পেশাব-পায়খানার শিষ্টাচার
-মো. দেলোয়ার হোসেন*


ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার নাম। এর প্রতিটি বিধিবিধান নবী করীম a আমাদের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। এমনকি পেশাব-পায়খানার নিয়মও শিক্ষা দিয়েছেন।[1] এই প্রবন্ধে পেশাব-পায়খানার শিষ্টাচার সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো।

(১) পেশাব-পায়খানার চাপ থাকলে শীঘ্রই সম্পন্ন করা : পেশাব-পায়খানার বেগ অনুভূত হলো শীঘ্রই তা সম্পন্ন করতে হবে। আয়েশা g বলেন, আমি  নবী a-কে বলতে শুনেছি, لاَ صَلاَةَ بِحَضْرَةِ الطَّعَامِ وَلاَ وَهُوَ يُدَافِعُهُ الأَخْبَثَانِ ‘খাদ্য উপস্থিত হলে ছালাত নেই এবং পেশাব-পায়খানার চাপ থাকলেও ছালাত নেই’।[2]

(২) লোকচক্ষুর অন্তরালে পেশাব-পায়খানা করা : পেশাব-পায়খানা খোলা স্থানে করা হলে দূরে যেতে হবে, যাতে লোক থেকে আড়াল হয়। জাবের c বলেন,أَنَّ النَّبِىَّ كَانَ إِذَا أَرَادَ الْبَرَازَ انْطَلَقَ حَتَّى لاَ يَرَاهُ أَحَدٌ ‘নবী a যখন পায়খানায় যেতে ইচ্ছা করতেন, তখন এত দূরে চলে যেতেন, যাতে কেউ তাঁকে দেখতে না পায়’।[3] উল্লেখ্য, চারদিকে ঘেরা স্থান হলে দূরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

(৩) নিষিদ্ধ স্থানে পেশাব-পায়খানা করা থেকে বিরত থাকা : হাদীছে এমন কিছু স্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে পেশাব-পায়খানা করা নিষিদ্ধ। সেগুলো হলো—

(ক) গোসলখানায় : আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল c বলেন, নবী a বলেছেন,لَا يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ فِي مُسْتَحَمِّهِ ثُمَّ يَغْتَسِلُ فِيهِ أَوْ يَتَوَضَّأُ فِيهِ ‘তোমাদের কেউ যেন গোসলখানায় প্রস্রাব না করে, এরপর আবার সেখানে গোসল করে অথবা ওযূ করে।[4]

(খ) বদ্ধ পানিতে : আবূ হুরায়রা c বলেন, নবী a বলেছেন, لاَ يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ فِى الْمَاءِ الدَّائِمِ الَّذِى لاَ يَجْرِى ثُمَّ يَغْتَسِلُ فِيهِ ‘তোমাদের কেউ যেন (বহমান নয় এমন) বদ্ধ পানিতে প্রস্রাব না করে। অতঃপর এতে গোসল করে’।[5]

(গ) বিশেষ তিনটি স্থানে : মুআয c বলেন, নবী a বলেছেন, اتَّقُوا الْمَلَاعِنَ الثَّلَاثَةَ الْبَرَازَ فِي الْمَوَارِدِ، وَقَارِعَةِ الطَّرِيقِ وَالظِّلِّ ‘অভিশাপের কারণ হয় এমন তিনটি স্থানে পেশাব-পায়খানা করা হতে তোমরা বেঁচে থাকবে— (১) পানির ঘাট, (২) চলাচলের পথ ও (৩) ছায়াযুক্ত স্থান’।[6]

(৪) যমীনের নিকটবর্তী হওয়ার পূর্বে কাপড় না খোলা : আনাস c বলেন,كَانَ النَّبِيُّ إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الْأَرْضِ ‘নবী  a যখন প্রস্রাব-পায়খানায় যেতেন, তখন জমিনের কাছাকাছি না যাওয়া পর্যন্ত  কাপড় উঠাতেন না’।[7]

(৫) আল্লাহর নাম সম্বলিত কোনো কিছু নিয়ে শৌচাগারে প্রবেশ না করা : যেমন— আল্লাহর নাম, কুরআনের আয়াত, হাদীছ সম্বলিত কিছু নিয়ে শৌচাগারে প্রবেশ করা উচিত নয়। আল্লাহ বলেন, وَمَنْ يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ عِنْدَ رَبِّهِ ‘যে আল্লাহর সম্মানিত বিধানাবলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করল, তার রবের কাছে তার জন্য সেটাই উত্তম’ (আল-হজ্জ, ২২/৩০)

