তাসবীহ পাঠের পদ্ধতি


সাঈদুর রহমান*


আল্লাহ তাআলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁরই ইবাদত করার জন্য। ক্ষণিকের জন্য বান্দারা তাঁকে ভুলে যাক, এটা তিনি চান না। যাদেরকে তিনি এত সুন্দর করে সৃষ্টি করলেন, যাদের প্রতি এত মায়া-মমতা তাঁর; তারা তাঁকে ভুলে গেলে চলবে? এজন্যই তিনি বান্দার প্রতিটি কাজে দু‘আ ও যিকির নির্ধারণ করেছেন। যেমন— কোনো কাজ শুরু করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা, খাবার শুরু করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা, টয়লেটে যাওয়ার পূর্বে ও পরে নির্ধারিত দু‘আ পড়া, ওযূ শুরু করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা ও শেষে দু‘আ পড়া, ঘুমানোর পূর্বে দু‘আ পড়া, সকাল-সন্ধ্যার দু‘আ পড়া; এমনকি স্ত্রী সহবাসেরও দু‘আ আমাদের বাতলে দিয়েছেন।

একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, এসব নির্ধারণ করা হয়েছে, যেন বান্দা পার্থিব জীবনের মোহে পড়ে স্বীয় প্রভুকে ভুলে না যায়। দু‘আ শিখানোর পাশাপাশি নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) আমাদের কিছু যিকিরও শিখিয়েছেন। কারণ যিকির হলো আত্মার খোরাক, আত্মা এর মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করে। আল্লাহ তাআলা যথার্থই বলেছেন, ﴿أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ﴾ ‘আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্তি লাভ করে’ (আর-রা‘দ, ১৩/২৮)। ছালাতের পর কিছু যিকির আছে। কা‘ব ইবনু উজরা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

مُعَقِّبَاتٌ لَا يَخِيبُ قَائِلُهُنَّ يُسَبِّحُ اللَّهَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَيَحْمَدُهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَيُكَبِّرُهُ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ.

‘এমন কতগুলো তাসবীহ রয়েছে, যার পাঠকারী তার ছওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে না, প্রত্যেক ছালাতের পর সে সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আল-হামদুলিল্লাহ ৩৩ বার এবং আল্লাহু আকবর ৩৪ বার বলবে’।[1] একদা নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর কলিজার টুকরা ফাতেমা (রাযিআল্লাহু আনহা) বিষণ্ন মন নিয়ে নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একটি সেবক তলব করেন। কারণ সাংসারিক কাজ-কর্ম করতে গিয়ে তার শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। চেহারায় মলিনতার ছাপ উদ্ভাসিত হচ্ছিল। তখন নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) তার বাড়িতে গিয়ে কিছু যিকির শিখিয়ে ছিলেন, যা মোটা দাগে হাদীছের কিতাবগুলোতে এখন পর্যন্ত বিদ্যমান। পরবর্তীরা যেন এই মহীয়সী নারী থেকে সবক গ্ৰহণ করে এটাই ছিল ঐকান্তিক উদ্দেশ্য। হাদীছটি একটু দেখুন না!

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ فَاطِمَةَ أَتَتِ النَّبِيَّ تَسْأَلُهُ خَادِمًا وَشَكَتِ الْعَمَلَ فَقَالَ مَا أَلْفَيْتِيهِ عِنْدَنَا قَالَ‏ أَلاَ أَدُلُّكِ عَلَى مَا هُوَ خَيْرٌ لَكِ مِنْ خَادِمٍ تُسَبِّحِينَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَتَحْمَدِينَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَتُكَبِّرِينَ أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ حِينَ تَأْخُذِينَ مَضْجَعَكِ.

আবূ হুরায়রা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার ফাতেমা (রাযিআল্লাহু আনহা) একজন খাদেমের জন্য নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আমার নিকটে তো কোনো খাদেম নেই। তিনি বললেন, তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করব না, যা তোমার খাদেমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে, তখন ৩৩ বার সুবহানাল্লহ, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়ে নিবে’।[2]

