নূরুল আইনাইনসম্পর্কে কিছু কথা

আহমাদুল্লাহ

ভূমিকা :

ছালাতে রফ‘উল ইয়াদায়েন করা সুন্নাত। আর যে কোনো সুন্নাতকেই মূল্যায়ন করা আবশ্যক। ছোটখাটো বলে কোনো সুন্নাতকে অবহেলা করা যাবে না। অলসতা বশত সুন্নাত পালন না করলে কুফরী হবে না। কিন্তু জেনেবুঝে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলে কুফরী হয়ে যাবে। ছালাত হতে হবে নবী (ছাঃ)-এর ত্বরীক্বায়। সামান্যতমও পরিবর্তন, সংযোজন, বিয়োজন করা যাবে না।  মাযহাবের দোহাই দিয়ে, বাপ-দাদার যুক্তি দেখিয়ে, প্রচলিত সমাজের উদাহরণ দিয়ে কখনো নিজের ছালাতকে ভুল ত্বরীক্বায় আদায় করে বিনষ্ট করা যাবে না।[1]

নূরুল আইনাইনসম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত :

এটি রচনা করেছেন পাকিস্তানের আলবানী খ্যাত হাফেয যুবায়ের আলী যাঈ (রহিঃ)। যা মাকতাবা ইসলামিয়া হতে মুদ্রিত হয়েছে। ২০১২ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত এই গ্রন্থটির পূর্ণ নাম ‘নূরুল আইনাইন ফী ইছবাতি রফ‘ইল ইয়াদায়েন ইনদার রুকূ ওয়া বা‘দাহু ফিছ ছালাহ’, যা ৬০৫ পৃষ্ঠাব্যাপী।

বৈশিষ্ট্যাবলি :

এর মধ্যে বিদ্যমান গুণাবলীর জন্য বিস্তর আলোচনার প্রয়োজন। আপাতত মৌলিক কয়েকটি গুণ উপস্থাপিত হলো-

(১) রফ‘উল ইয়াদায়েনের বিপক্ষে মোটামুটি ৩০ এর অধিক দলীল পেশ করা হয়, যেগুলো সাধারণ জনতাকে গোলক ধাঁধায় ফেলে দেয়। যেভাবে আহলেহাদীছ আলেমগণ তাহক্বীক্ব পেশ করেন, ঠিক সেভাবেই মাযহাবী আলেমরাও তাহক্বীক্ব পেশ করে ছালাতের উপর বই রচনা করেছেন। শায়খ সে সমস্ত দলীল ও সেগুলোর তাহক্বীক্বের অসারতা প্রমাণ করেছেন। অর্থাৎ রফ‘উল ইয়াদায়েনের পক্ষের হাদীছ দিয়েই তিনি ক্ষান্ত হননি, বরং বিপক্ষের সকল দলীলকে একত্রিত করে সেগুলোর যৌক্তিক জবাব প্রদান করেছেন।

(২) মাযহাবী আলেমগণ হাদীছ তাহক্বীক্বের ক্ষেত্রে যে সকল উছূল বর্ণনা করেন ও প্রয়োগ করেন, সেগুলো দিয়েই তাদেরকে তিনি জবাব দিয়েছেন। যাকে ‘ইলযামী জবাব’ বলা হয়।

(৩) রাবীদের ক্ষেত্রে পক্ষ-বিপক্ষের মতগুলো উপস্থাপন করে সেগুলোর তাহক্বীক্ব করে সালাফে ছালেহীনের উছূল বা মূলনীতি অনুসারে সমাধান দিয়েছেন।

(৪) রফ‘উল ইয়াদায়েনের পক্ষে কোনো যঈফ ও জাল হাদীছ বর্ণনা করেননি।

(৫) উছূলে হাদীছ ও উছূলে ফিক্বহ উভয়টিই উল্লেখ করেছেন।

(৬) হাদীছের সনদ ও মতন (শাহেদ ও মুতাবা‘আত সহ) উভয়টি নিয়েই পর্যালোচনা করে সমাধান প্রদান করেছেন।

(৭) পূর্ববর্তী ইমামের উক্তি বা ঘটনা পেশ হলে তিনি সেই ইমামের উক্তিকে তাহক্বীক্বসহ পেশ করেছেন। অর্থাৎ শুধু গ্রন্থে থাকাকেই তিনি যথেষ্ট মনে করেননি; বরং যেই গ্রন্থে আছে সেই গ্রন্থের বক্তব্যটি ঠিক নাকি বেঠিক সেটারও পর্যালোচনা করেছেন।

