দেশে প্রতি ১০০ জনে ১১ জন স্ট্রোকের ঝুঁকিতে


দেশে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১১ জন স্ট্রোকের ঝুঁকিতে রয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের এক জরিপে বলা হয়েছে, প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। অন্যদের তুলনায় স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে ৭ গুণ বেশি। এক্ষেত্রে নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ। আর শহরের চেয়ে স্ট্রোকের প্রকোপ গ্রামে কিছুটা বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক হিসাবে বলছে, স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গত ২০১৯ সালে দেশে মারা গেছেন ৪৫ হাজার ৫০২ জন। ২০২০ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ হাজার ৩৬০ জন। অর্থাৎ স্ট্রোকের রোগী এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন (WSO) বলছে, স্ট্রোক হওয়ার সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা নিলে ৩০ শতাংশ রোগীর সম্পূর্ণ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। স্ট্রোকের প্রথম চার ঘণ্টা রোগীর জন্য ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বা অতি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত। স্ট্রোক হওয়ার ৪ ঘণ্টার ভেতরে রক্তনালির জমাট খুলে দিলে ৫০ শতাংশ রোগীর সম্পূর্ণ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সচেতনতার ঘাটতি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সেবনের প্রবণতা, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনসহ নানা কারণে স্ট্রোকের মৃত্যুও বাড়ছে।