রদায় তাঁর দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে বলেছিল,

وَقَالُواْ لا تَذَرُنَّ آلِهَتَكُمْ وَلا تَذَرُنَّ وَدًّا وَلا سُوَاعًا وَلا يَغُوثَ وَيَعُوقَ وَنَسْرًا

‘আর তারা বলেছিল, তোমাদের দেব-দেবীদের কখনো পরিত্যাগ করো না, আর অবশ্যই পরিত্যাগ করো না ওয়াদ সুআ‘আকে, আর ‘ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকেও পরিত্যাগ করো না’ (নূহ, ৭১/২৩)।

وهذه أَسْمَاءُ رِجَالٍ صَالِحِينَ مِنْ قَوْمِ نُوحٍ فَلَمَّا هَلَكُوا أَوْحَى الشَّيْطَانُ إِلَى قَوْمِهِمْ أَنْ انْصِبُوا إِلَى مَجَالِسِهِمْ الَّتِي كَانُوا يَجْلِسُونَ أَنْصَابًا وَسَمُّوهَا بِأَسْمَائِهِمْ فَفَعَلُوا فَلَمْ تُعْبَدْ حَتَّى إِذَا هَلَكَ أُولَئِكَ وَتَنَسَّخَ الْعِلْمُ عُبِدَتْ

‘এগুলো হচ্ছে নূহ (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের সৎ ব্যক্তিদের নাম। তারা মারা গেলে শয়তান তাদের গোত্রের লোকদের অন্তরে এ কথা ঢেলে দিল যে, তারা যেখানে বসে বৈঠক করত, সেখানে তোমরা কতিপয় মূর্তি স্থাপন করো এবং ঐ সমস্ত পূণ্যবান লোকের নামেই এগুলোর নামকরণ করো। কাজেই তারা তাই করল, কিন্তু তখনো ঐসব মূর্তির পূজা করা হত না। তবে মূর্তি স্থাপনকারী লোকগুলো মারা গেলে এবং মূর্তিগুলোর ব্যাপারে সত্যিকারের জ্ঞান বিলুপ্ত হলে লোকজন তাদের পূজা আরম্ভ করে দেয়’।[3]

‘আর এটাই হলো সৎব্যক্তিদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করা; নিশ্চয়ই শয়তান কবরপূজা ও সৎব্যক্তিদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করার দিকে আহ্বান করে এবং মানুষের অন্তরে প্ররোচনা দেয় যে, আম্বিয়া (আঃ) ও সৎব্যক্তিদের প্রতি ভালোবাসার নমুনা হিসাবে তাদের কাঠামো নির্মাণ ও এর উপর নিবেদিত হওয়ার জন্য এবং আরও বলে যে, এর নিকট যা প্রার্থনা করা হবে তা গৃহীত হবে। অতঃপর তাদেরকে এই স্তর থেকে স্থানান্তরিত করে সেগুলোর মাধ্যমে দো‘আ করার পর্যায়ে তাদেরকে নিয়ে যায়। আর মহান আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাধ্যমে তার কাছে চাইতে হবে এমন কাজ থেকে আল্লাহ তা‘আলার শান অনেক বড়। অতঃপর যখন এই অবস্থা তাদের মাঝে বদ্ধমূল হয়ে যায়, তখন তাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত কবরবাসীর নিকট দু‘আ করা এবং কবর ঢেকে রাখার মাধ্যমে একে প্রতীমা হিসাবে গ্রহণ করা, তাওয়াফ করা, সালাম দেওয়া, চুম্বন করা, এর নিকট যবেহ করা ইত্যাদি বিশ্বাসে পরিণত করে। অতঃপর তাদেরকে এই পর্যায় হতে চতুর্থ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আর তা হলো তার পূজা বা ইবাদতের দিকে মানুষদেরকে ডাকা এবং একে ঈদ (উৎসবের) হিসাবে গ্রহণ করা। অতঃপর তাদেরকে এই স্তরে নিয়ে আসে যে, যে ব্যক্তি এসব কাজ থেকে নিষেধ করে, সে নবী ও সৎব্যক্তিদের উচ্চ মর্যাদাকে খাঁটো করে এবং তখন তারা রাগ করে’।[4]

আর এই কারণেই আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা থেকে, কথা, কাজ বা বিশ্বাসের মাধ্যমে অতিভক্তি থেকে এবং কোনো সৃষ্টিকে তার মর্যাদা থেকে উপরে উঠাতে নিষেধ করেছেন’। আল্লাহ তা‘আলার বাণী,

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لاَ تَغْلُواْ فِي دِينِكُمْ وَلاَ تَقُولُواْ عَلَى اللهِ إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ

‘হে কিতাবধারীগণ! তোমরা তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না, আর আল্লাহ সম্পর্কে সত্য ব্যতীত কিছু বলো না, ঈসা মাসীহ তো আল্লাহর রাসূল। আর তাঁর বাণী- যা তিনি মারইয়ামের নিকট প্রেরণ করেছিলেন। আর তাঁর পক্ষ হতে নির্দেশ’ (নিসা, ৪/১৭১)।

(২) প্রশংসার ক্ষেত্রে সীমা অতিক্রম করা ও দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা :

তাই রাসূল (ছাঃ) উচ্চ প্রশংসা করা থেকে ভীতি প্রদর্শন করেছেন। অতঃপর তিনি বলেন,

لَا تُطْرُونِي كَمَا أَطْرَتْ النَّصَارَى ابْنَ مَرْيَمَ فَإِنَّمَا أَنَا عَبْدُهُ فَقُولُوا عَبْدُ اللهِ وَرَسُولُهُ

‘তোমরা আমার প্রশংসা করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, যেমন ঈসা মারইয়াম ব সম্পর্কে খ্রীস্টানরা বাড়াবাড়ি করেছিল। আমি তাঁর বান্দা। তাই বলবে, আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল’।[5]  রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আরও বলেন,

إِيَّاكُمْ وَالْغُلُوَّ فَإِنَّمَا أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمُ الْغُلُوُّ فِي الدِّينِ

‘দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা থেকে তোমরা সাবধান থাকো। কেননা তোমাদের পূর্বেকার লোকদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে তাদের বাড়াবাড়ি ধ্বংস করেছে’।[6]

(৩) কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা এবং সেখানে ছবি অঙ্কন করা :

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা হতে ভীতি প্রদর্শন করেছেন আর সেখানে মসজিদ নির্মাণ করা থেকে। সৎব্যক্তিদের কবরের নিকট আল্লাহর ইবাদত করা তাদের ইবাদতের মাধ্যম। আর এ কারণেই যখন রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট উম্মু হাবীবাহ ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) হাবশার একটি ইবাদতখানার কথা উল্লেখ করলেন, যাতে ছবি/মূর্তি ছিল। তখন রাসূল (ছাঃ) বললেন,

إِنَّ أُولَئِكِ إِذَا كَانَ فِيهِمُ الرَّجُلُ الصَّالِحُ فَمَاتَ بَنَوْا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا وَصَوَّرُوا فِيهِ تِلْكَ الصُّوَرَ أُولَئِكِ شِرَارُ الْخَلْقِ عِنْدَ اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

‘তাদের কোনো সৎব্যক্তি মারা গেলে তার কবরের উপর মসজিদ তৈরি করত এবং এসব ছবি অঙ্কিত করে রাখত। এরাই ক্বিয়ামতের দিনে সর্বনিকৃষ্ট সৃষ্টি হিসাবে গণ্য হবে’।[7] ‘যখন রাসূল (ছাঃ) মৃত্যুর সন্নিকটে, তখন তিনি তাঁর উম্মতের উপর আশংকা করে বলেছিলেন,

لَعْنَةُ اللهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ قَالَتْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا يُحَذِّرُ مَا صَنَعُوا

‘ইয়াহূদী ও নাছারাদের প্রতি আল্লাহর  অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছিল। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তারা যে (বিদ‘আতী) কার্যকলাপ করত তা হতে তিনি সতর্ক করেছিলেন’।[8]  রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মৃত্যুর পূর্বে পাঁচটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করে গেছেন,

أَلاَ وَإِنَّ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَانُوا يَتَّخِذُونَ قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ وَصَالِحِيهِمْ مَسَاجِدَ أَلاَ فَلاَ تَتَّخِذُوا الْقُبُورَ مَسَاجِدَ إِنِّى أَنْهَاكُمْ عَنْ ذَلِكَ

‘সাবধান থাকো! তোমাদের পূর্বযুগের লোকেরা তাদের নবী ও সৎব্যক্তিদের কবরসমূহকে মসজিদ (সিজদার স্থান) হিসাবে গ্রহণ করত। সাবধান! তোমরা কবরসমূহকে সিজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদেরকে নিষেধ করে যাচ্ছি’।[9]

(৪) কবরকে সিজদার (মসজিদ) স্থান বানানো :

রাসূল (ছাঃ) তাঁর উম্মতকে আল্লাহ ব্যতীত তাঁর কবরকে পূজা করা থেকে সতর্ক করেছেন। আর অন্য সৃষ্টিজীবের কবরকে পূজা করা থেকেও সতর্ক করেছেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন,

اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ قَبْرِي وَثَنًا يُعْبَدُ اشْتَدَّ غَضَبُ اللهِ عَلَى قَوْمٍ اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ

‘হে আল্লাহ! তুমি আমার কবরকে পূজ্যমূর্তি বানাইও না। আল্লাহর  কঠিন রোষানলে পতিত হবে সেই জাতি, যারা তাদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে’।[10]