(৮) রফ‘উল ইয়াদায়েনের ক্ষেত্রে মারফূ‘ হাদীছ, মাওকূফ হাদীছ, তাবেঈ, তাবে তাবেঈসহ পরবর্তীদের আমল ও ফৎওয়া উদ্ধৃত করেছেন।

মোটকথা : যদিও এটা রফ‘উল ইয়াদায়েন বিষয়ক গ্রন্থ। তদুপরি এতে উছূলে তাহক্বীক্ব, আসমাউর রিজাল, উছূলে হাদীছ ও উছূলে ফিক্বহের চমৎকার সমাহার ঘটেছে। এটা যে কেবলমাত্র রফ‘উল ইয়াদায়েনের মাসআলাকে স্পষ্ট করেছে তা কিন্তু নয়। বরং গবেষক ও আলেম সমাজের জন্য তাহক্বীক্বের নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে।

চুম্বক অংশ : পুরো গ্রন্থটিই চুম্বকের ন্যায় পাঠককে আকর্ষণ করে। তবে এখানে নমুনাস্বরূপ একটি আলোচনার একটি অংশ পত্রস্থ করা হলো-

ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর হাদীছ : আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে রাসূল (ছাঃ)-এর ছালাত পড়াব না? তারপর তিনি ছালাত পড়লেন। কিন্তু প্রথমবার ব্যতীত তিনি আর হাত উত্তোলন করেননি।[2]

তাহক্বীক্ব :

প্রথম জবাব : অধিকাংশ মুহাদ্দিছই এই হাদীছটিকে যঈফ ও ত্রুটিযুক্ত বলেছেন।

(ক) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহিঃ) বলেছেন, لَمْ يَثْبُتْ حَدِيثُ ابْنِ مَسْعُود ‘ইবনে মাসঊদের (প্রতি সম্বন্ধযুক্ত) হাদীছটি প্রমাণিত হয়নি’।[3]

জ্ঞাতব্য : বর্তমানে কতিপয় লোক ইবনুল মুবারক (রহিঃ)-এর সমালোচনাটি এই হাদীছ থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিচের মুহাদ্দিছ ইমাম ও আলেমগণ ইবনুল মুবারকের সমালোচনাকে ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করে এই বিতর্কিত বর্ণনাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত বলেছেন: (১) তিরমিযী।[4]  (২) ইবনুল জাওযী।[5]  (৩) ইবনে আব্দুল হাদী।[6]   (৪) নববী।[7]   (৫) ইবনে কুদামাহ।[8]  (৬) ইবনে হাজার।[9]  (৭) বাগাবী।[10]  (৮) বায়হাক্বী (রহিঃ)।[11]  মোটকথা, হাদীছের কোনো ইমামই এটি বলেননি যে, ইবনুল মুবারকের সমালোচনাটি ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়।

(খ) ইমাম শাফেঈ (রহিঃ) (মৃ. ২০৪ হি.) রফ‘উল ইয়াদায়েন না করার হাদীছগুলোকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।[12]  (গ) ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিঃ) (মৃ. ২৪১ হি.) এই বর্ণনার উপর বিরূপ মন্তব্য করেছেন।[13]  (ঘ) আবু হাতেম আর-রাযী (রহিঃ) (মৃ. ২৭৭ হি.) বলেছেন, এটি ভুল।[14] (ঙ) ইমাম দারাকুৎনী (রহিঃ) (মৃ. ৩৮৫ হি.) একে গায়ের মাহফূয (অসংরক্ষিত) বলেছেন।[15]  (চ) ইমাম আবুদাঊদ আস-সিজিস্তানী (রহিঃ) (মৃ. ২৭৫ হি.) বলেছেন, এই হাদীছটি একটি দীর্ঘ হাদীছের সংক্ষিপ্তরূপ। এ শব্দে হাদীছটি ছহীহ নয়।[16]

