ঝরে যাক জীবনবৃক্ষের গুনাহপাতা
আবির


ঘোঁ ঘোঁ ঘোঁ,,, বালিশের নিচে ভাইব্রেট (vibrate), ফোনটা কেঁপে উঠল। ভোরবেলার শান্ত ঘুমের সোহাগমাখা ছোঁয়ার আবেশে আঁখির পাতা জড়িয়ে আসছে বারবার। তবুও কিছুটা ঘুমঘোরের মধ্যেই একরাশ বিরক্তিবোধ নিয়েই ফোনটা রিসিভ করলাম। —হ্যালো…! কে? —সালাম কালাম নাই হ্যালো মারাচ্ছিস না! —কী হয়েছে বল। এত সকালে কেন ফোন দিয়েছিস? অযথা আরামের ঘুমটা হারাম করলি। —কী…! এখনো ঘুমাচ্ছিস? ঘড়ির দিকে তাকাতো। ব্যাডমিন্টন খেলবি না?

ব্যাডমিন্টনের কথা শুনতেই মনটা ঝাঁকি দিয়ে উঠল আমার। আমি ব্যাডমিন্টন খেলতে ভালোবাসি। প্রত্যহ সকালে খেলিও। শীতঋতুর প্রতিটা সকাল আমাদের ব্যাডমিন্টন খেলার সময়। আসলেই শীতে কোঁকড়ানো শরীরে ব্যাডমিন্টন খেলার যে উষ্ণ অনুভূতি, তা অতুলনীয়। আজকেও মন চাইছে খেলতে। কিন্তু লেপের উষ্ণ অনুভূতি আমাকে বেড়িবদ্ধ করে রেখেছে। আর এমন শীতের দিনে কার-বা বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করে! তবুও বহু কষ্টে শীতের ছোঁয়াকে পরাজিত করে উঠে পড়লাম। পছন্দের সেই কালো রঙের সোনালি কারুকার্যযুক্ত চাদরটি গায়ে জড়িয়ে কফি হাতে বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম। শীতের সকালটা বড্ড উপভোগ্য। শীতের কুহেলিকাবিধৌত মিষ্টি এক ভোর। শিশিরভেজা অবনি। এখনো প্রকৃতিটা তন্দ্রালস নয়নে গা এলিয়ে দিয়ে পড়ে রয়েছে। ধীরে ধীরে শুভ্র আলোর ফোয়ারা ছড়াচ্ছে সূর্য। মনে হচ্ছে, যেন সূর্যের মিষ্টি আলো ভিজিয়ে দিচ্ছে আমার আপাদমস্তক। চারিদিকে শুরু হয়েছে পাখিদের কিচিরমিচির। ফোন করেছিল তাহসান। আমার বন্ধু। বেস্ট ফ্রেন্ড। সে নিশ্চয়ই সেই ফজরে উঠেছে। ওযূ করে মসজিদে গিয়ে ছালাত পড়েছে। তারপর পাখিদের সুরে সুর মিলিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করতে করতে ফোন করেছে আমায়।

আমি জ্যাকেট, মোজা-জুতা ও একটি মোটা টুপি পরে নিলাম। বাহিরে লু হাওয়া বইছে। পৌষের হাড় কাঁপানো শীত বলে কথা। অল্প দূরের জিনিসগুলোও কুয়াশাচ্ছন্ন, দেখাই যাচ্ছে না। বাইরে বেরোনো মুশকিল। তবুও বেরোলাম। ওদিকে হয়তো তাহসানও বেরিয়েছে। দুজনের দেখা হলো তিন মাথার মোড়ে। এখান থেকেই আমাদের বাড়ির রাস্তাদ্বয় দু’দিকে চলে গেছে। তারপর চললাম তাহসানদের বাগানে।

বাগানে এসে জুতা-মোজা খুলে ফেললাম। যেন শিশিরভেজা সবুজ ঘাস আমাদের আলতো করে ছুঁয়ে যাচ্ছে। খেলা শুরু করলাম। প্রথম গেমটা তাহসান দিল। দ্বিতীয়টা আমি। আজকের বিজয়ী নির্ধারণ করতে তৃতীয়বারের মতো খেলা শুরু করলাম। খেলতে খেলতে হঠাৎ করে মারতে গিয়ে একটা ঢিলে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। ককটা উড়ে গিয়ে পড়ল অদূরের একটি ছোট্ট কদম গাছের ডালে।

