ব্যভিচার : সম্মতি – অসম্মতি : ধর্ষণ
-মাহমূদুর রহমান*

ধর্ষণ! ইদানিং এই শব্দটি আমাদের নিকট খুব পরিচিতি পেয়েছে। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ এমনকি দৈনিক পত্রিকার হেডলাইনসহ যত অনলাইন-অফলাইন মিডিয়া আছে, সব জায়গায় ধর্ষণ নিয়ে একটা শিরোনাম দেখতেই পাবেন। দীর্ঘ ২০০ বছরের প্রচেষ্টায় ভারতবর্ষে যে অশ্লীলতার নীল নকশা এঁকে দিয়ে গেছে সাদা চামরার ফিরিঙিরা, আজ জাতি তারই ফল ভোগ করছে। শুধু কি তাই! চলে যাওয়ার পরও তারা ক্ষান্ত হয়নি। ওখানে বসেই ছড়িয়ে দিয়েছে অশ্লীলতার নীল জাল। সেই জালে ফেঁসে যাচ্ছে শিশু-বৃদ্ধ, যুবক-যুবতী, ছোট-বড় অনেকেই। নিজের সম্ভ্রম বিকিয়ে দিচ্ছে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। অথবা কোনো নরপিশাচ এসে হানা দিয়ে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ সতীত্বকে।

আপনার স্বজাতির সম্ভ্রম নষ্ট হয়েছে এক নরপিশাচের হাতে, তারই ক্ষোভে আপনি অর্ধনগ্ন হয়ে রাস্তায় নেমেছেন। ঠিক এ সময়ই আরেকজন বিকৃতমনা মানুষ চোখ দিয়ে আপনাকে অনবরত ধর্ষণ করে যাচ্ছে। সেদিকে আপনার ভ্রুক্ষেপও নেই। আপনার চলাফেরা হবে পশ্চিমাদের মতো আর বিচার চাইবেন ইসলামী শরী‘আহ অনুযায়ী! ব্যাপারটা রীতিমতোই হাস্যকর। তাই প্রথমে আমাদের নিজেদের চালচলন, মন-মানসিকতা ঠিক করতে হবে।

দুটি দল : একেকটা ধর্ষণের পর মানুষ দুটি দলে ভাগ হয়ে যায়। তাদের বক্তব্য থাকে ভিন্নরূপের। চলুন, একটু দেখে আসি দুটি দলকে।

১ম দল : ওহ! নারীরা পর্দা করে চললেই তো পারে। অর্ধনগ্ন হয়ে উগ্রভাবে ঘুরে বেড়াবে আর কোনো সমস্যা হলে পুরুষের দোষ? মিষ্টির ঘ্রাণে তো পিঁপড়া আসবেই।

আরে ভাই, একটু চুপ করুন। আচ্ছা, কোন উগ্রতার কারণে ৪ বছরের ঐ বাচ্চাটা কিংবা ৭ বছরের ঐ মাঠে ছুটে বেড়ানো খুকিটা আজ ধর্ষিতা!

২য় দল : আরে না না! সব দোষ পুরুষের মন-মানসিকতার। কিছু পুরুষ আছে যাদের মানসিকতা খুবই নিম্নমানের। তারা যখন কোনো মেয়েকে দেখে তখনই তাদের মনের অবস্থার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এমনকি কোনো ছোট বাচ্চার উপর ঝাপিয়ে পড়তেও কুণ্ঠিত করে না।

ও বোন! এবার থামুন। আচ্ছা, এই মানসিকতা পুরুষের মনে সেটআপ করে কোন জিনিস? কী করলে এ রকম হীন মানসিকতা আর তৈরি হবে না। এগুলো নিয়ে কি কখনো ভেবেছেন?