ইমাম আবুদাঊদ (রহিঃ) ও ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর হাদীছ : ১৪শ হিজরীতে কতিপয় ব্যক্তি ইমাম আবুদাঊদের এই হাদীছের উপর সমালোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এবং এই ফায়ছালা দিয়েছেন যে, এই উক্তিটি আবুদাঊদের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা ভুল। অথচ নিম্বে বর্ণিত আলেমগণ এই বক্তব্যকে ইমাম আবুদাঊদের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন-

(১) ইবনুল জাওযী।[17]  (২) ইবনু আব্দিল বার্র আল-আন্দালুসী।[18]  (৩) ইবনে আব্দুল হাদী।[19]  (৪) ইবনে হাজার আসক্বালানী।[20]  (৫) ইবনুল মুলাক্কিন।[21]  (৬) ইবনুল ক্বাত্তান আল-ফাসী।[22]  (৭) শামসুল হক্ব আযীমাবাদী ড় বলেছেন, وَاعْلَمْ أَنَّ هَذِهِ الْعِبَارَةَ مَوْجُودَةٌ فِي نُسْخَتَيْنِ عَتِيقَتَيْنِ عِنْدِي وَلَيْسَتْ فِي عَامَّةِ نُسَخِ أَبِي دَاوُدَ الْمَوْجُودَةِ عِنْدِي ‘জেনে রাখুন! আমার কাছে থাকা দু’টি পুরাতন নুসখাতে এই ইবারতটি বিদ্যমান। তবে আমার কাছে থাকা আবুদাঊদের সাধারণ নুসখাগুলোতে (বাক্যটি) নেই।[23]  (৮) আবুবকর আহমাদ ইবনে আমর ইবনে বাযযার (রহিঃ) এই হাদীছের সমালোচনা করেছেন।[24]  (৯) ইমাম বুখারী (রহিঃ)।[25]  (১০) ইমাম নববী (রহিঃ) বলেছেন, মুহাদ্দিছগণ এর (হাদীছটির) যঈফ আখ্যাদানের উপর একমত হয়েছেন।[26]

ইনারা সবাই সুপ্রসিদ্ধ আলেম। তাদের এই রেওয়ায়াতকে ঐক্যমতানুসারে যঈফ ও ত্রুটিযুক্ত আখ্যায়িত করা তিরমিযী (রহিঃ) ও ইবনে হাযম (রহিঃ)-এর ‘তাছহীহ’-এর উপর মোকাবিলায় অগ্রগামী। সুতরাং কোনরূপ সংশয় এবং সন্দেহ ছাড়াই এই হাদীছটি যঈফ।

দ্বিতীয় জবাব : এই হাদীছটি সুফিয়ান ছাওরী (রহিঃ)-এর উপর ভিত্তিশীল। সুফিয়ান ছাওরী ছিক্বাহ, (হাদীছের) হাফেয, ইবাদতগুযার হওয়ার সাথে সাথে মুদাল্লিসও ছিলেন।[27]  তাকে ইয়াহ্ইয়া ইবনে সাঈদ আল-ক্বাত্তান, [28]  বুখারী, [29]  ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈন, [30]  আবু মুহাম্মাদ আল-মাক্বদেসী, [31]  ইবনুত তুরকুমানী হানাফী, [32]  ইবনে হাজার আসক্বালানী, [33]   যাহাবী, [34]  আইনী হানাফী, [35]  সুয়ূত্বী[36]  (রহিঃ) প্রমুখ বিদ্বানগণ মুদাল্লিস বলেছেন। ‘যুগের স্বর্ণ’ খ্যাত শায়খ আব্দুর রহমান আল-মু‘আল্লি¬মী আল-ইয়ামানী (রহিঃ)ও এই বর্ণনাকে সুফিয়ান ছাওরী (রহিঃ)-এর ‘আনআনা’র কারণে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন।[37]

তৃতীয় জবাব : সুফিয়ান ছাওরীর এই হাদীছে রুকূ‘র আগে ও পরে রফ‘উল ইয়াদায়েনের উল্লেখ নেই। সুতরাং এই বর্ণনাটি ‘মুজমাল’ (অস্পষ্ট)। যদি একে ‘সার্বজনীন’ ধারণা করা হয়, তবে (প্রমাণিত হবে যে) খোদ রফ‘উল ইয়াদায়েন বর্জনকারীরাই এই হাদীছের উপরে আমল করেন না।

