নতুন গিলাফে কা‘বা : ১২০ কেজি সোনা, ১০০ কেজি রূপা ব্যবহার

প্রতি বছরের মতো এবারও জিলহজ্জের ৯ তারিখ পবিত্র কা‘বার গিলাফ পরিবর্তন সম্পন্ন করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ। পবিত্র দুই মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগ কিং আবদুল আযীয কমপ্লেক্সের সার্বিক সহযোগিতায় কা‘বার নতুন গিলাফ পরিবর্তন সম্পন্ন করে। গিলাফ পরিবর্তনের বিশেষ দল দক্ষতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করে। কা‘বার গিলাফ (কিসওয়াহ) বিশেষ মালবাহী গাড়িযাগে আনা হয়। গিলাফের ক্ষয়-ক্ষতি রোধে তাতে ব্যবহার করা হয় বিশেষ ধরনের ধাতব পদার্থ। যরূরী প্রয়োজনে থাকে দক্ষ প্রযুক্তি কর্মীর দল ও বিশেষ গাড়ির ব্যবস্থা। গিলাফের ওপর স্বর্ণের প্রলেপকৃত রূপার সুতোয় সুচারুরূপে লেখা থাকে, ‘ইয়া আল্লাহ, ইয়া আল্লাহ’ ও ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বাক্য। এতে আরও লেখা থাকে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ ‘সুবহানাল্লাহিল আযীম’ ও ‘ইয়া দায়্যান, ইয়া মান্নান’। গিলাফটি তৈরিতে ৬৭০ কেজি কালো বর্ণের কাঁচা রেশম, ১২০ কেজি স্বর্ণ ও ১০০ কেজি রূপার তার ব্যবহার করা হয়।

ফিলিস্তীনের করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরাঈল

অধিকৃত পশ্চিম তীরের (West Bank) দক্ষিণে হেবরন শহরে ফিলিস্তীনের একটি করোনাভাইরাস পরীক্ষা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরাঈলী কর্তৃপক্ষ। এমন এক সময় ইসরাঈলী কর্তৃপক্ষ এই পরীক্ষা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিল, যখন দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে পশ্চিম তীর। এর আগে করোনা রোধে মার্চে কঠোর লকডাউন দিয়েছিল পশ্চিম তীরের কর্তৃপক্ষ। এর ফলে সফলভাবে করোনার প্রথম দফার সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম হয়েছিল সেখানকার কর্তৃপক্ষ। পশ্চিম তীরের সবচেয়ে বড় শহর এবং ফিলিস্তীনী অথরিটির (PA) অর্থনীতির পাওয়ারহাউজ হচ্ছে হেবরন শহর। কিন্তু এখানে করোনা অনেকটা জেঁকে বসেছে। হেবরন মিউনিসিপ্যালিটি সেখানে একটি করোনাভাইরাস ক্রাইসিস সেন্টার তৈরি করেছিল।

ঘানায় ৬৮৩১ জনের ইসলাম গ্রহণ

ঘানার বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ গ্রামে ৬৮৩১ জন ইসলাম গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছে মুসলিম মিশনারি সংস্থা ‘মুওয়াসসাতু নুমা আল-খায়ের’। সংস্থার দাবী অনুযায়ী, ১৫টি অমুসলিম গ্রাম ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে, যেখানে আগে কোনো মুসলিম ছিল না। নুমা আল-খায়ের এসব গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। সংস্থাটি নওমুসলিমদের জন্য মসজিদ নির্মাণ করছে, তীব্র পানি সংকটে থাকা এসব গ্রামে খাবার পানির জন্য গভীর কূপ খনন করছে এবং ৫৮টি পশু কোরবানী করে গোশত বিতরণ করেছে। এ ছাড়া এসব গ্রামে সাত জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে নুমা আল-খায়ের। উল্লেখ্য, নুমা আল-খায়ের ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এরা আফ্রিকায় ইসলাম প্রচারের কাজ করে।

দুবাইয়ের মসজিদে কোড স্ক্যান করে পড়া যাবে ছাহাবীদের জীবনী

কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে মহানবী (ছা.)-এর ছাহাবীদের জীবনী পড়া যাবে দুবাইয়ের মসজিদগুলোয়। দেশটির ‘দি ইসলামিক অ্যাফেয়ার অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট ইন দুবাই’ (IACAD) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তারা মসজিদের সাইনবোর্ডে এমন কিউআর কোড স্থাপন করবে, যা স্ক্যান করলে মহানবী (ছা.)-এর বিখ্যাত ছাহাবীদের জীবনী পাঠ করা যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছা.)-এর পরিবার ও বিখ্যাত ছাহাবীদের নামে স্থাপিত মসজিদগুলোয় এই আয়োজন থাকবে। যেমন আবুবকর, ওমর, খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ (রহি.) প্রমুখ।