রাবী পরিচিতি-২ : আবু মুত্বী‘ আল-বালখী

-আল-ইতিছাম ডেস্ক

ভূমিকা :

হানাফী মাযহাবের চল্লিশজন ফিক্বহ কমিটি ছিল! দাবী করা হয় যে, ইমাম আবু হানীফা (রহিঃ) স্বয়ং এই কমিটি গঠন করেছিলেন। তিনি তাঁর ৪০ জন ছাত্রের মাধ্যমে এই কমিটি সুসংগঠিত করার পর ৮৩ হাজার মাসআলা লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন। সেই ৪০ জনের একজন হলেন আবু মুত্বী‘ বালখী (রহিঃ)।[1]   তাঁর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা নিম্বরূপ-

নাম : হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ।[2]

উপনাম : আবু মুত্বী‘।[3]

উপাধি : আল-বালখী আল-খুরাসানী।[4]

তার কিছু উস্তাদের নাম : ইমাম আবু হানীফা, ইবনু আওন, ইমাম মালেক, ইবরাহীম ইবনে তাহমান (রহিঃ) প্রমুখ।[5]

ছাত্রগণ : আহমাদ ইবনে মানী‘, খাল্লাদ ইবনে আসলাম (রহিঃ) প্রমুখ। [6]

ইমামদের মন্তব্য :

তার সম্পর্কে রিজালশাস্ত্রে দক্ষ ইমামদের অভিমত নিম্বরূপ-

(১) ইমাম ইবনু সা‘দ (রহিঃ) (মৃ. ২৩০ হি.) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন,

وَاسْمُهُ: الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَكَانَ عَلَى قَضَاءِ بَلْخَ، وَكَانَ مُرْجِئًا، وَقَدْ لَقِيَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ حَرْمَلَةَ وَغَيْرَهُ، وَهُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَهُمْ فِي الْحَدِيثِ

‘তার নাম হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ। তিনি বালখ শহরে ক্বাযীর পদে আসীন ছিলেন। তিনি মুরজিয়া ছিলেন। তিনি আব্দুর রহমান ইবনে হারমালা প্রমুখদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। আর তিনি তাদের কাছে হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ।[7]

(২) ইমাম নাসাঈ (রহিঃ)-এর উস্তাদ এবং ইমাম আহমাদ (রহিঃ)-এর পুত্র ইমাম আব্দুল্লাহ (রহিঃ) (মৃ. ২৯০ হি.) ইমাম আহমাদ (রহিঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জবাব দেন,

لَا يَنْبَغِي أَن يرْوى عَنهُ حكوا عَنهُ أَنه كَانَ يَقُول الْجنَّة وَالنَّار خلقتا فستفنيان وَهَذَا كَلَام جهم لَا يرْوى عَنهُ شَيْء

‘তার থেকে বর্ণনা করা উচিত নয়। কেননা তিনি বলতেন, জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্ট। আর অচিরেই উভয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। এটি জাহমীদের বক্তব্য। তার থেকে কিছুই বর্ণনা করা যাবে না’। [8]

(৩) ইমাম নাসাঈ (রহিঃ) (মৃ. ৩০৩ হি.) তাকে যঈফ বলেছেন। [9]

(৪) উকায়লী (রহিঃ) (মৃ. ৩২২ হি.) তার ব্যপারে ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল ও ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈনের সমালোচনামূলক উক্তি উদ্ধৃত করেছেন। [10]

(৫) ইবনু হিব্বান (রহিঃ) (মৃ. ৩৫৪ হি.) বলেছেন,

الحكم بْن عَبْد اللَّهِ أَبُو مُطِيع الْبَلْخِي يَرْوِي عَن الثَّوْرِي وَحَمَّاد بْن سَلمَة روى عَنْهُ أهل بَلَده كَانَ من رُؤَسَاء المرجئة مِمَّن يبغض السّنَن

‘হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুত্বী‘ বাল্খী ছাওরী ও হাম্মাদ ইবনে সালামা হতে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দেশের অধিবাসীরা বর্ণনা করেছেন। তিনি মুরজিয়াদের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। যারা সুন্নাতকে ঘৃণা করতেন।[11]

(৬) ইবনু আদী (রহিঃ) (মৃ. ৩৬৫ হি.) বলেছেন,

حَدَّثَنَا بن أبي بكر، حَدَّثَنا عباس، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيى يقول: أبو مطيع الخراساني لَيْسَ بشَيْءٍ. وقال البُخارِيّ الحكم بْن عَبد اللَّهِ أَبُو مطيع مولى قريش صاحب رأي ضعيف. وقال النسائي أَبُو مطيع الخراساني ضعيف.

