কুরআন-সুন্নাহর আলোকে
মৃত মুসলিমদের জন্য নিবেদিত আমলসমূহের প্রতিদান
মূল : ড. সাঈদ ইবনু আলী ইবনু ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী p
অনুবাদ : হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হোসাইন*
(ফেব্রুয়ারি’২২ সংখ্যায় প্রকাশিতের পর)

(পর্ব-৩)


৭ম দলীল : জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ c হতে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা উহুদযুদ্ধে শহীদ হন। আর তিনি ছয়টি কন্যা সন্তান রেখে যান এবং তাঁর উপর ঋণও রেখে যান [৩০ ওয়াসাক্ব]। [ঋণদাতারা তাদের ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে খুবই কঠোর হয়ে পড়ল]। খেজুর কাটার সময় হলে আমি আল্লাহর রাসূল a-এর নিকটে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল a! আপনি জানেন যে, আমার পিতা উহুদযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন আর তিনি তার কাঁধে অনেক ঋণ রেখে গেছেন। আমার মন চায় যে, পাওনাদাররা আপনার সাথে দেখা করুক। রাসূল a বললেন, এক এক রকম খেজুর এক এক স্থানে জমা করো। আমি তাই করলাম। অতঃপর তাঁকে আহ্বান করলাম। [সকাল হলে তিনি আমাদের কাছে আসলেন] পাওনাদাররা যখন তাঁকে দেখল, তখন তারা আমার নিকট জোর তাগাদা করতে লাগল। তিনি তাদের এরূপ করতে দেখে খেজুরের বড় স্তূপটির চারদিকে তিন বার ঘুরলেন [এবং তিনি ফলমূলের বরকতের জন্য দু‘আ করলেন]। অতঃপর তার উপর বসে পড়লেন। অতঃপর বললেন, তোমার পাওনাদারদের ডাকো। তিনি মেপে মেপে তাদের পাওনা আদায় করতে লাগলেন এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার পিতার সমস্ত ঋণ আদায় করে দিলেন’।[1] তার পিতার অছিয়ত ছিল যে, তারা তার পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করবে। আর আল্লাহর কসম! আমার পিতার ঋণ আল্লাহ পরিশোধ করার পর যদি আমি আমার বোনদের নিকট একটি খেজুরও না নিয়ে ফিরি, তাতেও আমি সন্তুষ্ট। কিন্তু আল্লাহর কসম! সমস্ত স্তূপই যেমন ছিল তেমন রয়ে গেল। আমি সেই স্তূপটির দিকে বিশেষভাবে তাকিয়ে ছিলাম, যার উপর আল্লাহর রাসূল a বসেছিলেন। মনে হলো যে, তা থেকে একটি খেজুরও কমেনি। [অতঃপর আমি রাসূল a-এর সঙ্গে মাগরিবের ছালাত আদায় করলাম এবং তাঁকে ওই ঘটনাটি বললাম, তখন তিনি হাসলেন অতঃপর বললেন, আবূ বকর ও উমারের কাছে যাও এবং দু’জনের কাছে খবরটা দাও। তাঁরা বললেন,  আমরা আগেই জানতাম

যে, যখন আল্লাহর রাসূল a যা করার তা যেহেতু করেছেন, তখন অবশ্যই এ রকমই হবে]’।[2]

৮ম দলীল : জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ c হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল a মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতেন। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও যথার্থ গুণগান গাইতেন। আর বলতেন,

مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ إِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرَ الْهَدْىِ هَدْىُ مُحَمَّدٍ وَشَرَّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ.وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ وَكُلَّ ضَلاَلَةٍ فِى النَّارِ وَكَانَ إِذَا ذَكَرَ السَّاعَةَ احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ وَعَلاَ صَوْتُهُ وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشٍ يقول صَبَّحَكُمْ وَمَسَّاكُمْ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلِوَرَثَتِهِ وَمَنْ تَرَكَ ضَيَاعاً أَوْ دَيْناً فَعَلَىَّ وَإِلَىَّ وَأَنَا وَلِىُّ الْمُؤْمِنِينَ وفي رواية: بِكُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ نَفْسِهِ.