আসলে আমাদের সমস্যাটা এখানেই। কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক তা সমাধানের চেষ্টা করি না। এমনকি এর সমাধান কোথাও আছে কি-না তাও দেখি না। শুধু নিজের প্রতিপক্ষকে কীভাবে ঘায়েল করা যায়, তা নিয়েই সারাক্ষণ মত্ত থাকি। ফলে সমস্যা সমাধান না হয়ে দিন দিন বাড়তে থাকে। একসময় এটা মহামারি আকার ধারণ করে। তখন জ্ঞানীরা কোনো সমাধান বের করতে পারলেও হতবিহ্বল মানুষের কানে তা পৌঁছায় না।

ধর্ষণের কারণ :

ধর্ষণের কারণগুলো আমরা কয়েকটি ধাপে সাজাতে পারি।

১. কুদৃষ্টি : এই কুদৃষ্টি শুরু হয় নারীর উগ্র চলাফেরার কারণে বা বর্তমান মিডিয়ার কৌশলে অশ্লীলতা ছাড়ানোর কারণে। বার বার যখন হারানো জিনিস দেখা হয়, তখন সেখান থেকে দ্বিতীয় ধাপের উৎপত্তি হয়।

২. কল্পনা : কল্পনা মনের মধ্যে নারীকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ফলে ছোট-বড় কোনো বাধা মানে না। আর তা থেকে আসে তৃতীয় ধাপ।

৩. তাড়না : তাড়না তাকে কাছে পাওয়ার জন্য আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। তখন সেখান থেকে আসে চতুর্থ ধাপ।

৪. পিছে লাগা : পিছে লাগার পরে দুটি শাখার উৎপত্তি হয়। (i). সাফল্য (ii) ব্যর্থতা।

যদি ব্যর্থ হয় তাহলে একটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আর যদি সফল হয় তাহলে তা আরও কয়েক ধাপ সামনে নিয়ে যায়।

ক-১ যোগাযোগ : প্রথমে অল্প অল্প মিষ্টি কথা তারপর একটু ঘনিষ্ট হয়। অতঃপর আরও এক ধাপ সামনে।

ক-২ বন্ধুত্ব/প্রেম : এর থেকে যখন বেশি ঘনিষ্ট হয়। একজন আরেকজনকে ভালোবাসে জানতে পারে। নিজের সবকিছু অন্যজনের সাথে শেয়ার করে। তখন তা থেকে আবার দুটি শাখার উৎপত্তি। (র) সম্মতি  (রর)  অসম্মতি।

যদি অসম্মতি আসে তাহলে আরেকটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, আর যদি সম্মতি আসে তাহলে হয় ব্যভিচার।

সবদিকেই সমস্যা। কোন দিকে যাবেন! চলুন, একটু সামাধান দেখার চেষ্টা করি।

সমাধান : পশ্চিমা

পশ্চিমারা আপনাকে এমন কিছু অদ্ভুত সামাধানের কথা বলবে, যেগুলো মূলত সমাধানই না; বরং তা নারীকে পণ্য বানানোর একটা ফন্দি মাত্র। তারা বলে, নারীর মনকে না জানার কারণে পুরুষের মনে তাদের সম্পর্কে অহেতুক কল্পনা আসে আর তা থেকেই জন্ম নেয় রেপ মিথ (ধর্ষণের কল্পকাহিনি)। তাদের মতে, নারী-পুরুষের সহবস্থান করতে হবে। তাতে পুরুষ নারীর মনকে জানবে এবং এটা বুঝবে যে, নারীরা আমাদের মতোই মানুষ। তারা কোনো দিক দিয়ে দুর্বল নয়। এতে তাদের প্রতি একটা সম্মানবোধ আসবে। নারীকে তখন আর শুধু নারী মনে হবে না; বরং সব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে বন্ধু, সহপাঠী, সহকর্মী মনে হবে। তখন আর ধর্ষণ হবে না। তাদেরই আরেক দলের পরামর্শ হলো নারীর  জরায়ুর স্বাধীনতা নিশ্চিত করলেই নাকি ধর্ষণ বন্ধ হবে। পশুর মতো অবাধ মেলামেশা এবং পতিতালয় স্থাপন করলেই নাকি ধর্ষণ কমে যাবে। তো তাদের দেশে এগুলো অবাধেই চলছে। তাদের ধর্ষণের পরিসংখ্যানটাই দেখা যাক।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ধর্ষণ মামলার গড় সংখ্যা ৮৯,০০০টি।[1]  কানাডা প্রতিবছর ৪,৬০,০০০টি যৌন আক্রমণ হয়। (২০১৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী। বর্তমানের অবস্থা কতটা ভয়াবহ তা সহজেই আঁচ করতে পারবেন)।[2]  দক্ষিণ আফ্রিকাতে প্রতি বছর ৫,০০,০০০ জন, চীনে ৩১,৮৩৩ জন, মিশরে ২,০০,০০০ এর অধিক আর ব্রিটেনে ৮৫,০০০ জন ধর্ষণের শিকার হয়।[3]  এগুলো তো প্রকাশ হয়েছে। অপ্রকাশিত কত রিপোর্ট ধর্ষিতা নিজের মধ্যেই কবর দিয়েছে আল্লাহই ভালো জানেন। তাদের সমাধান তাদের নিকটই অচল!