(৬) অসুস্থ বা অন্য কোনো বিশেষ কারণে পাত্রে পেশাব করা : অসুস্থ বা অন্য কোনো বিশেষ কারণে পাত্রে পেশাব করা যায়। উমায়মা বিনতু রুক্বায়ক্বাহ g বলেন,كَانَ لِلنَّبِيِّ قَدَحٌ مِنْ عَيْدَانٍ تَحْتَ سَرِيرِهِ يَبُولُ فِيهِ بِاللَّيْلِ ‘নবী a এর খাটের নিচে একটি কাঠের গামলা ছিল। তিনি রাতে এতে প্রস্রাব করতেন’।[8]

(৭) টয়লেটে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় দু‘আ পড়া : শৌচাগারে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় দু‘আ পড়া সুন্নাত। আলী c বলেন, নবী a বলেছেন,سَتْرُ مَا بَيْنَ أَعْيُنِ الْجِنِّ وَعَوْرَاتِ بَنِي آدَمَ إِذَا دَخَلَ أَحَدُهُمُ الْخَلَاءَ أَنْ يَقُولَ بِسْمِ اللَّهِ ‘যখন তোমাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশ করবে, তখন জিন শয়তানের চোখ আর বনী আদমের লজ্জাস্থানের মধ্যে পর্দা হলো ‘বিসমিল্লাহ’ বলা’।[9] আনাস c বলেন, كَانَ رَسُولُ اللَّهِ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ নবী a পায়খানায় গেলে বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল খুবছি ওয়াল খাবায়েছ’। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট নর ও নারী শয়তানদের (ক্ষতি সাধন) থেকে আশ্রয় চাচ্ছি’।[10] আয়েশা g বলেন, كَانَ النَّبِيُّ إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلَاءِ قَالَ غُفْرَانَكَ ‘নবী a যখন টয়লেট হতে বের হতেন তখন বলতেন, ‘গুফরানাকা’। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি’।[11]

(৮) টয়লেটে প্রবেশের সময় বাম পা ও বের হওয়ার সময় ডান পা আগে রাখা : টয়লেটে প্রবেশের সময় বাম পা ও বের হওয়ার সময় ডান পা আগে রাখা উত্তম।[12]

(৯) পেশাব-পায়খানারত অবস্থায় যিকির ও তাসবীহ না করা : পেশাব-পায়খানারত অবস্থায় যিকির ও তাসবীহ পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে। মুহাজির ইবনু কুনফুয c বলেন,أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ وَهُوَ يَبُولُ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ حَتَّى تَوَضَّأَ ثُمَّ اعْتَذَرَ إِلَيْهِ وَقَالَ إِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أَذْكُرَ اللَّهَ إِلَّا عَلَى طُهْرٍ ‘তিনি নবী a-এর নিকট এলেন। তিনি তখন প্রস্রাব করছিলেন। তিনি তাঁকে সালাম দিলেন। কিন্তু তিনি ওযূ না করা পর্যন্ত সালামের কোনো উত্তর দিলেন না। এরপর তিনি ওযর পেশ করে বললেন, পবিত্রতা ছাড়া আমি আল্লাহর নাম নেওয়া অপছন্দ করি’।[13]

(১০) ক্বিবলার দিকে ফিরে পেশাব-পায়খানা না করা : আবূ আইয়ূব আল-আনছারী c বলেন, নবী a বলেছেন,إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلاَ تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا  ‘তোমরা যখন পায়খানায় যাবে, তখন ক্বিবলাকে সামনে বা পেছনে রেখে বসবে না…’।[14]

(১১) পেশাব-পায়খানার সময় কথা না বলা : আবূ সাঈদ খুদরী c বলেন, নবী a বলেছেন,لاَ يَخْرُجُ الرَّجُلاَنِ يَضْرِبَانِ الْغَائِطَ كَاشِفَانِ عَوْرَتَهُمَا يَتَحَدَّثَانِ فَإِنَّ اللَّهَ يَمْقُتُ عَلَى ذَلِكَ ‘দুই ব্যক্তি এক সঙ্গে যেন পায়খানায় এমনভাবে না বসে যে, দু’জনেই দু’জনার লজ্জাস্থান দেখতে পায় এবং পরস্পরের সাথে কথা বলে। কেননা মহান আল্লাহ এ ধরনের কাজে খুবই রাগান্বিত হন’।[15]

