রেকর্ড রেমিট্যান্স করোনায় : ফাইনাল রিজার্ভ ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার

সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৮.২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সমান। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। এক অর্থবছরে এত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এর আগে কখনোই আসেনি। এর আগের অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬.৪২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ২০১৮-১৯-এর তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০.৮৬ শতাংশ। এদিকে মাস হিসাবেও গত জুন মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল ১৮৩৩ মিলিয়ন ডলার। এর আগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছর জুনে যার পরিমাণ ছিল ১৭৪৮ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বজুড়ে মহামারি চলার মধ্যেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরেকবার রেকর্ড ভেঙে (২ জুলাই এর হিসাব) দাঁড়িয়েছে ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। সূত্র মতে, করোনার ভয়াল থাবায় বিশ্বের শ্রমবাজারে যখন মহাসঙ্কট চলছে ঠিক তখনও রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

 

দক্ষিণ এশিয়ায় গড় আয়ু : পাকিস্তান-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

পুরুষের চেয়ে নারীরা বাঁচেন বেশিদিন। স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। এখন গড় আয়ু হয়েছে ৭২.৬ বছর। এটি ২০১৯ সালের হিসাব। এর আগের বছরের হিসাবে গড় আয়ু ছিল ৭২.৩ বছর। যা ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। পাকিস্তানে গড় আয়ু ৬৭ বছর এবং ভারতে ৬৯ বছর। ফলে মানুষের বেঁচে থাকা তথা আয়ুর ক্ষেত্রে পাকিস্তান ও ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কায় গড় আয়ু ৭৫ বছর, আফগানিস্তানে ৬৪, ভুটানে ৭১ ও নেপালে গড় আয়ু ৭১ বছর। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয় বাংলাদেশে পুরুষের চেয়ে নারীদের গড় আয়ু বেশি। পুরুষ বাঁচেন গড়ে ৭১.১ বছর। অন্যদিকে নারীর গড় আয়ু ৭৪.২ বছর। এর মানে এ দেশে নারীরা পুরুষের চেয়ে গড়ে বেশিদিন বাঁচেন। প্রতি হাজারে জাতীয় মরণশীলতার হার ৪.৯ জন। অন্যদিকে আফগানিস্তানে ৭, ভুটানে ৬, ভারতে ৭, নেপালে ৬, পাকিস্তানে ৭ ও শ্রীলঙ্কায় ৭ জন। বাংলাদেশে প্রতি হাজারে গড় জন্মহার ১৮.১ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ায় গড় জন্মহার বেশি আফগানিস্তানে ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে ভুটানে ১৮, ভারতে ১৯, নেপালে ১৯, পাকিস্তানে ২৮ শতাংশ। জন্মহার সব থেকে কম শ্রীলঙ্কায় ১৫ শতাংশ।