সামাধান : ইসলাম

এই ভয়াবহ সমস্যার সমাধান শুধু ইসলামেই পাবেন। ইসলাম ধর্ষণের প্রথম দরজাটাই বন্ধ করে দিবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ – وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ

‘মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয়ই তারা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহ অবহিত। ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে’ (আন-নূর, ২৪/৩০-৩১)।

দেখুন নারী-পুরুষের দুজনেই দৃষ্টি নত রাখতে বলা হয়েছে। ধর্ষণের প্রথম ধাপের রাস্তা বন্ধ। ইসলাম আপনাকে জানাবে অন্তরের যেনা হচ্ছে ভোগ করার আকাঙ্ক্ষা।[4] তাকানোর পরে আপনার মনে যে কল্পনা হতো তা থেকেও নিষেধ করা আছে। দ্বিতীয় দরজাও বন্ধ। যখন আপনি খারাপ কল্পনা করবেন না, তখন আপনার মানসিকতারও পরিবর্তন হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا

‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিন নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে; ফলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (আল-আহযাব, ৩৩/৫৯)।

আপনাকে এমন পোশাক পরতে হবে যাতে আপনার অবয়ব না বোঝা যায়। কোনো নরপশুর লোলুপ দৃষ্টি যেন আপনার উপর না পরে। আপনার বিরুদ্ধে কেউ যেন অভিযোগ আনতে না পারে যে, আপনি খোলামেলাভাবে চলছেন, ধর্ষণ তো হবেনই। আরও সতর্কতার জন্য একজন মেয়েকে কোমল কণ্ঠে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে’ (আল-আহযাব, ৩৩/৩২)। সুগন্ধি ব্যবহার করে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে।[5]  যাতে করে কোনো পুরুষ আকৃষ্ট না হতে পারে।

এরপরও কিছু মানুষ আছে যারা পশুত্বের স্বভাব ধারণ করে। তাদের জন্য রয়েছে প্রকাশ্যে শাস্তির ব্যবস্থা। যাতে করে অন্য যারা এ রকম মানসিকতা লালন করে তাদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُمْ بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

‘ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশ করে বেত্রাঘাত করো। আল্লাহর বিধান কার্যকর করার কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো; আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে’ (আন-নূর, ২৪/২)।