‘আল্লাহ যাকে হেদায়াত করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে হেদায়াতকারী কেউ নেই। সর্বোত্তম বাণী হলো আল্লাহর কিতাব। সর্বোৎকৃষ্ট দিক-নির্দেশনা হলো মুহাম্মাদ a-এর দিক-নির্দেশনা। সর্বনিকৃষ্ট কর্ম হলো নবাবিষ্কৃত কর্ম। আর প্রত্যেক নবাবিষ্কৃত কর্ম হলো বিদআত। [প্রত্যেক বিদআত হলো ভ্রষ্টতা। আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতাই জাহান্নামে]। ক্বিয়ামত সম্পর্কে তিনি আলোচনা করলে তাঁর দু’চোখ লাল হয়ে যেত, আওআজ বুলন্দ হয়ে যেত, রাগ কঠিন হয়ে যেত। যেন তিনি সৈন্যবাহিনীকে সতর্ক করে বলছেন- সকাল এবং সন্ধ্যায় তোমাদেরকে শক্র আক্রমণ করবে, যে ধনসম্পদ রেখে যাবে, তা তার ওয়ারিছদের জন্য হবে। আর যে নিঃস্ব পরিবার[3] অথবা ঋণ রেখে যাবে, তাদের (দেখাশুনা করার) দায়িত্ব এবং ঋণ (পরিশোধ করার) দায়িত্ব আমার হবে। আমি (ঋণ পরিশোধ বা দায়িত্ব গ্রহণে) মুমিনদের অধিক নিকটতর। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আমি প্রত্যেক মুমিনের অধিক নিকটতর তার স্বীয় জান থেকে’।[4]

৯ম দলীল : আয়েশা g হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী a বলেছেন,مَنْ حُمِّلَ مِنْ أُمَّتِى دَيْناً ثُمَّ جَهِدَ فِى قَضَائِهِ فَمَاتَ وَلَمْ يَقْضِه فَأَنَا وَلِيُّهُ ‘আমার উম্মতের মাঝে যে ব্যক্তি ঋণ নিয়ে পরিশোধ করার যথেষ্ট চেষ্টা করা সত্ত্বেও পরিশোধ করতে পারল না, অতঃপর মৃত্যুবরণ করল, তার (ঋণ পরিশোধে) আমি তার অভিভাবক’।[5]

১০ম দলীল : মানুষ মারা যাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব, তত দ্রুত ঋণ পরিশোধ করতে হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ করার মতো ধনসম্পদ না থাকে, তাহলে ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব রাষ্টপ্রধানের উপর বর্তাবে। রাষ্ট্রপ্রধানও যদি পরিশোধ না করে, তাহলে উপস্থিতিদের মধ্যে কেউ পরিশোধ করলে হয়ে যাবে। আবূ হুরায়রা c হতে বর্ণিত হাদীছে রয়েছে,

كَانَ يُؤْتَى بِالرَّجُلِ الْمَيِّتِ عَلَيْهِ الدَّيْنُ فَيَسْأَلُ هَلْ تَرَكَ لِدَيْنِهِ مِنْ قَضَاءِ فَإِنْ حُدِّثَ أَنَّهُ تَرَكَ وَفَاءً صَلَّى عَلَيْهِ، وَإِلاَّ قَالَ صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ فَلَمَّا فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْفُتُوحَ قَالَ أَنَا أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ فَمَنْ تُوُفِّىَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فَعَلَىَّ قَضَاؤُهُ وَمَنْ تَرَكَ مَالاً فَلِوَرَثَتِهِ.

‘রাসূল a-এর নিকট যদি মৃত দেহ (জানাযার জন্য) আসত যার উপর ঋণ থাকত, তবে তিনি জিজ্ঞেস করতেন, সে কি তার ঋণ পরিশোধের জন্য ওই পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, যা দ্বারা ঋণ পরিশোধ হতে পারে? যদি জানানো হতো যে, সে ঋণ পূর্ণ করার পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, তবে তিনি তার জানাযা পড়তেন। অন্যথা বলতেন, তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযা পড়ো। যখন আল্লাহ তাঁর জন্য বিভিন্ন যুদ্ধে বিজয় এনে দেন, তখন তিনি বলেন, আমি মুমিনদের জন্য তাদের নিজেদের অপেক্ষাও বেশি নিকটবর্তী। সুতরাং যে ব্যক্তি ঋণ অবস্থায় মারা যাবে, তার সে ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার উপর। আর যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যাবে, তা তার উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য’।[6]