(১) তারা বিতর ছালাতে তাকবীরে তাহরীমার পরে রুকূ‘র আগে রফ‘উল ইয়াদায়েন করেন। (২) তারা দুই ঈদের ছালাতে তাকবীরে তাহরীমার পরে রফ‘উল ইয়াদায়েন করেন।

যদি বিতর ও দুই ঈদের (ছালাতে রফ‘উল ইয়াদায়েন করার) তাখছীছ অন্য বর্ণনাসমূহ দ্বারা সাব্যস্ত হয়, তবে রুকূর আগে এবং পরে রফ‘উল ইয়াদায়েনও ছহীহায়নের বর্ণনাসমূহ দ্বারা সাব্যস্ত আছে।

চতুর্থ জবাব : সুফিয়ানের হাদীছে ‘না বোধক’ রয়েছে। আর ছহীহায়ন ইত্যাদি মুতাওয়াতির হাদীছে ‘হ্যাঁ বোধক’ আছে। আর এই বিষয়টি সাধারণ ছাত্ররাও জানেন যে, ‘হ্যাঁ বোধক’ (বক্তব্য) ‘না বোধক’-এর উপরে প্রাধান্য পায়।[38]

৫ম জবাব : কতিপয় আলেম বলেছেন, এই হাদীছটির উদ্দেশ্য এই যে, (ইবনে মাসঊদ (রহিঃ) তাকবীরে তাহরীমার সাথে স্রেফ একবার রফ‘উল ইয়াদায়েন করেছেন, বার বার করেননি।[39]  এর জবাবে ইমাম নববী (রহিঃ) বলেছেন, ‘যদি এ হাদীছটি ছহীহ হতো, তবে তার সারমর্ম এই হতো যে, ইবনে মাসঊদ (রাঃ) ছালাতের শুরুতে ও অবশিষ্ট রাক‘আতের শুরুতে দ্বিতীয়বার রফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন না (এই হাদীছের সাথে রুকূ‘ সংক্রান্ত রফ‘উল ইয়াদায়েনের কোনোই সম্পর্ক নেই)।[40]

৬ষ্ঠ জবাব : এই হাদীছটি যদিও ছহীহ হতো, তবুও মানসূখই হতো। ইমাম বায়হাকী (রহিঃ) বলেছেন, হতে পারে যে, শুরুতে রফ‘উল ইয়াদায়েন করার আমল অব্যাহত ছিল। যে সময় রফ‘উল ইয়াদায়েন শরী‘আতভুক্ত হয়নি। তারপরে ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর তাত্ববীক্ব করা রহিত হয়ে গেছে। তারপরে রুকূর আগে ও পরে রফ‘উল ইয়াদায়েন করার সুন্নাত আরম্ভ হয়ে যায়। আর এ বিষয় দু’টিই ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর কাছে গোপন থেকে গিয়েছিল।[41]

ইমাম বায়হাক্বী (রহিঃ)-এর দাবীর সত্যায়ন এ থেকেও হয় যে, ইমাম হাফেয আব্দুলাহ ইবনে ইদরীস (রহিঃ) (ইজমা অনুপাতে ছিক্বাহ) স্বয়ং এই হাদীছটিকে এই সনদেরই সাথে ‘আছেম ইবনে কুলায়েব’ হতে বর্ণনা করেছেন।[42]  এতে রুকূ‘তে ‘তাত্ববীক্ব’-এর উল্লেখ আছে যা ঐক্যমতানুসারে রহিত।

এখানেই শায়খের আলোচনার সারাংশ শেষ হল।

উপসংহার :

পাঠকবৃন্দ! উপর্যুক্ত আলোচনাটি সংক্ষেপে পেশ করা হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন নূরুল আইনাইন (পৃ. ১২৯-১৪৩)। গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ হয়েছে। যদিও মুদ্রিত হয়নি। মহান আল্লাহ আমাদেরকে গ্রন্থটি থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

[1]. ছহীহ বুখারী, হা/৬৩১।|

[2].  তিরমিযী, হা/২৫৭, ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীছটি হাসান।

