করোনার ছোবলে শিক্ষা : উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী, চিন্তিত অভিভাবক

-জুয়েল রানা
খত্বীব, গছাহার বেগপাড়া জামে মসজিদ,
গছাহার (১২ নং আলোকডিহি), চিরিরবন্দর, দিনাজপুর;
সহকারী শিক্ষক, আলহাজ্ব শাহ্ মাহ্তাব-রওশন ব্রাইট স্টার স্কুল,
উত্তর পলাশবাড়ী, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।

প্রথম কথা : করোনা দুর্যোগের বিরূপ প্রভাব পড়েছে আমাদের শিক্ষা খাতে। এই খাতে বিরূপ প্রভাব কতটা প্রকট রূপ নিয়েছে, এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাই তো বটেই, অভিভাবকদের পর্যন্ত নানা রকম শঙ্কাগ্রস্ত করেছে বিদ্যমান পরিস্থিতি। মানুষের মনে করোনা দুর্যোগ হতাশা-আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের মনে এর মন্দ প্রভাব আরও বেশি বিস্তৃত হয়েছে। বিশেষ করে গৃহবন্দী শিশু শিক্ষার্থীদের মানসিক বিস্বাদে বেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছে।

করোনার ছোবলে শিক্ষা ব্যবস্থা : গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব কমাতে সরকার ২৬ মার্চ থেকে দেশে লকডাউন ঘোষণা করে। তার আগে ১৮ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। ফলে দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে (পরবর্তী ঘোষণায় ক্বওমী মাদরাসা ছাড়া)। এতে স্বভাবতই শিক্ষা ব্যবস্থার উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এইচ.এস.সি ও আলিম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এস.এস.সি ও দাখিল পরীক্ষার রেজাল্ট দিতেও দেরি হয়েছিল। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা এবং জে.এস.সি ও জে.ডি.সি পরীক্ষা এ বছরের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে সরকার।

করোনা বদলে দিল শিক্ষার রূপরেখা : করোনায় শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ধারাবাহিকতা রক্ষাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আর শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত বিশ্বে এখন দূর শিক্ষণ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি ইরানেও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে প্রধানত জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শাদ’ নামে একটি লার্নিং অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপে সব শিক্ষার্থীকে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বলা হচ্ছে। যাতে তারা অনলাইনে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া গুগল ক্লাসরুম, গুগল হ্যাংস আউট, স্কাইপ, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে সহজেই শ্রেণি কার্যক্রম চালানো যায়। দূর শিক্ষণের আওতায় অসংখ্য শিক্ষা বিষয়ক অ্যাপস আবিষ্কৃত হয়েছে, যা দিয়ে খুব সহজে লকডাউনে থেকেও বাড়িতে বসে শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণ করা যায়। আমাদের দেশেও যথাযথ সময়ে করোনা মোকাবিলায় (!) পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সংসদ টিভিতে সীমিত আকারে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠদান চলছে। কিন্তু এইভাবে শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব কিনা তা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী : করোনার বিস্তার রোধে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত এবং প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে বেশিরভাগ দেশে। কার্যত সারা পৃথিবীর শিক্ষা ব্যবস্থা এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি বিষয়ক নানা পরিকল্পনার কথা আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারছি। কিন্তু করোনার এই সময়ে শিক্ষা নিয়ে তেমন কোনো স্পষ্ট পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে না। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, জীবন বাঁচানোর কার্যক্রম যেখানে পর্যাপ্ত নয়, সেখানে শিক্ষা নিয়ে কথা বলা কতটা স্বাভাবিক? কিন্তু আসল ব্যাপার হলো শিক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে জীবন বাঁচানোর জন্যই। শিক্ষাকে অবহেলা করে আমরা আগামীর করোনামুক্ত পৃথিবীতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে পাব না। সুতরাং শিক্ষা নিয়ে আমাদের সুষ্ঠু ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক। সিলেবাস, ক্লাস, পরীক্ষা এবং সব ধরনের মূল্যায়ন কার্যক্রম কীভাবে হতে পারে, তা নিয়ে এখন থেকেই চিন্তা করতে হবে এবং সে বিষয়গুলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে পরিষ্কার করে জানাতে ও বুঝাতে হবে।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের ‘চিলড্রেন ভয়েসেস ইন দ্য টাইম অব কোভিড-১৯’ শিরোনামে প্রকাশিত এক জরিপে বলা হয়েছে শতকরা ৭১ ভাগ শিশু ও তরুণ বলেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে তারা নিজেদের শিক্ষা জীবন নিয়ে চিন্তিত। তারা বিচ্ছিন্ন ও নিঃসঙ্গ অনুভব করছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন ১৩টি উন্নয়নশীল দেশে এই জরিপ চালিয়েছে।

অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা : কোভিড-১৯ এর কারণে অনলাইন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কিছু সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অনলাইনে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছেন এবং কিছু শিক্ষক অনলাইনে অ্যাসাইনমেন্ট ও হোমওয়ার্ক নিচ্ছেন। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকগণ টিভিতে ক্লাস নিচ্ছেন। যদিও অনলাইন টিচিং শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য একটি নতুন প্লাটফর্ম। তথাপি অনলাইন শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণের অনেক চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। যেমন- শ্রেণি কক্ষে শিক্ষক সহজেই ক্লাস নিয়ন্ত্রণ এবং একই সঙ্গে সব শিক্ষার্থীর কাজ মূল্যায়ন করতে পারেন। শিক্ষক শ্রেণি কক্ষে কম মনোযোগী শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করতে পারেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ক্লাসে আকৃষ্ট করতে পারেন। শ্রেণি কক্ষে লেকচারের সময় শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রশ্ন কোনো জটিলতা ছাড়াই সহজে উত্তর দিতে পারেন। কিন্তু শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরাসরি কথোপকথনের অভাবে অনলাইন ক্লাসকে সফল করা কঠিন হবে বলে মনে হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিদ্যুতের বিঘ্নিত সরবরাহ অনলাইন শিক্ষার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধক। এখনো কিছু মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগের বাইরে রয়েছে। অস্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং দুর্বল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা অনলাইন শিক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করছে। সুতরাং এটি বাংলাদেশের জন্য সাধারণ একটি চ্যালেঞ্জ। তদুপরি, বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী এ জাতীয় ই-লার্নিং এ অভ্যস্ত নয়। শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা পুরনো পাঠদান পদ্ধতিকে বেশি পসন্দ করছেন। এমনকি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ক্লাস লেকচারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন (পিপিটি) এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করতে নারায। উল্লিখিত চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন শিক্ষা ব্যয়বহুলও বটে। এতে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের মতো প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম থাকা একান্ত দরকার। এ ছাড়া ডাটা কিনতে হয়। স্মার্টফোন প্রযুক্তি অতীতের চেয়ে সর্বব্যাপী হতে পারে, তবে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন ক্রয় এবং তার সম্ভাব্য সুবিধা অর্জনের সক্ষমতা এখনো সম্ভব হয়নি। সুতরাং এটি অনলাইন শিক্ষার আরেকটি চ্যালেঞ্জ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকভাবে এসব বিষয় বিবেচনা করা উচিত এবং শিক্ষাখাতের জন্য উপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

স্কুল বেতন নিয়ে দ্বিমুখী সংকট ও চিন্তিত অভিভাবক : করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অধিকাংশ স্কুল অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করলেও তারা বেতন নিচ্ছে স্বাভাবিক সময়ের মতোই। স্কুল না খোলা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বেতন ৫০% কমানোর দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছে বেশ কয়েকটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অভিভাবক। কারণ এর মধ্যে অনেক অভিভাবকের চাকরি চলে গেছে, কারও বেতন কমে গেছে। আবার অনেক ব্যবসায়ীরা আছেন লোকসানের মধ্যে। এমন অবস্থায় স্কুলের অতিরিক্ত বেতন ও অন্যান্য ফি বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে অভিভাবকের পক্ষে। কিন্তু বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল পরিচালনার কথা বলে পুরো ফি আদায়ে অটল অবস্থানে রয়েছে। আবার ছোটো-খাঁটো বেসরকারি স্কুলগুলোয় অনেক অভিভাবক বেতন দিতে না পারায় শিক্ষক ও কর্মচারীরা মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ছোট-খাটো বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন স্কুলগুলো বড় ধরনের সংকটের মধ্যে আছে। এসব স্কুলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী স্বল্প আয়ের পরিবার থেকে আসায় বেশিরভাগই বেতন পরিশোধ করতে পারছে না। আর এই কারণে মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এমন অবস্থায় স্কুলগুলো টিকিয়ে রাখতে  রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

অভিভাবকদের অভিযোগ ‘বেতন পরিশোধ না করায় অনেক স্কুল রেজাল্ট প্রকাশ না করাসহ নতুন ক্লাসে নাম তুলবে না বলে চাপ দিয়ে আসছে’। এমন অবস্থায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, স্কুল ও অভিভাবক দুই পক্ষকেই কিছুটা ছাড় দিয়ে মানবিক সমাধানে আসতে হবে।

করোনা পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থার পরিকল্পনা : ইনশাআল্লাহ করোনা মহামারির এ সময়টা নিশ্চয়ই একদিন কেটে যাবে। আমাদের বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠান আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী দিয়ে মুখর হবে প্রতিটি ক্যাম্পাস। কিন্তু সময়টা আরও দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন হবে? করোনার কারণে তৈরি হওয়া অনলাইন আর অফলাইন শিক্ষার এই বৈষম্য আমরা কি সমাধান করতে পারব? সমাধান করতে গেলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষায় উদ্ভাবনীয় ব্যক্তিদের ভূমিকা অথবা শিক্ষায় যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের ভূমিকাই বা কী হবে? সে জন্য সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা খুবই যরূরী।

আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক ফাঁক-ফোকর রয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলাতে এই ফাঁক-ফোকর বন্ধ করে দূরদর্শী কর্ম পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে আমাদের বিকাশমান ভবিষ্যৎ। করোনা দুর্যোগে উচ্চ শিক্ষায় সেশনজটের সংকট আরও প্রকট হতে পারে- এও সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ। আমাদের উচ্চ শিক্ষার পাদপীঠ হলো বিশ্ববিদ্যালয় (বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়)। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলোতে এমনিতেই রয়েছে সেশনজট। এর মধ্যে করোনা দুর্যোগ তা আরও প্রকট করে তোলার আশঙ্কা পুষ্ট করেছে। উচ্চ শিক্ষারত শিক্ষার্থীদের কর্মজগতে প্রবেশের বড় বাধা হলো এই সেশন জট। তাই সেশনজট দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাস্তবভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা নিতে হবে এবং এর বাস্তবায়নে দূরদর্শী পদক্ষেপের বিকল্প নেই।

করোনা দুর্যোগে সব স্তরের শিক্ষার্থীরাই ক্ষতির মুখে পড়েছে। আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে যে ধারা চলমান তা প্রযুক্তিগত যত ব্যবস্থাই নেওয়া হোক না কেন, এর বিকল্প কোনো কিছুই এত সহজ নয়। এও মনে রাখা দরকার, ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ-সুবিধা-সামর্থ্য সিংহভাগ শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবকের নেই। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাস্তবতার নিরিখে।

শেষ কথা : দেশের উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই এই সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।