এই শাস্তির ব্যবস্থা তাদের জন্য, যারা সমাজটাকে একেবারে দূষিত করে ফেলেছে। তারা যদি ছাড়া পেয়ে যায়, তাহলে সমাজটা আরও নোংরা হয় যাবে। কিছুদিন পরে হয়তো আমাদের কারও পরিবারে কালো থাবা বসানোর পরিকল্পনা করবে। আর হ্যাঁ, এটা জনসম্মুখে করতে হবে। যাতে করে যাদের মধ্যে এ রকম পশুত্ব বিরাজ করছিল, তাদের ভিতরে ভয়ের উদ্রেক হয়। আর যদি এই শাস্তি বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে লাইভ করা হয়, তাহলে অনেক মানুষ দেখবে। আর যত বেশি মানুষ এটা দেখবে তত বেশি মানুষ সচেতন হবে। সমাজ থেকে এই অশ্লীলতা দূর করতে আরেকটা কাজ করতে হবে, তা হলো- বিয়েকে সহজ করে দিতে হবে।

عَنْ عَلْقَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ بَيْنَا أَنَا أَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللهِ فَقَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَنْ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ

আলক্বমা (রাহি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি অব্দুল্লাহ (রা.)-এর সঙ্গে চলতে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (ছা.)-এর সাথে ছিলাম,  তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে নেয়। কেননা বিয়ে চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংযত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন ছওম পালন করে। ছওম তার প্রবৃত্তিকে দমন করে’।[6]   

যার সামর্থ্য আছে, সে বিয়ে করবে আর যার সামর্থ্য নেই, সে ছিয়াম পালন করবে। দুটি কথা মাত্র; কিন্তু সমাজ পরিবর্তনে সক্ষম। কিন্তু আমরা এখন বিয়েকে কঠিন করে দিয়েছি পক্ষান্তরে যেনাকে করে দিয়েছি সহজ। যার কারণে সমাজে এত বেশি অশ্লীলতা আর নোংরামির ছড়াছড়ি। ছালাহ উদ্দীন আইয়ূবী (রাহি.) -এর একটা কথা ছিল এরকম- ‘যদি কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে চাও, তাহলে তাদের মাঝে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দাও’। সেই কথার সূত্র ধরে বলা যেতে পারে, যদি কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতা ছড়াতে চাও, তাহলে তাদের মধ্যে বিয়েকে কঠিন করে দাও’। এই অশ্লীলতাই আজ মুসলিম জাতিকে ধ্বংসের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। নিক্ষেপ করছে পাপের সমুদ্রে। নষ্ট করে দিচ্ছে মুসলিমদের ইতিহাস-ঐতিহ্য আর বীরত্বের পরিচয়কে।

পরিশিষ্ট : রাসূল (ছা.) কর্তৃক আনীত আসমানী আইন যতদিন মেনে নিতে পারব না, ততদিন সব জায়গাতে অন্ধকার দেখতে হবে। হতে হবে লাঞ্ছিত, অপমানিত, অপদস্থ আর হতাশ। আর যদি সব অবস্থায় আল্লাহ প্রদত্ত আইনকে বিনা বাক্যে মেনে নিই, তাহলেই দেখবেন আর কোনো সমস্যই নেই। পরিবর্তে আমরা পাব সমস্যামুক্ত দুনিয়ার সাধারণ জীবন। আখেরাতে চিরস্থায়ী শান্তির আবাস- জান্নাত।

তথ্যসূত্র :

১. ডা. শামসুল আরেফীন, মানসাঙ্ক।

২. জাকারিয়া মাসুদ, সংবিৎ (অধ্যায়: অভিশপ্ত সভ্যতার আর্তনাদ)।

৩. জুম‘আর খুত্ববা (৯/১০/২০) আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ মসজিদ, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ (খত্বীব: আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী)।

*  অষ্টম শ্রেণি, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, বীরহাটাব-হাটাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।।|

[1]. http://www.statisticbrain.com/rape-statistics.

[2].http://www.huffingtonpost.ca/2014/10/30/_sextual_assault_canada-n-6074994.html.

[3].http://en/wikipedia.org/wiki/rape_statistics#cite_n0te-13.

[4]. আবূদাঊদ, হা/২১৫১।

[5]. তিরমিযী, হা/২৭৮৬; আবূ দাঊদ, হা/৪১৭৩।

[6]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৫।