রজব মাসের বিশেষ ছালাত চূড়ান্ত বিদআত


-মুহাম্মাদ গিয়াসুদ্দীন*


রজব মাসের অন্যতম বিদআত ছালাতুর রাগায়েব। এ ছালাত পড়া হয় রজব মাসের প্রথম শুক্রবার মাগরিব ও এশার মাঝে। আর তার আগের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিনে ছিয়াম রাখা হয়। এ ছালাতের ভিত্তি একটি বানোয়াট হাদীছ। সেই হাদীছে তার ফযীলত ও পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।

ছালাতুর রাগায়েব আদায়ের বানোয়াট পদ্ধতি :

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘রজব হলো মহান আল্লাহর মাস, আর শা‘বান আমার মাস এবং রামাযান আমার উম্মতের মাস। কোনো ব্যক্তি যদি রজবের প্রথম বৃহস্পতিবার ছিয়াম রাখে এবং শুক্রবার মাগরিব ও এশার মাঝে ১২ রাকআত ছালাত আদায় করবে, প্রতি রাকআতে সূরা ‘আল-ফাতেহা’ এক বার, সূরা ‘আল-ক্বদর’ তিন বার, ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ ১২ বার পড়বে— এভাবে প্রতি দু’রাকআত পর সালাম ফিরাবে, তারপর আমার ওপর ৭০ বার এ দরূদ পড়বে- ‘আল্লাহুম্মা ছল্লী আলা মুহাম্মাদিন আন-নাবিয়্যি ওয়া আ‘লা আলিহ’; অতঃপর একটা সিজদা দিবে— তাতে ৭০ বার পাঠ করবে, সুব্বূহুন কুদ্দূসুন, রব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ’, তারপর সিজদা থেকে মাথা উঠিয়ে বলবে, রব্বিগফিরলি ওয়ারহাম ওয়া তাজাওয়ায আম্মা তা‘লাম, ইন্নাকা আনতাল আযীযুল আযীম’ ৭০ বার, অতঃপর ২য় সিজদা দিবে এবং প্রথম সিজদায় যা যা পড়েছে সেগুলো পড়বে, অতঃপর আল্লাহ তাআলার নিকট তার প্রয়োজন তুলে ধরে দু‘আ করলে আল্লাহ তাআলা তা পূরণ করবেন’।

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! কোনো বান্দা অথবা বান্দী যদি এই ছালাত আদায় করে, তবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে, যদিও তা সাগরের ফেনা এবং বৃক্ষরাজির পাতা সমপরিমাণ হয় এবং তার পরিবার-পরিজনের মধ্য থেকে ৭০ জনের জন্য তার শাফাআত কবুল করা হবে। আর কবরের প্রথম রজনিতে এই ছালাতের ছওয়াব তার সামনে এসে হাযির হবে উজ্জ্বল চেহারা আর মিষ্টভাষী হয়ে— আর বলবে, হে আমার বন্ধু! আমি তোমার সেই ছালাতের ছওয়াব, যা তুমি অমুক মাসের অমুক রাতে পড়েছিলে। আজ রাতে তোমার নিকট এসেছি, যেন তোমার প্রয়োজন পূরণ করি, তোমার নিঃসঙ্গতা ও ভয়ভীতি দূর করি। যে দিন শিঙায় ফুঁক দেওয়া হবে, সে দিন কিয়ামতের মাঠে তোমার মাথার উপর ছায়া দিব। সুসংবাদ নাও, তোমার প্রভু থেকে কখনোই কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হবে না’।

উক্ত হাদীছটি ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ) তার কিতাবে উল্লেখ করার পর বলেন, এটি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর মিথ্যারোপ ছাড়া কিছু নয়। এ হাদীছটির রচনাকারী হিসেবে যে ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়, সে হলো ইবনু জুহাইম। মুহাদ্দিছগণ এ মিথ্যারোপকে তার দিকেই সম্বোধন করেছেন।[1] তিনি বলেন, ‘আমাদের শায়খ আব্দুল ওয়াহাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীছটির সনদের বর্ণনাকারীগণ অজ্ঞাত। এদের পরিচয় জানার জন্য ইলমুর রিজালের কিতাবাদী তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোথাও তাদের সম্পর্কে তথ্য পাইনি’। ইমাম শাওকানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীছটি বানোয়াট এবং এর বর্ণনাকারীগণ অজ্ঞাত। আর এটাই ছালাতুর রাগায়েব নামে পরিচিত। হাফেযুল হাদীছগণ একমত যে, এটি জাল হাদীছ।[2]