(১২) বসে পেশাব করা : কোনো ওযর না থাকলে বসেই পেশাব করতে হবে। আয়েশা g বলেন,مَنْ حَدَّثَكُمْ أَنَّ النَّبِيَّ كَانَ يَبُولُ قَائِمًا فَلَا تُصَدِّقُوهُ مَا كَانَ يَبُولُ إِلَّا قَاعِدًا ‘যে ব্যক্তি বলে, নবী a দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতেন, তোমরা তার কথা বিশ্বাস করো না। তিনি সব সময়ই বসে প্রস্রাব করতেন’।[16]

(১৩) পেশাবের ছিটা থেকে সাবধান থাকা : পেশাব করার সময় পেশাবের ছিটা থেকে সাবধান থাকতে হবে। আবূ হুরায়রা c বলেন, নবী a বলেছেন,اسْتَنْزِهُوا مِنَ الْبَوْلِ فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ ‘তোমরা পেশাবের  ছিটা হতে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখো। কেননা, সাধারণত কবরের আযাব এই কারণেই হয়ে থাকে’।[17]

(১৪) বাম হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পন্ন করা : বিশেষ কোনো ওযর ব্যতিরেকে বাম হাত দিয়েই শৌচকার্য সম্পন্ন করতে হবে। আয়েশা g বলেন,كَانَتْ يَدُ رَسُولِ اللَّهِ الْيُمْنَى لِطَهُورِهِ وَطَعَامِهِ وَكَانَتْ يَدُهُ الْيُسْرَى لِخَلَائِهِ وَمَا كَانَ مِنْ أَذًى ‘নবী a-এর ডান হাত ছিল তাঁর পবিত্রতা অর্জন ও খাবারের জন্য। আর বাম হাত ছিল প্রস্রাব-পায়খানা ও ঘৃণা সৃষ্টি করে এমন কাজের পবিত্রতার জন্য’।[18]

(১৫) শৌচকার্যের সময় পবিত্র পানি ব্যবহার করা : শৌচকার্যের সময় পবিত্র পানি ব্যবহার করতে হবে।

(১৬) বেজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করা : ঢিলা দিয়ে ইস্তেনজা করার ক্ষেত্রে বেজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করতে হবে। আবূ হুরায়রা c বলেন, নবী a বলেছেন,مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ ‘কোনো ব্যক্তি ওযূ করার সময় যেন ভালো করে নাক ঝেড়ে নেয় এবং ইস্তেনজা করার সময় বেজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে’।[19] এক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি ঢিলা ব্যবহার করতে হবে।[20]

(১৭) কুলুপের ক্ষেত্রে হাড্ডি ও হাড় ব্যবহার না করা : ইবনু মাসঊদ c বলেন, নবী a বলেছেন,لاَ تَسْتَنْجُوا بِالرَّوْثِ وَلاَ بِالْعِظَامِ فَإِنَّهُ زَادُ إِخْوَانِكُمْ مِنَ الْجِنِّ ‘তোমরা শুকনো গোবর ও হাড় দিয়ে শৌচকর্ম করো না। কেননা এসব তোমাদের ভাই জিনদের খোরাক’।[21]

(১৮) পেশাব-পায়খানা থেকে বের হওয়ার পর হাত ধৌত করা : পেশাব-পায়খানা থেকে বের হওয়ার পর হাত ধৌত করা সুন্নাত। এক্ষেত্রে মাটি বা সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে। আবূ হুরায়রা c বলেন,كَانَ النَّبِيُّ إِذَا أَتَى الْخَلَاءَ أَتَيْتُهُ بِمَاءٍ فِي تَوْرٍ أَوْ رَكْوَةٍ فَاسْتَنْجَى ثُمَّ مَسَحَ يَدَهُ عَلَى الْأَرْضِ ثُمَّ أَتَيْتُهُ بِإِنَاءٍ آخَرَ فَتَوَضَّأَ ‘নবী a পায়খানায় গেলে আমি তাঁর পেছনে পেছনে কখনো ‘তাওর’-এ করে আবার কখনো ‘রাকওয়া’-এ করে পানি নিয়ে যেতাম। এ পানি দ্বারা তিনি শৌচকর্ম সম্পাদন করতেন। এরপর তিনি মাটিতে স্বীয় হাত ঘষতেন। অতঃপর আমি আর এক পাত্রে পানি আনতাম। এ পানি দিয়ে তিনি ওযূ করতেন।[22]

আমরা যেন পেশাব-পায়খানার শিষ্টাচারসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে পারি, আল্লাহ আমাদের সেই তাওফীক্ব দান করুন- আমীন!