(৫) কবরে বাতি জ্বালানো এবং মহিলাদের কবর যিয়ারত করা :

কবরে বাতি জ্বালানো থেকে রাসূল (ছাঃ) সতর্ক করেছেন। কেননা কবর পাকা করা, তাতে বাতি জ্বালানো, চুমু খাওয়া, এর উপর লিখা, কবরের উপর মসজিদ বানানো এসবই হচ্ছে শিরকের মাধ্যম।

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَائِرَاتِ الْقُبُورِ وَالْمُتَّخِذِينَ عَلَيْهَا الْمَسَاجِدَ وَالسُّرُجَ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কবর যিয়ারতকারী মহিলাদের অভিশাপ করেছেন। যারা কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং কবরে বাতি জ্বালায়, তাদেরকেও অভিশাপ করেছেন’।[11]

(৬) কবরের উপর বসা এবং উহার দিকে ছালাত আদায় করা:

‘শিরকে পৌঁছে দিতে পারে, এমন সব ছিদ্রই রাসূল (ছাঃ) বন্ধ করে দিয়েছেন’।[12]  আর এ কারণেই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

لاَ تَجْلِسُوا عَلَى الْقُبُورِ، وَلاَ تُصَلُّوا إِلَيْهَا

‘তোমরা কখনো কবরের উপর বসবে না এবং কবরের দিকে মুখ করে ছালাতও আদায় করবে না’।[13]

(৭) কবরকে উৎসবের স্থান বানানো ও ঘরে ছালাত ত্যাগ করা :

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বর্ণনা করেছেন, নিশ্চয়ই কবর ছালাত আদায়ের স্থান নয়। আর যে কবরবাসীর জন্য দু‘আ করে তার সে দু‘আ কবরবাসীর নিকট পৌঁছে, চাই সে কবরের নিকটে থাক বা দূরে থাক। সুতরাং কবরকে উৎসব হিসাবে গ্রহণ করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

لا تَجْعَلوْا بُيوْتكمْ قبوْرًا ، وَلا تَجْعَلوْا قبْرِي عِيْدًا ، وَصَلوْا عَليَّ فإنَّ صَلاتَكمْ تبْلغُنِي حَيْثُ كنْتُمْ

‘তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থানে পরিণত করো না এবং আমার কবরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হবে’।[14]   রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অন্যত্র বলেন,

إِنَّ لِلَّهِ مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ يُبَلِّغُونِي مِنْ أُمَّتِي السَّلَامَ

‘আল্লাহ তা‘আলার কতক ফেরেশতা এমনও রয়েছেন, যারা পৃথিবীতে বিচরণ করে বেড়ান, তারা আমার উম্মতের সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে থাকেন’।[15]

অতঃপর পৃথিবীতে সবচেয়ে উত্তম কবর হচ্ছে নবী (ছাঃ)-এর কবর। আর সেই কবর যখন উৎসব হিসাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন, তখন অন্য কবরগুলো পূর্ব থেকেই নিষেধের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়’।[16]

(চলবে)

[1]. মুস্তাদরাকে হাকিম, কিতাবুত তারিখ, ২/৫৪৬। আর তিনি বলেন, বুখারীর শর্তে ছহীহ, ইমাম যাহাবী এতে ঐক্যমত পোষণ করেননি; ইবনু কাছীর, স্বীয় গ্রন্থ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১/১০১; ইমাম বুখারী (রহিঃ) দৃঢ়তার সাথে বলেছেন, ফাতহুল বারী, ৬/৩৭২।

[2]. ইবনু কাছীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়া, ১/১০৬।

[3]. ছহীহুল বুখারী ফাতহুল বারীসহ, ‘তাফসীর’ অধ্যায়, ‘সূরা নূহ’ অনুচ্ছেদ, ৮/৬৬৭, হা/৪৯২০।

[4]. তাফসীরে ত্বাবারী, ২৯/৬২; ফাতহুল মাজীদ শরহে কিতাবুত তাওহীদ, পৃঃ ২৪৬।

[5]. ছহীহুল বুখারী ফাতহুল বারীসহ, ‘নবী (ছাঃ)-এর হাদীছ সমূহ’ অধ্যায়, ‘মহান আল্লাহর বাণী, আর এ কিতাবে বর্ণনা করুন মারইয়ামের কথা, …………’ অনুচ্ছেদ, ৬/৪৭৮, হা/৩৪৪৫; ফাতহুল বারীর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য, ১২/১৪৯।|

[6]. নাসাঈ, ‘হজ্জ’ অধ্যায়, ৫/২৬০, হা/৩০৫৭; ইবনু মাজাহ, ‘হজ্জ’ অধ্যায়, ‘জামরায় নিক্ষেপের কঙ্করের আকার’ অনুচ্ছেদ, ২/১০০৮, হা/৩০২৯; আহমাদ, ১/৩৪৭।