‘ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আবু মুত্বী‘ আল-খুরাসানী কিছুই নন। বুখারী বলেছেন, হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুত্বী‘ রায়ের অনুসারী ও যঈফ রাবী। নাসাঈ বলেছেন, আবু মুত্বী‘ আল-খুরাসানী হলেন একজন যঈফ রাবী। [12]

(৭) ইমাম দারাকুৎনী (রহিঃ) (মৃ. ৩৮৫ হি.) দুর্বল ও প্রত্যাখ্যাত রাবীদের গ্রন্থে তাকে উল্লেখ করেছেন।  [13]

(৮) ইমাম বায়হাক্বী (রহিঃ) (মৃ. ৪৫৮ হি.) বলেছেন,

قَالَ أَبُو أَحْمَدَ : أَبُو مُطِيعٍ بَيْنَ الضَّعْفِ فِي أَحَادِيثِهِ، وَعَامَّةُ مَا يَرْوِيهِ لَا يُتَابَعُ عَلَيْهِ قَالَ الشَّيْخُ رَحِمَهُ اللهُ : وَقَدْ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَغَيْرُهُ-

‘আবু আহমাদ বলেছেন, আবু মুত্বী‘র হাদীছ যঈফের অন্তর্ভুক্ত। আর তার অধিকাংশ রেওয়াতের মুতাবা‘আত (সমর্থনসূচক বর্ণনা) করা হয় না। শায়খ (রহিঃ) বলেছেন, আর ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈন ও অন্যরা তাকে যঈফ বলেছেন। [14]

(৯) একটি হাদীছের ব্যাপারে হাফেয ইবনুল কায়সারানী (রহিঃ) (মৃ. ৫০৭ হি.) বলেছেন,

وَالْحَكَمُ هَذَا وَضَعَ لِيَحْتَجَّ بِهِ عَلَى أَهْلِ السُّنَّةِ

‘এখানে হাকাম এটা জাল করেছেন। যেন এর দ্বারা আহলে সুন্নাতের বিরুদ্ধে দলীল পেশ করা যায়’। [15]

(১০) ইবনু আব্দুল হাদী (রহিঃ) (মৃ. ৭৪৪ হি.) বলেছেন,

أمَّا أبو مطيع : فقال يحيى بن معين: ليس بشيءٍ . وقال أحمد : لا ينبغي أن يروى عنه . وقال أبو داود : تركوا حديثه-

‘আবু মুত্বী‘ সম্পর্কে ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন, তিনি কিছুই নন। আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন, তার থেকে বর্ণনা করার দরকার নেই। আবুদাঊদ বলেছেন, তারা তার হাদীছকে বর্জন করেছেন’। [16]

(১১) যাহাবী (রহিঃ) (মৃ. ৭৪৮ হি.) বলেছেন,

الحكم بن عبد الله أَبُو مُطِيع الْبَلْخِي عَن ابْن جريج وَغَيره تَرَكُوهُ

‘হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুত্বী‘ বালখী ইবনু জুরাইজ হতে ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাকে তারা (মুহাদ্দিছগণ) বর্জন করেছেন’।[17] তিনি অন্যত্র বলেছেন,أَبُو مطيعٍ البلخيُّ أحدُ المتروكينَ ‘আবু মুত্বী‘ বালখী হলেন মাতরূক রাবী’।[18]

(১২) হাফেয হায়ছামী (রহিঃ) (মৃ. ৮০৭ হি.) বলেছেন,

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْكَبِيرِ وَالْأَوْسَطِ، وَفِيهِ الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو مُطِيعٍ، وَهُوَ مَتْرُوكٌ

‘একে ত্বাবারানী ‘আল-কাবীর’ এবং ‘আল-আওসাত্ব’-এ বর্ণনা করেছেন। আর তাতে হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুত্বী‘ রয়েছেন। তিনি মাতরূক তথা পরিত্যক্ত। [19]

(১৩) ইবনু আররাক (রহিঃ) (মৃ. ৯৬৩ হি.) বলেছেন,

الحكم بن عبد الله أَبُو مُطِيع الْبَلْخِي قَالَ أَبُو حَاتِم مرجئ كَذَّاب وَقَالَ الجوزقاني كَانَ يضع الحَدِيث

হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুত্বী‘ বালখীর ব্যাপারে আবু হাতেম বলেছেন, তিনি মুরজিয়া, মিথ্যুক। জাওযাকানী বলেছেন, তিনি হাদীছ জাল করতেন। [20]

(১৪) আলবানী (রহিঃ) (মৃ. ১৪২০ হি.) একটি হাদীছের আলোচনায় বলেছেন,

قلت : فهذا ضعيف جدا من أجل البلخي، فقد ضعفوه واتهمه بعضهم بالكذب والوضع-

‘আমার বক্তব্য, বালখীর কারণে এটা খুবই দুর্বল। তাকে মুহাদ্দিছগণ যঈফ বলেছেন। কতিপয় তাকে মিথ্যা বলা ও হাদীছ জাল করার দোষে অভিযুক্ত করেছেন’। [21]

পূর্বের ইমামদের সমস্ত বক্তব্যের সারকথা আলবানীর কথায় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।

তার বর্ণিত কয়েকটি হাদীছ :

হাদীছ-১ :

عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : إِذَا جَلَسَتِ الْمَرْأَةُ فِي الصَّلَاةِ وَضَعَتْ فَخِذَهَا عَلَى فَخِذِهَا الْأُخْرَى، وَإِذَا سَجَدَتْ أَلْصَقَتْ بَطْنَهَا فِي فَخِذَيْهَا كَأَسْتَرِ مَا يَكُونُ لَهَا، وَإِنَّ اللهَ تَعَالَى يَنْظُرُ إِلَيْهَا وَيَقُولُ : يَا مَلَائِكَتِي أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهَا-

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর প হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন নারী ছালাতে বসবে, তখন তার এক উরু অপর উরুর উপর রাখবে। আর যখন সিজদা করবে, তখন পেটকে উরুর সাথে মিলিয়ে দিবে, যা তার সতরের অধিক উপযোগী হয়। আর নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং বলেন, হে আমার ফেরেশতাগণ! আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রাখছি যে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম’। [22]

হাদীছ-২ :

ع عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لَا تُجَالِسُوا شَرَبَةَ الْخَمْرِ وَلا تَعُودُوا مَرْضَاهُمْ وَلا تَشْهَدُوا جَنَائِزَهُمْ

‘ইবনু ওমর বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা মদপানকারীদের সাথে বসো না। তারা অসুস্থ হলে সেবা করো না। আর তাদের জানাযায় অংশ নিয়ো না’।[23]

হাদীছ-৩ :

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ وَفْدَ ثَقِيفٍ جَاءُوا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلُوهُ عَنِ الإِيمَانِ هَلْ يَزِيدُ وَيَنْقُصُ؟ فَقَالَ: لَا.زِيَادَتُهُ كُفْرٌ وَنَقْصُهُ شِرْكٌ-

‘আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, বনূ ছাক্বীফ গোত্রের লোকেরা নবী (ছাঃ)-এর কাছে এসে তাকে জিজ্ঞেস করলেন যে, ঈমান কি হ্রাস-বৃদ্ধি পায়? তিনি বললেন, ঈমানে বৃদ্ধি করা কুফর। আর হ্রাস করা শিরক’।[24]  এটা বর্ণনা করার পর ইবনুল জাওযী বলেছেন,

هَذَا حَدِيثٌ مَوْضُوع بِلَا شكّ وهومن وَضْعِ أَبِي مُطِيعٍ وَاسْمُهُ الْحَكَمُ بن عبد الله قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ : لَا ينبغى أَن يرْوى عَنهُ شئ، وَقَالَ يحيى : لَيْسَ بشئ، وَقَالَ أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ : كَانَ أَبُو مُطِيعٍ مُرْجِئًا كَذَّابًا

‘এ হাদীছটি নিঃসন্দেহে বানোয়াট। এটা আবু মুত্বী‘র বানানো হাদীছ। আর তার নাম হলো হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ। আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন, তার থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করার দরকার নেই। ইয়াহ্ইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন, তিনি কিছুই নন। আবু হাতেম আর-রাযী বলেছেন, আবু মুত্বী‘ মুরজিয়া, মিথ্যুক’। [25]

হাদীছ-৪ :

عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : فِيمَا سَقَتْ السَّمَاءُ الْعُشْرُ، وَفِيمَا سُقِيَ بِنَضْحٍ، أَوْ غَرْبٍ نِصْفُ الْعُشْرِ، فِي قَلِيلِهِ وَكَثِيرِه–