পায়ে কিছুটা ব্যথা পেলাম। লক্ষ করলাম বুড়ো আঙুলটা থেকে খানিকটা রক্ত বের হয়েছে। উঠে এসে কদম গাছটির গোড়ায় বসলাম। তাহসানকে বললাম, গাছ থেকে ককটা নামা। আজ আর খেলতে পারব না। চল বাড়ি যাই। তাহসান কদম গাছটির ডাল ধরে জোরে একটা ঝাকুনি দিল। এতে গাছের পাতাগুলো ঝরে পড়তে লাগল। দ্বিতীয়বার ঝাকুনি দিতেই পাতার সাথে সাথে ককটাও নিচে পড়ল। এরপর দু’জন বাড়িমুখী হলাম। পায়ে ব্যথা পাওয়ায় কিছুটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিলাম। তাই তাহসান আমার হাতটা শক্ত করে ধরল, যাতে আমার চলতে কিছুটা হলেও সুবিধা হয়। দু’জনে নীরবে হাঁটছি। নীরবতা ভেঙে তাহসানকে বললাম, কিরে! চুপ করে আছিস কেন? কিছু একটা বল! —কী বলব? বলার মতো কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না! —ওম্ম! খুঁজে পাচ্ছি না! এমনি সময় তো খুব বকবক করিস। তাহসান কিছুক্ষণ মাথা চুলকাতে চুলকাতে আচমকা মুখ ফুটিয়ে বলল, এই আবির! দেখলি না, কক নামাতে গাছের ডালে ঝোঁক দিতেই কেমন পাতাগুলো ঝরে পড়ছিল! —হু। তো কী হয়েছে? শীতে তো এমনিতেই গাছের পাতা ঝরতে থাকে। —এই পাতাঝরা নিয়ে একটা হাদীছের গল্প আছে। —পাতাঝরা হাদীছের গল্প! ইন্টারেস্টিং তো! বল দেখি। —শোন্‌ তবে… শীতের সময়। কুয়াশায় চাদরাবৃত হয়ে রয়েছে প্রকৃতি। শিশিরে অবগাহন করছে সবকিছু। ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা সমীরণ বইছে। গাছপালা থেকে শীতে নরম হওয়া পাতাগুলো ঝরে ঝরে পড়ছে। এমন এক সময় মন ছুঁয়ে যাওয়া প্রকৃতিতে বের হলেন ধরিত্রীর রাহবার মুহাম্মাদ a। সাথে আছেন আবূ যার গিফারী c। রাসূল a একটা গাছের নিকটে আসলেন। গাছটির দুটি ডালকে হাত দ্বারা চেপে ধরলেন। ঝাঁকি দিতে লাগলেন স্বজোরে। এতে শীতের নরম কোমল ছোঁয়ার আবেশে চুপসে যাওয়া পাতাগুলো ঝরে পড়তে লাগল। রাসূল a আবূ যার গিফারী c-কে এই দৃশ্য দেখিয়ে বললেন, অবশ্যই যদি মুসলিম বান্দা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছালাত আদায় করে, যেই ছালাতে থাকে না কোনো লোক দেখানোর অভিপ্রায়। থাকে না অলসতা-অবহেলা। থাকে খুশূ-খুযূ। ছালাত হয় শর্তানুযায়ী, রুকনসহ। ছালাতে থাকে বিনয়াবনত ভাব। একমাত্র ছোয়াবের আশায়, রবের আদেশ পালনার্থে। মনবাসনায় থাকে শুধু রবকে খুশি করার স্পৃহা। তাহলে কী হবে জানো? পাতাগুলোর দিকে তাকাও! কেমন ঝরে ঝরে পড়ছে। ঠিক তেমনি এই মুছল্লীর জীবনবৃক্ষ থেকে গুনাহপাতা ঝর ঝর করে ঝরতে থাকবে।[1]

—ছালাতের এত শক্তি! জানতাম না আগে। আমি অবশ্য ছালাত বিষয়ে আমাদের মসজিদের খত্বীবের মুখে একটা হাদীছ শুনেছিলাম। কী যেন হাদীছটা …ভালোভাবে মনে পড়ছে না। তবে নদীতে গোসল করা নিয়ে কিছু একটা!