[7]. ছহীহুল বুখারী ফাতহুল বারীসহ, ‘জাহেলী যুগের মুশরিকদের কবর খুঁড়ে ফেলে তদস্থলে মসজিদ নির্মাণ কি বৈধ’ অধ্যায়, ১/৫২৩, ৩/২০৮, ৭/১৮৭; ছহীহ মুসলিম, ‘মসজিদ ও ছালাতের স্থানসমূহ’ অধ্যায়, ‘কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা নিষেধ’ অনুচ্ছেদ, ১/৩৭৫।

[8]. ছহীহুল বুখারী ফাতহুল বারীসহ, ‘ছালাত’ অধ্যায়, হাদ্দাছানা আবুল ইয়ামান’ অনুচ্ছেদ, ১/৫৩২, ৩/২০০, ৬/৪৯৪, ৭/১৮৬, ৮/১৪০, ১০/২৭৭, হা/৫৩১; ছহীহ মুসলিম, ‘মসজিদ ও ছালাতের স্থানসমূহ’ অধ্যায়, ‘কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মসজিদে ছবি বানানো নিষেধ’ অনুচ্ছেদ, ১/৩৭৫, হা/৪৩৫-৩৬।

[9]. ছহীহ মুসলিম, ‘মসজিদ ও ছালাতের স্থানসমূহ’ অধ্যায়, ‘কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা নিষেধ’ অনুচ্ছেদ, ১/৩৭৫, হা/৫৩২।

[10]. মুওয়াত্ত্বা ইমাম মালেক, সফর ছালাত ক্বছর করা’ অধ্যায়, ছালাত জমা করা’ অনুচ্ছেদ, ১/১৭২, হা/৪১৪; ইমাম মালিক মুরসাল হিসাবে; আহমাদের শব্দে ২/২৪৬, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার কবরকে ভূত বানিও না। ঐ সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ্র অভিশাপ, যারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছিল; আবু নু‘আঈম, আল-হিলইয়্যাহ, ৭/৩১৭; ফাতহুল মাজীদ, পৃঃ ১৫০; মিশকাত, হা/৭৫০।

[11]. নাসাঈ, ‘জানাযা’ অধ্যায়, হা/২০৪৩, ৪/৯৪; আবুদাঊদ, ‘জানাযা’ অধ্যায়, ‘মহিলাদের কবর যিয়ারত করা’ অনুচ্ছেদ, হা/৩২৩৬, ৩/২১৮; তিরমিযী, ‘ছালাত’ অধ্যায়, হা/৩২০, ২/১৩৬; ইবনু মাজাহ, জানায’ অধ্যায়, হা/১৫৭৫, ১/৫০২; আহমাদ, ১/২২৯, ২৮৭, ৩২৪, ২/৩৩৭, ৩/৪৪২, ৪৪৩; হাকেম, ১/৩৭৪; মা নাকালাহু ছাহিবু ফাতহুল মাজীদ ফী তাছহীহিল হাদীছ আ‘ন ইবনু তায়মিয়াহ, পৃঃ ২৭৬ [আলবানী ঢ় হাদীছটিকে যঈফ বলেছেন, তাহক্বীক মিশকাত হা/৭৪০ -অনুবাদক]।

[12]. ফাতহুল মাজীদ, পৃঃ ২৮১।

[13]. ছহীহ মুসলিম, ‘জানাযা’ অধ্যায়, ‘কবরের উপর বসা এবং ছালাত আদায় করা’ অনুচ্ছেদ, ২/৬৬৮, হা/৯৭২।

[14]. আবুদাঊদ, ‘হজ্জ’ অধ্যায়, ‘কবর যিয়ারত’ অনুচ্ছেদ, ২/২১৮, হা/২০৭২ সনদ হাসান; আহমাদ, ২/৩৫৭; ছহীহ সুনানে আবুদাঊদ, ১/৩৮৩।

[15]. নাসাঈ, ‘সাহু (ভুল)’ অধ্যায়, ‘নবী করীম (ছাঃ)-এর উপর সালাম পাঠানো’ অনুচ্ছেদ, হা/১২৮২, ৩/৪৩; আহমাদ, ১/৪৫২; ইসমাঈল ক্বাযী, নবী করীম ধ-এর উপর দরূদ পাঠানোর ফযীলত নামক গ্রন্থে, হা/২১, পৃঃ ২৪, সনদ ছহীহ।

[16]. আব্দুর রহমান ইবনু কাসেম, আদ-দুরুরু আস-সানাইয়্যা ফী আজবিবাতিন নাজদিয়্যাহ, ৬/১৬৫-১৭৪।