* আলিম ২য় বর্ষ, চরবাটা ইসমাঈলিয়া আলিম মাদরাসা, সুবর্ণচর, নোয়াখালী।

[1]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৬২; মিশকাত,  হা/৩৩৬।

[2]. ছহীহ মুসলিম, হা/৫৬০; মিশকাত,  হা/১০৫৭।

[3]. আবূ দাঊদ, হা/২, হাদীছ ছহীহ; মিশকাত, হা/৩৪৪, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পেশাব-পায়খানার আদব’ অনুচ্ছেদ।

[4]. আবূ দাঊদ, হা/২৭; তিরমিযী, হা/২১, নাসাঈ, হা/৩৬, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘গোসলখানায় প্রস্রাব করা মাকরূহ’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৫৩, হাদীছ ছহীহ।

[5]. ছহীহ বুখারী, হা/২৩৯, ‘ওযূ’ অধ্যায়, ‘আবদ্ধ পানিতে পেশাব করা’ অনুচ্ছেদ; ছহীহ মুসলিম, হা/২৮২; মিশকাত, হা/৪৭৪।

[6]. আবূ দাঊদ, হা/২৬, হাদীছ হাসান, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘নবী (ছা.) যেসব জায়গায় পেশাব করতে নিষেধ করেছেন’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৫৫।

[7]. তিরমিযী, হা/১৪, হাদীছ ছহীহ, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘মলত্যাগের সময় গোপনীয়তা অবলম্বন করা’ অনুচ্ছেদ; আবূ দাঊদ, হা/১৪; মিশকাত, হা/৩৪৬।

[8]. আবূ দাঊদ, হা/২৪, ‘হাসান ছহীহ’; নাসাঈ, হা/৩২, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পাত্রে প্রস্রাব করা’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৬২।

[9]. তিরমিযী, হা/৬০৬, হাদীছ ছহীহ, ‘জুমআ’ অধ্যায়, ‘পায়খানায় যাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৫৮।

[10]. ছহীহ বুখারী ১৪২, ‘ওযূ’ অধ্যায়, ‘পায়খানায় যাওয়ার সময় যা বলতে হয়’ অনুচ্ছেদ; ছহীহ মুসলিম, হা/৩৭৫; মিশকাত, হা/৩৩৭।

[11]. তিরমিযী, হা/৭, হাদীছ ছহীহ, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পায়খানা হতে বের হবার পর যা বলবে’ অনুচ্ছেদ; আবূ দাঊদ, হা/৩০; ইবনু মাজাহ, ৩০০; মিশকাত, হা/৩৫৯।

[12]. ফিকহুস সুন্নাহ, ১/২৯।

[13]. আবূ দাঊদ, হা/১৭; মিশকাত, হা/৪৬৭।

[14]. ছহীহ বুখারী, হা/৩৯৪; ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৪; মিশকাত, হা/৩৩৪, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পেশাব-পায়খানার আদব’ অনুচ্ছেদ।

[15]. আবূ দাঊদ, হা/১৫, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পেশাব-পায়খানায় সময় কথা বলা মাকরূহ’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৫৬, হাদীছ ছহীহ।

[16]. তিরমিযী, হা/১২, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘দাঁড়িয়ে পেশাব করা নিষেধ’ অনুচ্ছেদ; নাসাঈ, হা/২৯; মিশকাত, হা/৩৬৫, হাদীছ ছহীহ।

[17]. বুলূগুল মারাম, হা/১০২; দারাকুত্বনী, হা/৪৭৪, হাদীছ ছহীহ।

[18]. আবূ দাঊদ, হা/৩৩, হাদীছ ছহীহ, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘ইস্তেনজা করার সময় ডান হাতে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করা মাকরূহ’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৪৮।

[19]. ছহীহ বুখারী, হা/১৬১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৩৭; মিশকাত, হা/৩৪১, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পেশাব-পায়খানার আদব’ অনুচ্ছেদ।

[20]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৬২; মিশকাত,  হা/৩৩৬।

[21]. তিরমিযী, হা/১৮, হাদীছ ছহীহ, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘যেসব বস্তু দিয়ে ইস্তেনজা করা মাকরূহ’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত, হা/৩৫০।

[22]. আবূ দাঊদ, হা/৪৫, হাদীছ হাসান; মিশকাত, হা/৩৬০, ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়, ‘পেশাব-পায়খানার আদব’ অনুচ্ছেদ।