আবান ইবনে আইয়াশ হতে, তিনি একজন ব্যক্তি হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ ধ হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (নবী (ছাঃ) বলেছেন, ‘আসমান যে যমীনে পানি দেবে তাতে উৎপন্ন শস্যে দশমাংশ, আর যে যমীনে সেচের মাধ্যমে বা বালতি দিয়ে পানি দেওয়া হয়েছে তাতে উৎপন্ন শস্যে দশমাংশ যাকাত দিতে হবে। উৎপন্ন শস্য কম হোক আর বেশি হোক কোনো পার্থক্য নেই’। [26]

উপসংহার :

আবু মুত্বী‘ বালখী সম্পর্কে তেমন কোনো তা‘দীল বা তাওছীক পাওয়া যায় না। অনেকেই তাকে ফক্বীহ বলেছেন। যা তা‘দীলের পরিভাষা নয়। মোটকথা, তিনি সকল মুহাদ্দিছের দৃষ্টিতেই হাদীছের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য ছিলেন। সুতরাং তার বর্ণিত কোনো হাদীছ গ্রহণের পূর্বে ভালোভাবে গবেষণা করতে হবে। তার একক বর্ণনা গ্রহণ করা যাবে না। যদি শাহেদ বা মুতাবা‘আত থাকে তাহলে সেটার ভিত্তিতে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

 

[1]. বিস্তারিত মুহাম্মাদ ইয়াহ্ইয়া গোন্দালবী রচিত দাস্তানে হানফিইয়া, পৃঃ ১০২-১০৭, প্রকাশকাল : ১৯৯৫, ইদারাতুল ইলম, পাকিস্তান

[2]. তাবাকাত ইবনি সা‘দ, রাবী নং ৩৬৪৮।

[3]. ইবনু হিব্বান, আল-মাজরূহীন, রাবী নং ২৩৬।|

[4].  ইবনু হাজার আসক্বালানী, লিসানুল মীযান, রাবী নং ১৩৬৯।

[5]. প্রাগুক্ত, রাবী নং ১৩৬৯।

[6]. প্রাগুক্ত।

[7]. তাবাকাত ইবনি সা‘দ, রাবী নং ৩৬৪৮।

[8]. মাওসূআতু আক্বওয়ালিল ইমাম আহমাদ, রাবী নং ৫৯৬।

[9]. আয-যু‘আফা ওয়াল মাতরূকীন, রাবী নং ৬৫৪।

[10].  প্রাগুক্ত, রাবী নং ৩১২।

[11]. আল-মাজরূহীন, রাবী নং ২৩৬।

[12]. আল-কামিল, রাবী নং ৩৯৯।

[13]. আয-যু‘আফা ওয়াল মাতরূকীন, রাবী নং ১৬০।

[14]. আস-সুনানুল কুবরা, হা/৩২০০।

[15]. তাযকিরাতুল হুফ্ফায, রাবী নং ৩০১।

[16]. তানকীহুত তাহক্বীক্ব, ক্রমিক নং ১৫২৬।

[17]. আল-মুগনী, রাবী নং ১৬৫৮।

[18].  তানকীহ, মাসআলা নং ২৯৯।

[19]. মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হা/১৩৪৪৭।

[20]. তানযীহুশ শারী‘আহ, রাবী নং ৪৮।

[21]. সিলসিলাহ ছহীহাহ, হা/৫২০।

[22]. বায়হাক্বী, আস-সুনানুল কুবরা, হা/৩১৯৯। ইমাম বায়হাক্বী স্বয়ং আবু মুত্বী‘কে যঈফ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

[23]. ইবনুল জাওযী, আল-মাওযূ‘আত, ৩/৪২ পৃঃ; আল-লা‘আলী আল-মাছনূ‘আ, ২/১৭৪; তানযীহুশ শারী‘আহ, হা/৫৫, ২/২৩০।

[24]. আল-মাওযূ‘আত ১/১৩১; আল-লা‘আলী আল-মাছনূআ‘, ১/৪১।

[25]. প্রাগুক্ত।

[26]. নাছবুর রায়াহ, ২/১৮৫; আলবানী একে আবু মুত্বী‘র কারণে জাল বলেছেন, যঈফা হা/৪৬৩; বঙ্গানুবাদ: মুহাম্মাদ আকমাল হুসাইন, ১/৪০৮-৪০৯।