ফিরোযাবাদী আল-মুখতাছার কিতাবে বলেন, সর্বসম্মতিক্রমে এটি জাল। অনুরূপ কথা বলেন, ইমাম মাক্বদেসী। এ হাদীছটি রাযীন ইবনু মুআবিয়া আল-আব্দারীর কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কথা হলো, তিনি তার কিতাবে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করতে গিয়ে অনেক বানোয়াট ও অদ্ভুত কথাবার্তা অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কোথা থেকে এসব বর্ণনা করেছেন, তা জানা যায় না। এটা মুসলিমদের প্রতি তার বিশ্বাসঘাতকতা।[3]

ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীছটির মাধ্যমে বাড়াবাড়ি রকমের বিদআত চালু করা হয়েছে। কারণ যে ব্যক্তি এ ছালাত পড়তে চায়, তাকে দিনে ছিয়াম রাখতে হবে। দিনের বেলা প্রচণ্ড গরম থাকলেও হয়ত সে ছিয়াম রাখল। কিন্তু ইফতার করার সময় ভালো করে খাওয়াদাওয়া সম্ভব হলো না। তারপরও মাগরিবের ছালাত আদায় করার পর লম্বা তাসবীহ আর দীর্ঘ সিজদা দিয়ে এই ছালাত পড়ার কথা বলা হয়েছে। ফলে সেই ব্যক্তির কষ্ট চরম পর্যায়ে পৌঁছবে। রামাযান মাস আর রামাযানের তারাবীর ছালাতের ব্যাপারে আমার মনে কষ্ট লাগছে! কীভাবে তথাকথিত এই ছালাতকে রামাযান ও তারাবীর সাথে টক্কর লাগানো হয়েছে! সাধারণ লোকজনের নিকট তো এটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে। যে ব্যক্তি ফরয ছালাতের জামাআতে শরীক হতো না সেও এই ছালাতে হাযির হবে।[4]

ছালাতুর রাগায়েবের উৎপত্তি?

এই ছালাত প্রথম চালু হয় বায়তুল মাক্বদেসে। সেটা ছিল ৪৮০ হিজরীর পরে। এর আগে কখনো কেউ এ ছালাত আদায় হয়নি।

গাযালী আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নামে বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীছটি উল্লেখ করার পর এটির নাম দেন রজবের ছালাত। আর বলেন, এটা পড়া মুস্তাহাব! আরও বলেন, এটি ঐ সকল নিয়মিত ছালাতের অন্তর্ভুক্ত, যেগুলো প্রতি বছর এক বার করে আসে। যেমন— শা‘বানের শবেবরাতের ছালাত, রজবের ছালাত ইত্যাদি। এর মর্যাদা যদিও তারাবীহ এবং ঈদের ছালাতের পর্যায়ের নয়, তথাপি যেহেতু একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, আর বায়তুল মাক্বদেসের লোকজনও সর্বসম্মতভাবে নিয়মিত আদায় করে আসছে, এমনকি তারা কাউকে এই ছালাত ছাড়ার অনুমতি দেয় না, তাই এটার উল্লেখ করা ভালো মনে করলাম![5]

অথচ মোটেও কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না যে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বা তার কোনো ছাহাবী কখনো তা পড়েছেন বা পড়তে বলেছেন অথবা কোনো সালাফে ছালেহীন থেকে কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না।[6]

