শুনে শুনে ২ বছরেই কুরআনের হাফেয হলেন অন্ধ নারী

যায়নাব ইসরা। জন্ম থেকেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। ছোটবেলায় তার কুরআন শেখার সুযোগ না হলেও ৩১ বছর বয়সে এসে শুনে শুনেই পুরো কুরআন মুখস্থ করেছেন তুরস্কের এই নারী। তুরস্কের খাটায় প্রদেশের আলেকজান্দ্রিয়া শহরের সরিসিকির বাসিন্দা ইসরা চার বছর আগে নারীদের এক কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হন। সেখানেই শুনে শুনেই মুখস্থ করতে থাকেন পবিত্র কুরআন। দুই বছরে পবিত্র কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হন। ২০১৭ সালে তুরস্কের কিয়েসারি শহরে অনুষ্ঠিত এক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে তিনি উত্তীর্ণ হন। এরপর বেশ কয়েকবার তিনি পবিত্র কুরআনুল পুরোপুরি পড়ে শুনিয়েছেন। যায়নাব ইসরা জানান, প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়েই আমি পবিত্র কুরআনের অডিও ফাইল শুনতে শুরু করি। অডিও ফাইল শুনে শুনেই ২ বছরে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হই।

বিস্ময়কর মূল্যে বিক্রি হলো খেলাফতের মুদ্রা

ইসলামের খলীফা শাসনামলের একটি দুর্লভ মুদ্রা বিক্রি হয়েছে ৩৭ লাখ ২০ হাজার পাউন্ডে। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) লন্ডনে এক নিলামের মাধ্যমে মুদ্রাটি বিক্রি হয়। তবে যিনি মুদ্রাটি কিনেছেন তার নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মুদ্রাটির গায়ে খোদাই করে ‘মাদিন আমীর আল-মুমিনীন বিল-হিজাজ’ কথাটি লেখা আছে। ইসলামের বেশ কয়েকজন খলীফার মালিকানায় সেটি ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। মুদ্রাটিতে ব্যবহৃত সোনা সঊদী আরবের মক্কা ও মদীনার কাছাকাছি কোনো খনি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসলামের প্রথম চার খলীফার শাসনকালের পর শুরু হয় উমাইয়া শাসনামল। মুহাম্মাদ (ছাঃ) এর ছাহাবী এবং তৃতীয় খলীফা ওছমান উমাইয়া বংশের একজন সদস্য ছিল। ১ পাউন্ড কয়েনের আকৃতির মুদ্রাটি স্বর্ণের তৈরি। ইসলামী শাসনামলের প্রথম দিকে উমাইয়া খিলাফতের সময়ের দীনার সেটি। মুদ্রাটির ১০৫ হিজরী বা ইংরেজি ৭২৩ সালের বলে জানা গেছে। দুর্লভ এই মুদ্রাটি এর আগে বিক্রি হওয়া ইসলামী মুদ্রাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম পেয়েছে। কারণ, ঐতিহাসিকভাবে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই মুদ্রা মাত্র ডজনখানেকই ছিল।