তাহসান গালে হাত দিয়ে কী যেন বিড়বিড় করছে… নদীতে গোসল করা নিয়ে হাদীছ …ও হে! মনে পড়েছে। আমাদের গুনাহগুলো আছে কিনা? সেগুলো আসলে ময়লা-আবর্জনা। আমরা যে গুনাহের কাজ বা খারাপ কাজ করি, সেগুলো একটা একটা করে আমাদের অন্তরে এসে জমা হয়। একটা সময় পুরো অন্তরটাকেই ছেয়ে ফেলে এই গুনাহ নামক ময়লা। ফলে আমাদের অন্তর আস্ত একটা ময়লার ডাস্টবিনে পরিণত হয়ে যায়। একটা জায়গা ময়লা-আবর্জনায় ঢেকে গেলে যেমন সেখানকার মাটি-ঘাস আলো-বাতাস পায় না, ঠিক তেমনি গুনাহে ছেয়ে যাওয়া অন্তরও খুঁজে পায় না স্বস্তি-শান্তি। ভালো-মন্দ সবই তার কাছে এক ঠেকে। এই নোংরা হৃদয়কে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে এই ছালাত। এখানে রাসূল a একটি উপমা দিয়েছেন, ‘যদি কারো বাড়ির অদূরে একটা বহতা নদী থাকে। সে যদি সেখানে অহর্নিশ পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তার শরীরে কোনো ময়লা থাকবে? না। অবশ্যই থাকবে না। ঠিক ছালাতও এই বহমান নদীর মতোই।[2] যে পরিষ্কার করে হৃদের কলুষতা। মনকে ছেয়ে ফেলা গুনাহের বংশকে করে দেয় নির্বংশ। বৃষ্টি যেমন প্রকৃতিকে ধুয়ে নতুন সাজে সাজায়, ঠিক তেমনই ছালাত হৃদয়ের নোংরা ভাবনাগুলোকে ধুয়ে ফেলে সুন্দর ভাবনাগুলোকে ডানা মেলে উড়তে শেখায়। বিরত রাখে খারাপ কাজ থেকে। অন্তরের আঁধারকে দূর করে জোসনার ঝলমলে আলো দ্বারা। ঈমানকে পাহাড়ের মতো মযবূত করে। আগ্রহী করে ভালো ও কল্যাণের কাজে। আগ্রহহীন করে খারাপ ও পাপ কাজে। অন্তরে প্রশান্তি আনে। হৃদয়-বাগিচায় না ফোটা ফুলটাকে প্রস্ফুটিত করে। সুরভিত করে তনুমন। এ কথাগুলোই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সূরা আল-আনকাবূতে বলেছেন,﴿إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ﴾  ‘নিশ্চয় ছালাত অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে দূরে রাখে’ (আল-আনকাবূত, ২৯/৪৫)

এতক্ষণ তাহসান আমার হাত ধরেই চলছিল। এখন পায়ের ব্যথাটা নাই। তাই, ওর হাতটা ছেড়ে দিলাম। ওর কথাগুলো আমার ভালোই লাগছে। শুধু আমি না, যে কেউ ওর কথা শুনে মুগ্ধ হবে। কারণ, সে খুব সুন্দর করে কথা বলতে জানে। হঠাৎ আমি রাস্তার এদিক-ওদিক তাকালাম। একি! গল্পের ঘোরে কখন যে তিন মাথার মোড় পেরিয়ে তাহসানদের বাড়ির অভিমুখে হাঁটা দিয়েছি, বুঝতেই পারিনি। আর কিছুক্ষণ হাঁটলেই তাহসানদের বাড়ি। আমি তাহসানকে বললাম, এই তাহসান! গল্পে গল্পে যে তোর বাড়িতে চলে এলাম। —বাড়িতে আনব বলেই তো মনে করে দেয়নি, তুই আমাদের বাড়ির পথে হাঁটছিস। আম্মু আজ তোকে আনতে বলেছিল। ভাপাপিঠে বানিয়েছে, তাই। আমি আর না করলাম না। এমনিতেও শীতের পিঠা আমার ভালো লাগে। তাছাড়া তাহসানের মা যা পিঠা বানান না! এককথায় ‘অসাধারণ’। এই মুহূর্তে আমার মাথায় একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহসানকে বলব ভাবতেই তাহসান আমার মনের কথাটাই বলে দিল… —শোন আবির! কিয়ামতের দিন, সেই মুছীবতের সময় আমাদের সর্বপ্রথম কীসের হিসাব নেওয়া হবে জানিস? ছালাতের। যদি এর হিসেব যথাযথ দিতে পারি, তাহলে বাকি পথটা সহজেই পার হতে পারব। আর যদি গরমিল বেঁধে যায়, তাহলে তো কেল্লাফতে। সব শেষ। একারণেই ছালাত দ্বীনের খুঁটি। কেউ যদি ছালাতে উদাসীন হয়, তাহলে তার ঈমানী ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যায়। ছালাত হচ্ছে মুমিনের প্রাণ। ছালাতে মনোযোগী ও যত্নশীল হওয়া মানেই জীবনে আমূল পরিবর্তন আনা। এই ছালাতেই আছে জীবন পরিবর্তনের যাবতীয় উপকরণ। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো, শয়তান আমাদের কত রকম কূটকৌশলে ছালাত থেকে দূরে রাখে, তার কোনো ইয়ত্তা নাই। আর আমরাও তার পাতা ফাঁদে আটকা পড়ি। শেষমেষ আমরা জান্নাতের তালা-চাবির একটি দাঁত দুনিয়াতেই ফেলে রেখে চলে যাই সেই পরপারে।