ছালাতুর রাগায়েবের ব্যাপারে ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ছালাতুর রাগায়েবের কোনো ভিত্তি নেই, বরং এটি বিদআত। সুতরাং একাকী কিংবা জামাআতের সাথে পড়াকে মুস্তাহাব বলা যাবে না। বরং ছহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশেষভাবে শুধু জুমআর রাতে নফল ছালাত পড়তে আর দিনের বেলা ছিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন। ছালাতুর রাগায়েবের ব্যাপারে যে হাদীছটি উল্লেখ করা হয়, তা আলেমগণের সর্বসম্মত মতানুসারে বানোয়াট। কোনো সালাফে ছালেহীন অথবা ইমাম আদৌ এটি উল্লেখ করেননি।[7] ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অনুরূপভাবে রজব মাসের প্রথম শুক্রবারে ছালাতুর রাগায়েব পড়ার ব্যাপারে হাদীছগুলো বানোয়াট ও রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর মিথ্যারোপ।[8]

আল্লামা ত্বাহের পাটনী হানাফী (রাহিমাহুল্লাহ) দীর্ঘ আলোচনার পর বলেন, ছালাতুর রাগায়েব ও ছিয়াম পালন সম্পর্কে যত হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তার সবগুলোই মাওযূ‘। এ ব্যাপারে সমস্ত মুহাদ্দিছ একমত পোষণ করেছেন।

মি‘রাজের রাতে নফল ছালাত :

অনেক মুসলিম ভাই ও বোন মি‘রাজ উপলক্ষ্যে কেউ ১২ রাকআত, কেউ ২০ রাকআত ছালাত আদায় করে থাকেন। ইসলামী শরীআতে মি‘রাজের ছালাত বলে কিছু নেই। নফল ছালাত পড়া ছওয়াবের কাজ কিন্তু মি‘রাজ উপলক্ষ্যে নফল ছালাত আদায় করার কোনো ভিত্তি ও প্রমাণ ইসলামে নেই। কাজেই মি‘রাজের নামে নফল ছালাত আদায় করা এবং এর ব্যবস্থা প্রণয়ন করা মানে ইসলামী শরীআতে নিজের পক্ষ থেকে কিছু সংযোজন করা। আর এ ব্যাপারে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে আমাদের ধর্মে এমন কিছু সংযুক্ত বা উদ্ভাবন করবে, যা তার (শরীআতের) অংশ নয়— তা প্রত্যাখ্যাত হবে।[9]

মি‘রাজ উপলক্ষ্যে রজব মাসের ফযীলত সম্পর্কেও বহু জাল হাদীছ শোনা যায়। তন্মধ্যে কতিপয় নিম্নে উদ্ধৃত হলো :

আনাস ইবনু মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রজবের প্রথম রজনিতে মাগরিবের ছালাতের পর ২০ রাকআত ছালাত আদায় করবে, যার প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতেহা ও সূরা ইখলাছ পড়বে …’। অতঃপর দীর্ঘ হাদীছ বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওযী বলেন, হাদীছটি মাওযূ‘ বা জাল।[10]

আনাস ইবনু মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রজবের রজনিতে ১৪ রাকআত ছালাত আদায় করবে, যার প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহা এক বার, ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ বিশ বার, ‘কুল আঊযু বিরব্বিল ফালাক্ব’ তিন বার ও ‘কুল আঊযু বিরব্বিন নাস’ তিন বার পড়বে। অতঃপর ছালাত হতে ফারেগ হয়ে দশ বার দরূদ পড়বে… ’ ইত্যাদি। ইবনুল জাওযী বলেন, হাদীছটি মাওযূ।[11]

ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রজবের দিবসে ছিয়াম পালন করবে এবং চার রাকআত ছালাত আদায় করবে, যার প্রথম রাকআতে ১০০ বার ‘আয়াতুল কুরসী’ পড়বে…’ ইত্যাদি ইত্যাদি। ইবনুল জাওযী বলেন, হাদীছটি মাওযূ। এর সনদে উছমান নামক রাবী মুহাদ্দিছগণের দৃষ্টিতে পরিত্যক্ত।[12]

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসূলূল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ২৭ রজব (অর্থাৎ মি‘রাজের রাত্রিতে) ইবাদত করবে, তার আমলনামায় ১০০ বছরের ইবাদতের ছওয়াব লেখা হবে’। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রজব মাসের ২৭ তারিখের রাতের ছালাতের ব্যাপারে উলামায়ে ইসলাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, এটি প্রমাণযোগ্য নয়।[13]