১১তম দলীল : আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আছ c হতে বর্ণিত, রাসূল a বলেন, يُغْفَرُ لِلشَّهِيدِ كُلُّ ذَنْبٍ إِلاَّ الدَّيْنَ ‘ঋণ ব্যতীত শহীদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে’।[7]

১২তম দলীল : মৃত ব্যক্তির করে যাওয়া অছিয়ত বাস্তবায়ন করতে হবে। কমপক্ষে রেখে যাওয়া ধনসম্পদের এক-তৃতীয়াংশ। কেননা অছিয়ত বাস্তবায়ন করা ওয়াজিব বা আবশ্যক। আর দ্রুত অছিয়ত পালন করা (অবস্থার পরিপেক্ষিতে) হতে পারে ওয়াজিব বা মুস্তাহাব। অছিয়ত ওয়াজিব বিষয়ের ক্ষেত্রে হলে যিম্মা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য দ্রুত অছিয়ত বাস্তবায়ন করতে হবে। আর নফল বিষয়ের অছিয়ত হলে, (মৃত ব্যক্তির) ছওয়াবের (প্রয়োজনীয়তার) কারণে দ্রুত অছিয়ত বাস্তবায়ন করতে হবে। অছিয়ত হতে পারে ওয়াজিব অথবা হতে পারে মুস্তাহাব। উলামায়ে কেরাম বলেন, فينبغي أن تنفذ قبل أن يدفن ‘দাফন করার পূর্বে অছিয়ত বাস্তবায়ন করা উচিত’।[8] আবূ হুরায়রা c হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল a বলেছেন, نَفْسُ الْمُؤْمِنِ مُعَلَّقَةٌ بِدَيْنِهِ حَتَّى يُقْضَى عَنْهُ ‘মুমিন ব্যক্তির রূহ ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তার ঋণের সাথে ঝুলন্ত থাকে’।[9]

আবূ হুরায়রা c হতে বর্ণিত, নবী করীম a বলেছেন,مَنْ أَخَذَ أَمْوَالَ النَّاسِ يُرِيدُ أَدَاءَهَا أَدَّى اللَّهُ عَنْهُ وَمَنْ أَخَذَ يُرِيدُ إِتْلاَفَهَا أَتْلَفَهُ اللَّهُ ‘যে ব্যক্তি মানুষের মাল (ধার) নেয় পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তাআলা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তাআলা তাকে ধ্বংস করেন’।[10]


1]. তার পিতার অছিয়ত ছিল যে, তারা তার পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করবে।

[2]. ছহীহ বুখারী, ‘বিবাদ-মীমাংসা’ অধ্যায়, ‘পাওনাদারদের মধ্যে এবং ওয়ারিছদের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া এবং এ ব্যাপারে অনুমান করা’ অনুচ্ছেদ, হা/২৭০৯, ২৭৮১; আবূ দাঊদ অনুরূপ, ‘অছিয়ত’ অধ্যায়, ‘ঋণগ্রস্ত মৃতের ঋণ পরিশোধে ওয়ারিছদের সময় দেওয়া ও সদয় হওয়া’ অনুচ্ছেদ, হা/২৮৮৪; নাসাঈ, ‘অছিয়ত’ অধ্যায়, ‘সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ অছিয়ত প্রসঙ্গে’ অনুচ্ছেদ, হা/৩৬৬৬; ইবনু মাজাহ, ‘বিচার ও বিধান’ অধ্যায়, ‘মৃতের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করা’ অনুচ্ছেদ, হা/২৪৩৪; বায়হাক্বী, ৬/৬৪; মুসনাদে আহমাদ, ৩/৩১৩, ৩৬৫, ৩৭৩, ৩৯১, ৩৯৭, বিশদভাবে এবং সংক্ষিপ্তভাবে। আলবানী p বলেন, এ হাদীছে ইমাম আহমাদের নিকটে অনেক অতিরিক্ত রয়েছে, যা আমি দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার ভয়ে উল্লেখ করিনি।