[3]. সুনানে তিরমিযী, হা/২৫৬, ১/৫৯, সনদ ছহীহ।

[4]. সুনানে তিরমিযী, হা/২৫৪, ১৫৬।

[5]. আত-তালখীছুল হাবীর, হা/৩২৮।

[6]. আত-তাহক্বীক্ব, ১/২৭৮।|

[7]. আল-মাজমূ‘ শারহুল মুহাযযাব, ৩/৪০৩।

[8]. আল-মুগনী, ১/২৯৫, মাসআলা-৬৯০।

[9]. আল-মুগনী, ১/২৯৫, মাসআলা-৬৯০।

[10]. শরহে সুন্নাহ, হা/৫৬১, ৩/২৫।

[11]. আস-সুনানুল কুবরা, ২/৭৯।

[12]. কিতাবুল উম্ম, ৭/২০১।

[13]. জুযঊ রাফঈল ইয়াদায়েন, হা/৩২।

[14]. ই‘লালুল হাদীছ, হা/২৫৮, ১/৯৬।

[15]. দারাকুৎনী, আল-ই‘লাল, ৫/১৭৩, মাসআলা-৮০৪।

[16]. সুনানে আবুদাঊদ, হিমছ কপি, হা/৭৪৮, বায়তুল আফকার আদ-দাওলিয়াহ’র কপি, পৃ. ১০২; নুসখাহ মাকতাবাতুল মা‘আরিফ, রিয়াদ, পৃ. ১২১।

[17]. আত-তাহক্বীক্ব ফী ইখতিলাফিল হাদীছ, ১/২৭৮।

[18]. আত-তামহীদ, ৩/২২০।

[19]. আত-তানক্বীহ, ১/২৭৮।

[20]. আত-তালখীছুল হাবীর, ১/২২২।

[21]. আল-বাদরুল মুনীর, ৩/৪৯৩।

[22]. বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ঈহাম ফী কুতুবিল আহকাম, ৩/৩৬৫, ৩৬৬, উক্তি নং-১১০৯।

[23]. আউনুল মা‘বূদ, ৩/৪৪৯।

[24]. আল-বাহরুয যাখখার, হা/১৬০৮, ৫/৪৭।

[25]. জুযউ রফ‘ইল ইয়াদায়েন, হা/৩২।

[26]. খুলাছাতুল আহকাম, হা/১৮০, ১/৩৫৪, অর্থাৎ ইমাম তিরমিযী ব্যতীত প্রাচীনকালের সকল মুহাদ্দিছের এই হাদীছ যঈফ হওয়ার উপরে ইজমা আছে।

[27]. তাক্বরীবুত তাহযীব, জীবনী নং-২৪৪৫।

[28]. কিতাবুল ইলাল ওয়া মা‘রিফাতির রিজাল লি আহমাদ, ১/২০৭।

[29]. তিরমিযী, আল-ইলালুল কাবীর, ২/৯৬৬।

[30]. আল-জারহু ওয়াত-তা‘দীল, ৪/২২৫, সনদ ছহীহ।

[31]. ক্বাছীদাহ ফিল মুদাল্লিসীন, পৃঃ ৪৭, ২য় কবিতা।

[32]. আল-জাওহারুন নাক্বী, ৮/২৬২।

[33]. ত্বাবাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, পৃঃ ৩২; তাক্বরীবুত তাহযীব, জীবনী নং-২৪৪৫।

[34]. মীযানুল ই‘তিদাল, ২/১৬৯।

[35]. উমদাতুল ক্বারী, ৩/১১২।

[36]. আসমাউ মান উরিফা বিত তাদলীস, নং-২৪।

[37]. আত-তানকীল বিমা ফী তা’নীবিল কাউছারী মিনাল আবাত্বীল, ২/২০।

[38]. আল-মাজমূ‘ শারহুল মুহাযযাব, ৩/৪০৩; নূরুল আনওয়ার, পৃঃ ১৯৭; নাছবুর রায়াহ, ১/৩৫৯; ফাতহুল বারী, ১/৩৩৩।

[39]. মিশকাত, হা/৮০৯।

[40]. আল-মাজমূ‘, ৩/৪০৩।

[41]. মা‘রিফাতুস সুনান ওয়াল-আছার, পাণ্ডুলিপি, ১/২২০; শায়খ হাফেয গোন্দলবী, আত-তাহক্বীক্ব আর-রাসেখ ফী আন্না আহাদীছা রফ‘ইল ইয়াদায়েন লাইসা লাহা নাসিখ, পৃঃ ১১৮।

[42].  মুসনাদে আহমাদ, ১/৪১৮, সনদ ছহীহ।