একটি অতি প্রচলিত ভিত্তিহীন হাদীছের দৃষ্টান্ত,اَلصَّلَاةُ مِعْرَاجُ الْمُؤْمِنِيْنَ ‘ছালাত হলো মুমিনদের মি‘রাজ’।[14]

হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রাহিমাহুল্লাহ) ‘তাবয়ীনুল আজাব বিমা ওয়ারাদা ফী ফাযলে রজাব’ গ্রন্থে বলেন, রজব মাসের ফযীলত, রজবের ছিয়াম, রজবের ছিয়ামের নির্দিষ্ট কোনো কিছু এবং উক্ত মাসে নির্দিষ্ট কোনো রাতে ক্বিয়াম করা সম্পর্কে এমন কোনো ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি, যা দলীলের যোগ্য বিবেচিত হতে পারে।[15] শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রজব মাসের ২৭ তারিখের রজনির ছালাতের ব্যাপারে এবং এ জাতীয় অন্য ছালাতের ব্যাপারে উলামায়ে ইসলাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, এটি শরীআতসম্মত নয়।[16]

মুহাম্মাদ আব্দুস সালাম শুকায়রী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অতঃপর জেনে রাখুন যে, রজবের প্রথমে অথবা মধ্যে অথবা শেষে ছালাত আদায় সম্পর্কিত প্রত্যেকটি হাদীছই অগ্রহণযোগ্য। এগুলোর উপর আমল করা যাবে না এবং সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করাও যাবে না।[17] আল্লামা ইবনু রজব, ইবনু হাজার আসক্বালানী, সুয়ূতী, মোল্লা আলী কারী ও অন্যান্য মুহাদ্দিছ (রাহিমাহুমুল্লাহ) এক বাক্যে বলেছেন, রজব মাসে বিশেষ কোনো ছালাত বা রজব মাসের কোনো দিনে বা রাতে কোনো বিশেষ পদ্ধতিতে বিশেষ ছালাত আদায় করলে বিশেষ ছওয়াব পাওয়া যাবে, এ মর্মে একটি হাদীছও গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণিত হয়নি। এ বিষয়ে যা কিছু বলা হয়, সবই বাতিল। কেননা এসবই বানোয়াট।[18]


* শিবগঞ্জ, বগুড়া।

 

[1]. ইবনুল জাওযী, কিতাবুল মাওযূআত, ২/১২৪-১২৬।

[2]. ইমাম শাওকানী, ফাওয়ায়িদুল মাজমূআত, পৃ. ৪৭-৪৮।

[3]. আবূ শামাহ, আল-বায়িস, পৃ. ৪০।

[4]. কিতাবুল মাওযূআত, ২/১২৫-১২৬।

[5]. এহইয়া উলূমুদ্দীন, ১/২০২-২০৩।

[6]. ইমাম ত্বরতুশী, আল-হাওয়াদীছ ওয়াল বিদা, পৃ. ১২২।

[7]. মাজমূ‘ ফাতাওয়া, ২৩/১৩২।

[8]. আল-মানারুল মুনীফ, পৃ. ৯০।

[9]. ছহীহ বুখারী, ১/৩৭১।

[10]. কিতাবুল মাওযূআত, ২/১২৩।

[11]. প্রাগুক্ত।

[12]. প্রাগুক্ত

[13]. গোলাম রহমান, মাহে মি‘রাজ, মাসিক আত-তাহরীক, ২য় বর্ষ, ২য় সংখ্যা, নভেম্বর-১৯৯৮, পৃ. ২২।

[14]. মুফতী হাবীব ছামদানী, বার চান্দের ফযীলত, পৃ. ১২৩।

[15]. মুহাম্মাদ আবুস সালাম খিযুর আশ-শুকায়রী, আস-সুনান ওয়াল মুবতাদআত (বৈরূত : দারূল কুতুব আল-ইলমিয়া, প্রথম প্রকাশ ১৪১৫ হিজরি/১৯৯৪ ইং), পৃ. ১৩০।

[16]. আস-সুনান ওয়াল মুবতাদআত, পৃ. ১৩২।

[17]. আস-সুনান ওয়াল মুবতাদআত, পৃ. ১৩০।

[18]. আল-মাসনূ, পৃ. ২০৮৩০।