আরও অনেক যিকিরে টইটম্বুর হাদীছের গ্ৰন্থগুলো। মানুষ ইচ্ছা করলে সার্বক্ষণিক কোনো না কোনো যিকিরে মশগূল থাকতে পারবে। এখন কথা হলো এই যিকিরগুলো আমরা কীভাবে সম্পাদন করব— হাতের আঙুলের মাধ্যমে, না-কি পুঁথির তাসবীহদানা দিয়ে? মনে রাখতে হবে, আমাদের ওইভাবে আমল করতে হবে, যেভাবে রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) শিক্ষা দিয়েছেন। নিজ খেয়াল-খুশি মতো করে করলে চলবে না। ভাই, আমরা ইবাদত করি কেন বলতে পারবেন? আপনি অবশ্যই বলবেন, আল্লাহর প্রিয়ভাজন হওয়ার আশায়। তাহলে তো ভাই রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর বাতলানো পন্থায় আমল সম্পাদন করতে হবে। আল্লাহর আস্থাভাজন হওয়া যায় একমাত্র রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর অনুসরণ-অনুকরণের মাধ্যমে। দেখুন, আল্লাহ তাআলা কত সুন্দর করে বলেছেন, যা হৃদয়ের পরতে পরতে দাগ কাটে! আল্লাহ বলেন,

﴿قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ﴾

‘(হে নবী) বলো, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমার অনুসরণ করো। আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন ও পাপরাশি ক্ষমা করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু’ (আলে ইমরান, ৩/৩১)। 

আমাদের এত কষ্টের আমল যদি আল্লাহর কাছে গৃহীত না হয়, তাহলে করে কী লাভ! দেখুন নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) কীভাবে তাসবীহ পাঠ করতেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ يَعْقِدُ التَّسْبِيحَ قَالَ ابْنُ قُدَامَةَ بِيَمِينِهِ‏.‏

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-কে আঙুলে গুনে গুনে তাসবীহ পাঠ করতে দেখেছি। ইবনু কুদামাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ডান হাতের আঙুল দ্বারা।[3] অন্য হাদীছে এসেছে,

قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ عَلَيْكُنَّ بِالتَّسْبِيحِ وَالتَّهْلِيلِ وَالتَّقْدِيسِ وَاعْقِدْنَ بِالأَنَامِلِ فَإِنَّهُنَّ مَسْئُولاَتٌ مُسْتَنْطَقَاتٌ وَلاَ تَغْفُلْنَ فَتَنْسَيْنَ الرَّحْمَةَ‏.‏

আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমরা তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তাহলীল (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাক্বদীস (সুব্বূহুন কুদ্দূসুন রব্বুনা ওয়া রব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ অথবা সুবহানাল মালিকিল কুদ্দূস) আঙুলের গিরায় হিসাব করে পড়বে। কেননা এগুলোকে কিয়ামতের দিন জিজ্ঞেস করা হবে এবং কথা বলতে আদেশ দেওয়া হবে। সুতরাং তোমরা রহমত (অনুগ্রহের কারণ) সম্পর্কে উদাসীন থেকো না এবং তা ভুলে যেও না’।[4]

এখন কথা হলো, কেন আমরা আঙুল দিয়ে তাসবীহ পাঠ করব? এর হেতুও আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন,

﴿يَوْمَ تَشْهَدُ عَلَيْهِمْ أَلْسِنَتُهُمْ وَأَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴾

‘সেদিন (কিয়ামতের দিন) তারা যা করেছে, সে সম্পর্কে তাদের মুখ, হাত ও পা তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে’ (আন-নূর, ২৪/২৪)। আল্লাহ আরও বলেন,

﴿الْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَى أَفْوَاهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَا أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ﴾

‘আজ আমরা তাদের মুখে তালা লাগিয়ে দিব, ফলে তাদের হাত-পা যা করেছে সে ব্যাপারে আমাদের সাথে কথা বলবে’ (ইয়াসিন, ৩৬/৬৫)

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ اعْقِدْنَ بِالأَنَامِلِ فَإِنَّهُنَّ مَسْئُولاَتٌ مُسْتَنْطَقَاتٌ

‘হে নারীকুল! আঙুল দ্বারা তাসবীব পড়বে। কেননা (কিয়ামতের দিন) এগুলো জিজ্ঞেসিত হবে ও কথা বলবে’।[5]

আমরা যদি হাতের দ্বারা তাসবীহ পাঠ করি, তাহলে বিভীষিকাময় কিয়ামতের দিন এই হাত আমাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে যাবে। কোমল স্বরে বলবে, ‘দয়াময় হে! দিয়ো না তোমার এই বান্দাকে তমসাচ্ছন্ন জাহান্নামের প্রকোষ্ঠে। সহ্য করতে পারবে না সে। সে আমাকে দিয়ে তোমার পবিত্র নাম জপেছে। তাকে জাহান্নামে দিলে তোমার নামের অপমান হয়। করুণা করো প্রভু তার তরে’। সুতরাং আমাদের উচিত হাত দিয়ে তাসবীহ পাঠ করা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ডান হাতের কনিষ্ঠাঙুলি দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে হবে। অনেককে দেখা যায় বৃদ্ধাঙুলি দিয়ে তাসবীহ পাঠ করে— এটা ঠিক নয়। নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) প্রতিটি ভালো কাজ ডান দিয়ে শুরু করতেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ يُحِبُّ التَّيَمُّنَ مَا اسْتَطَاعَ فِي شَأْنِهِ كُلِّهِ فِي طُهُورِهِ وَتَرَجُّلِهِ وَتَنَعُّلِهِ‏.‏

