নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন

◊ পরিচিতি ও কার্যক্রম ◊

নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃকক নিবন্ধিত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। যার নিবন্ধন নং এস-১২২৮৮-২০১৬। উক্ত ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ। উক্ত ফাউন্ডেশন সারা দেশে শিক্ষা, গবেষণা, মানবসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।  বর্তমান উক্ত ফাউন্ডেশনের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ছাত্র-ছাত্রী অধ্যায়রত ও দুইশো জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা

১. আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, রূপগঞ্জ, নারায়গঞ্জ : ২০১৩ সালে পূর্বাচল নিউ সিটির অদূরে উক্ত প্র্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত উক্ত প্রতিষ্ঠানে ৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১৪ বিঘা জমি ক্রয় করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫ তলা বিশিষ্ট আবাসিক ছাত্রাবাস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার মোট ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা । ৬ তলা বিশিষ্ট আবাসিক শিক্ষক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে যার মোট ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি টাকা।

২. আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী : ২০১৬ সালে রাজশাহী শহরের অনতিদূরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ১৫ বিঘা জমি ক্রয় করা হয়েছে। চার তলা বিশিষ্ট আবাসিক ছাত্রাবাস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে যার মোট ব্যয় ২ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা । ৩ তলা বিশিষ্ট মহিলা মাদরাসার আবাসিক ছাত্রীনিবাস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে যার মোট ব্যয় ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ।

৩. আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ছয়মাইল, বরিশাল : ইতিমধ্যে ৬ বিঘা জমি গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। অতি দ্রুত এখানে প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

৪. আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, তেঘরা, দিনাজপুর : ইতিমধ্যে ৫ বিঘা জমি গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। অতি দ্রুত এখানে প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

◊ মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প ◊

বায়তুল হামদ জামে মসজিদ’ নামে ইতিমধ্যে রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও গাইবান্ধায় জেলায় মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এক তলায় ৩ হাজার মুছল্লী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বায়তুল হামদ জামে মসজিদ’-এর প্রথম ও দ্বিতীয় তলা নির্মাণ বাবদ মোট ব্যয় প্রায় ৩ কোটি টাকা।

◊ দাওয়াতী কাজ ◊

দেশব্যাপী মুখে-কলমে-মিডিয়ায় দাওয়াতী কাজ সম্প্রসারণের জন্য প্রতি মাসে ‘আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ’ থেকে ‘মাসিক আল-ইতিছাম’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে থাকে। যার বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজার। পাশাপাশি গবেষণামূলক বিভিন্ন গ্রন্থ প্রণয়ন ও প্রকাশের জন্য মোট ১৪টি কম্পিউটার বিশিষ্ট ‘আল-ইতিছাম গবেষণাগার’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যার স্থাপন ব্যয় বাবদ মোট খরচ ৬ লক্ষ টাকা। উক্ত গবেষণাগারে প্রায় দশজন বিদগ্ধ গবেষক ও মুফতি গবেষণার কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ‘আল-ইতিছাম প্রিন্টিং প্রেস’ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ‘আল-ইতিছাম টিভি’-এর জন্য ক্যামেরা ক্রয় ও স্টুডিও স্থাপন করা হয়েছে।

◊ ইয়াতিম প্রকল্প ◊

নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন’-এর অধীনে পরিচালিত ‘আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ’-এর বিভিন্ন শাখায় প্রায় ২০০ জন ইয়াতিম ও ৫০০ জন দুঃস্থ-অসহায় ছাত্রকে প্রতিপালন করা হয়। একজন ইয়াতিম বাবদ প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা ও বছরে ৩৬ হাজার টাকা খরচ ধরে আপনিও উক্ত মহতি কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

ত্রাণ বিতরণ

জাতীয় বিভিন্ন দুর্যোগকালে ‘নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন’ সর্বদা দেশ ও জাতির পাশে থাকার চেষ্টা করেছে। রোহিঙ্গা সমস্যা, বন্যার্ত, শীতার্ত, দরিদ্র পরিবারের মধ্যে রিকশা-ভ্যান প্রদান, টিউবওয়েল স্থাপন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সর্বদা ‘নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন’ ভূমিকা প্রশংসনীয়।

◊ ভবিষ্যৎ রিকল্পনা ◊

 আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, রূপগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ

১. প্রায় ৫০ বিঘা জমি ক্রয় করা। (কাজ চলমান রয়েছে)

২. প্রকি তলায় ৭-১০ হাযার মুছল্লী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বায়তুল হামদ জামে মসজিদ নির্মাণ করা। (জমি সংগ্রহের কাজ চলছে)

৩. ২০ তলা বিশিষ্ট মহিলা মাদরাসা ভবন নির্মাণকরা।

৪. বেসরকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, রাজশাহী।

১. পাঁচ হাজার ছাত্রের জন্য এক হাজার ছাত্র ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৫টি আবাসিক ছাত্রাবাস ভবন নির্মাণ করা।

২. পাঁচ হাজার ছাত্র ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা। (নির্মাণ কাজ চলমান)

৩. তিন লক্ষ বই ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৃহদায়তন লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা ।

৪. ইয়াতীম ভবন নির্মাণ করা।