তাহসানের কথাগুলো আমার মনে কাঁটার মতো এসে বিঁধল। সাথে সাথে খুব লজ্জাও পেলাম। কারণ, আজকে ফজরটাই তো আমি পড়িনি। তাহসান আমার মুখ দেখে আমার অনুভূতি বুঝে নিল। বলল… —কীরে! লজ্জা পাচ্ছিস? কথাগুলো কেমন কেমন লাগছে? —তাহসান! আমিতো মাঝেমধ্যেই ছালাত ছেড়ে দেই। —এখন থেকে মিস করবি না। তাহলেই তো হলো। আর হ্যাঁ! মনে রাখবি, ছালাতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবি। ছালাত হলো আল্লাহর সাথে কথা বলার এক সুবর্ণ সুযোগ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিজেই বলেছেন,﴿وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ﴾ ‘তোমরা ধৈর্য ও ছালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও’ (আল-বাক্বারা, ২/৪৫)। কোনো বিপদে আছিস? দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে আল্লাহকে বলবি, ‘আল্লাহ এই বিপদের পাথরটাকে আমার থেকে সরিয়ে দাও না’। মন খারাপ? মন-সমুদ্রে বইছে কষ্টের ঢেউ! সেই ঢেউ উপচে পড়ছে আঁখিজোড়ার অশ্রু হয়ে। কিছুই ভালো লাগছে না, সব ওলট-পালট লাগছে! দু’রাক‘আত ছালাত পড়ে মন খুলে আল্লাহকে সব বলবি, দেখবি! সব ঠিক হয়ে গেছে। অন্তরে প্রশান্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

জীবনে কিছু হারিয়ে ফেলেছিস? জীবনে কিছুর প্রয়োজন অনুভব করছিস? জীবনটাকে রংধনুর রঙে রাঙাতে চাস? নিভৃতে আল্লাহর সামনে দাঁড়া। সব বলে ফেল প্রিয় রবকে। দেখবি, যা হারিয়েছিস, তার থেকেও বেশি কিছু পেয়ে গেছিস!

যার শূন্যতা ছিল, তা পূর্ণতায় ভরে গেছে। কোনো সিদ্ধান্তে দোদুল্যতায় ভুগছিস? ছালাতের মাধ্যমে আল্লাহকে বল, দেখবি সঠিক সিদ্ধান্ত মাথায় চলে এসেছে।

মোদ্দাকথা, ছালাতকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করবি।

তাহসানদের বাড়িতে এসে পৌঁছলাম। কলিংবেলে চাপ দিতেই দরজা খুলে দিলেন তাহসানের মা। আমাকে দেখে তো তিনি যারপরনাই খুশি। আমরা ফ্রেশ হয়ে বেলকুনিতে এসে বসলাম। আবার গল্প শুরু হলো আমাদের। একটু পর আন্টি পিঠা নিয়ে আসলেন, সাথে দু’কাপ চা। এক কাপ লাল, আরেক কাপ দুধ। আমি বুঝতে পারলাম না, আন্টি কীভাবে জানলেন আমি দুধ চা পছন্দ করি! হয়তো তাহসান বলেছে। আমাকে বসিয়ে রেখে তাহসান রুমের মধ্যে গেল। এখন অনেকটা বেলা হয়েছে। কুয়াশা ছুটি নিয়েছে। প্রকৃতিতে নেমেছে সূর্যিমামার মিষ্টি রোদ। তাহসান রুম থেকে বেরিয়ে এলো। হাতে গিফটপেপারে মোড়ানো একটা বই। আমার হাতে বইটি দিয়ে বলল, ‘হাদিয়াতুন লাকা’।

বইটা দেখার জন্য মনটা আঁকুপাঁকু করতে লাগল। গিফটপেপারে মোড়ানো আছে বলে দেখা হলো না। শুধু গিফটপেপারের উপরে একটা লেখা দেখতে পেলাম… আমাদের ভালোবাসা সবই যেন হয় মহান রবের জন্য!


[1]. মুসনাদে আহমাদ, ৫/১৭৯।

[2]. ছহীহ বুখারী, হা/৫২৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৬৬৭; মিশকাত, হা/৫৬৫।