আয়েশা (রাযিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) নিজের সমস্ত কাজে যথাসম্ভব ডানদিক হতে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। ত্বহারাত অর্জন, মাথা আঁচড়ানো এবং জুতা পরার সময়ও।[6] কারো যদি ডান হাত কাটা থাকে বা ডান হাতের আঙুল না থাকে, তাহলে বাম হাতের আঙুল দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে পারবে। একটা ফিক্বহী মূলনীতি হলো,الضرورات تبيح المحظورات ‘জরুরী প্রয়োজন নিষিদ্ধ বিষয় বৈধ করে দেয়’। এখন একটু পুঁথির দানা দিয়ে তাসবীহ পাঠ করা সম্পর্কে বর্ণিত হাদীছগুলো দেখি।-

(١) عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ t أَنَّهُ دَخَلَ مَعَ النَّبِيِّ عَلَى امْرَأَةٍ وَبَيْنَ يَدَيْهَا نَوًى أَوْ حَصًى، تُسَبِّحُ بِهِ.

(১) সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাছ (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কোনো এক মহিলার কাছে যান। ওই সময় মহিলার সামনে বীচি বা কঙ্কর ছিল, যার দ্বারা সে তাসবীহ পাঠ করত।[7] হাদীছটি যঈফ।[8]

(٢) عَنْ صَفِيَّةَ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ وَبَيْنَ يَدَىَّ أَرْبَعَةُ آلاَفِ نَوَاةٍ أُسَبِّحُ بِهَا.

(২) ছফিয়া (রাযিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূল (ছাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) আসেন। আর ওই সময় আমার সামনে ৪ হাজার বীচি ছিল, যার দ্বারা আমি তাসবীহ পাঠ করতাম।[9] এই হাদীছ বর্ণনা করে ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এই হাদীছে হাশেম ইবনু সাঈদ আল-কুফী রয়েছে, তার সনদ অপরিচিত।[10]

(٣) أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ كَانَ يُسَبِّحُ بِالْحَصَى.

(৩) সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাছ (রাযিআল্লাহু আনহু) কঙ্কর দ্বারা তাসবীহ পাঠ করতেন’।[11] ইবনু সা‘দ ‘ত্ববাক্বাত’ নামক গ্ৰন্থে এ হাদীছ বর্ণনা করেন। হাদীছের সনদ বিচ্ছিন্ন।[12] এরকম আরো অনেকগুলো হাদীছ রয়েছে, যার কোনোটাই দুর্বলতা ও সমালোচনা থেকে মুক্ত নয়।

অতএব, আঙুল দ্বারা তাসবীহ পাঠ করা সুন্নাত ও উত্তম। কারণ এ ব্যাপারে ছহীহ ও হাসান হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। বীচি, কঙ্কর বা পুঁথির দানা দিয়ে তাসবীহ পাঠ করা সম্পর্কে যত হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কোনোটিই মন্তব্য থেকে মুক্ত নয়। তাই আমাদের উচিত হবে, ছহীহ হাদীছের উপর আমল করা। আল্লাহ তাআলা আমাদের সুবোধ দান করুন- আমীন!


* শিক্ষক, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, বীরহাটাব-হাটাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

[1]. নাসাঈ, হা/১৩৪৯, হাদীছ ছহীহ।

[2]. ছহীহ মুসলিম, হা/৬৮১১।

[3]. আবূ দাঊদ, হা/১৫০২, হাদীছ ছহীহ।

[4]. তিরমিযী, হা/৩৫৮৩, হাদীছ হাসান।

[5]. তিরমিযী, হা/৩৪৬৮, হাদীছ হাসান।

[6]. ছহীহ বুখারী, হা/৪২৬।

[7]. আবূ দাঊদ, হা/১৫০০, হাদীছ যঈফ।

[8]. প্রাগুক্ত; হাদীছটি দুর্বল, তুহফাতুল আহওয়াযী, ৯/৩, হা/৩৪৮৬-এর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে।

[9]. তিরমিযী, হা/৩৫৫৪, হাদীছ যঈফ।

[10]. প্রাগুক্ত।

[11]. নায়লুল আওতার, ২/৩৬৬।

[12]. তুহফাতুল আহওয়াযী, ৯/৩২২।