[3]. আলবানী p বলেন, ‘অর্থাৎ পরিবার-পরিজন। ইবনুল আছীর p বলেন, যা ‘নষ্ট হয়েছে, নষ্ট হবে, নষ্ট হওয়া’ এ রূপান্তিত হয়েছে। তাই মাছদারের কারণে ‘যআ’ শব্দটি ‘ইয়াল’ বা পরিবার বলা হয়। যেমনভাবে তুমি বলে থাকো, من مات وترك فقراً أى فقراء ‘যে মৃতুবরণ করল, অথাৎ সে দরিদ্র রেখে গেল।

[4]. ছহীহ মুসলিম, ‘জুমআ’ অধ্যায়, ‘জুমআর ছালাত এবং খুৎবা হালকা করা’ অনুচ্ছেদ, হা/৮৬৭; সুনানে বায়হাক্বী ৩/২১৩, ২১৪; আসমা ওয়াছ ছিফাত, পৃ. ৮২; মুসনাদে আহমাদ, ৩/২৯৬-৩১০, ৩৩৮, ৩৭১, বর্ণনার ধারাবাহিকতা ইমাম আহমাদের; আবূ নুআঈম, হিলয়াতুল আউলিয়া, ৩/১৮৯, ‘আলবানী p বলেন, প্রথম বৃদ্ধি অংশটুকু ছিল আবূ নুআইমের। আর নাসাঈ এবং বায়হাক্বী উভয়ের সনদ ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী ছহীহ। আর দ্বিতীয় বৃদ্ধি অংশটুকু নাসাঈ এবং বায়হাক্বীর ছিল। তৃতীয় ও চতুর্থ বৃদ্ধি অংশটুকু ছিল ইমাম আহমাদের। ইমাম মুসলিমের ছিল দ্বিতীয় বর্ণনাটি।

[5]. মুসনাদে আহমাদ, ৬/৭৪, আলবানী p বলেন, ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীছটির সনদ ছহীহ; হাফেয মুনযিরী বলেন, ৩/৩৩; (আহমাদের বর্ণনায় সনদ উত্তম এবং আবূ ইয়া‘লা ও ত্বাবারানী মু‘জামুল আওসাত্ব); অনুরূপ মাজমূ‘, ৪/১৩২; তবে তিনি বলেন, ইমাম আহমাদের হাদীছটির বর্ণনাকারীরা বিশুদ্ধ বর্ণনাকারী; আর ফাতহুল বারী, ৫/৫৪-এ এই মাসআলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক আলোচনা সংযোজন করা হয়েছে।

[6]. ছহীহ বুখারী, ‘যামিন হওয়া’ অধ্যায়, ‘ঋণ’ অনুচ্ছেদ, হা/২২৯৮; ছহীহ মুসলিম, ‘ফারায়েয’ অধ্যায়, ‘যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে মারা যাবে তা তার উত্তরাধিকারীগণ পাবে’ অনুচ্ছেদ, হা/১৬১৯ (৪০৪৯)।

[7]. ছহীহ মুসলিম, ‘নেতৃত্ব’ অধ্যায়, ‘ঋণ ব্যতীত শহীদদের সকল গুনাহ ক্ষমা’ অনুচ্ছেদ, হা/১৮৮৬; মিশকাত, হা/২৯১২।

[8]. উছায়মীন, শরহুল মুমতে‘, ৫/৩৩২।

[9]. মুসনাদে আহমাদ, ২/৪৪০; তিরমিযী, ‘জানাযা’ অধ্যায়, ‘রাসূল a-এর বাণী, ‘মুমিন ব্যক্তির রূহ ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তার ঋণের সাথে বন্ধক অবস্থায় থাকে’ অনুচ্ছেদ, হা/১০৭৮, ১০৭৯; ইবনু মাজাহ, ‘বিচার ও বিধান’ অধ্যায়, ‘ঋণের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি’ অনুচ্ছেদ, হা/২৪১৩, আলবানী p তিরমিযী, ১/৫৪৭-তে হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন।

[10]. ছহীহ বুখারী, হা/২৩৮৭; মিশকাত, হা/২৯১০।