লায়লাতুল ক্বদরের বিধান
-সাজ্জাদ সালাদীন*


শ্রেষ্ঠতম রাত্রি হলো লায়লাতুল ক্বদর। আমরা এ ছোট্ট লেখায় মহিমান্বিত এ রাত সম্পর্কে কিছু জ্ঞান লাভের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

লায়লাতুল ক্বদরের নামকরণ :

লায়লাতুল ক্বদরের নামকরণ নিয়ে উলামায়ে কেরামের মাঝে মতপার্থক্য বিদ্যমান। তবে গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত মত হলো, এ রাতের নাম لَيْلَةُ الْقَدْرِ (লায়লাতুল ক্বদর) রাখা হয়েছে তার সম্মান ও মর্যাদার কারণে। আর الْقَدْرِ শব্দের অর্থ التَّعْظِيم বা সম্মান ও মর্যাদাদান। যেমন আল্লাহ বলেন, ﴿وَمَا قَدَرُوا اللهَ حَقَّ قَدْرِه﴾ ‘তারা আল্লাহ তাআলাকে যথাযথ সম্মান করেনি’ (আল-আনআম, ৬/৯১; যুমার ৩৯/৬৭)। এর অর্থ হলো, নিশ্চয়ই এ রাতে কুরআন অবতীর্ণ হওয়ায় তা সম্মানের অধিকারী হয়েছে। আর তার গুণ বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ রাত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। অথবা এ রাতে ফেরেশতাগণ অবতীর্ণ হন বলে এটি সম্মানী। অথবা এ রাতে রহমত, বরকত ও ক্ষমা অবতীর্ণ হয়। অথবা এ রাত ইবাদতের মাধ্যমে জাগরণ করা হয়।

লায়লাতুল ক্বদর নির্ধারণ :

এ রাত নির্ধারণে উলামায়ে কেরামের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। আল্লামা হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী p ফাতহুল বারীতে ৪০টির বেশি মত উল্লেখ করেছেন। আর এ সকল মতামত একে অপরের পরিপূরক। তবে প্রসিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য মত হলো, নিশ্চয়ই তা রামাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে হবে এবং তা স্থানান্তরিত হবে। অর্থাৎ কখনো তা ২১তম রাতে যেতে পারে আবার কখনো ২৫তম, কখনো ২৭তম এবং কখনো ২৯তম রাতে যেতে পারে।

আর আয়েশা g-এর বর্ণিত হাদীছটি একথারই প্রমাণ বহন করে। এটাই সর্বগ্রাহ্য ও প্রাধান্যযোগ্য মত। হাফেয ইবনু  হাজার  আসক্বালানী p  এ  সংক্রান্ত  মতগুলো

উল্লেখ করার পর বলেন, এ সকল মতের মধ্যে প্রাধান্য ও অগ্রগণ্য মত হলো, وَإِنَّهَا فِي العَشْرِ الأَوَاخِرِ فِي وِتْرٍ ‘নিশ্চয়ই তা শেষ দশকের বেজোড় রাতে হবে’। ইমাম বুখারী p আয়েশা g ও অন্যদের বর্ণিত হাদীছের মাধ্যমে অধ্যায় বেঁধেছেন এভাবে,

باب تَحَرِّى لَيْلَةِ الْقَدْرِ فِى الْوِتْرِ مِنَ الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ

অর্থাৎ ‘পরিচ্ছেদ: ক্বদরের রাত (রামাযানের) শেষ দশকের বেজোড় রাতে অনুসন্ধান করা’।[1] আল্লামা ইবনু হাজার আসক্বালানী p বলেন, ‘(ইমাম বুখারীর) এ অধ্যায়ে এদিকে ইঙ্গিত রয়েছে যে, লায়লাতুল ক্বদর রামাযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এরপর তা শেষ দশকে নির্ধারিত। অতঃপর তা বেজোড় রাতগুলোতে। তবে তা কোন রাতে তা নির্ধারিত নয়’।[2]

লায়লাতুল ক্বদরের গুরুত্ব :

আল্লাহ রব্বুল আলামীন এ রাতকে সকল রাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি কুরআনুল কারীমে এ রাতকে প্রশংসার সাথে উল্লেখ করে বলেন,

﴿إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ – فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ – أَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ – رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ﴾

‘নিশ্চয় আমি তো এটা অবতীর্ণ করেছি এক বরকতময় রজনিতে; (শবে ক্বদরে) আমি তো সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় ফয়সালা হয়। আমার আদেশক্রমে, আমি তো রাসূল প্রেরণ করে থাকি। তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহস্বরূপ; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’ (আদদুখান, ৪৪/৩-৮)। বরকতময় রজনি হলো লায়লাতুল ক্বদর। আল্লাহ তাআলা একে বরকতময় বলে অভিহিত করেছেন। কারণ এ রাতে রয়েছে যেমন বরকত, তেমনি কল্যাণ ও তাৎপর্য। বরকতের প্রধান কারণ হলো- এ রাতে আল-কুরআন নাযিল হয়েছে। এ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও সিদ্ধান্ত লাওহে মাহফূয থেকে ফেরেশতাদের হাতে অর্পণ করা হয় বাস্তবায়নের জন্য। এ রাতের অপর একটি বৈশিষ্ট্য হলো, আল্লাহ তাআলা এ রাত সম্পর্কে একটি পূর্ণাজ্ঞ সূরা আল-ক্বদর অবতীর্ণ করেছেন। যা কিয়ামত পর্যন্ত পঠিত হতে থাকবে।

﴿إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ – وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ – لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ – تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ – سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ﴾

‘নিশ্চয় আমি এটি (আল-কুরআন) অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনিতে (লায়লাতুল ক্বদরে)। আর মহিমান্বিত রজনি সম্বন্ধে তুমি কী জানো? মহিমান্বিত রজনি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। ওই রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) অবতীর্ণ হন প্রত্যেক কাজের জন্য তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিময়, এই রাত ফজর উদয় পর্যন্ত’ (আল-ক্বদর, ৯৭/১-৫)

এ সূরা থেকে যে বিষয়গুলো জানা গেল :

(১) এ রাত এমন এক রাত, যাতে মানবজাতির হেদায়াতের আলোকবর্তিকা মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে।

(২) এ রজনি হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

(৩) এ রাতে ফেরেশতাগণ রহমত, বরকত ও কল্যাণ নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করে থাকেন।

(৪) এ রজনি শান্তির রজনি। আল্লাহর বান্দাগণ এ রাতে জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে শান্তি অর্জন করে থাকে।

(৫) সময়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। এ আয়াতগুলোতে অল্প সময়ে বেশি কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়। যত সময় বেশি, তত বেশি কাজ করতে হবে। সময় নষ্ট করা চলবে না।

(৬) গুনাহ ও পাপ থেকে ক্ষমা লাভ। এ রাতের এই ফযীলত সম্পর্কে ছহীহ বুখারী ও ছহীহ মুসলিমে বর্ণিত হাদীছে এসেছে,مَنْ قَامَ لَيْلَةَ القَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‘যে ব্যক্তি ঈমান ও ছওয়াব লাভের আশায় ক্বদরের রাতে নফল ছালাত আদায় ও রাত জেগে ইবাদত করবে, আল্লাহ তার পূর্বের সকল (ছোট) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন’।[3]

শবে ক্বদর কি শুধু রামাযানের ২৭তম রাতের জন্য নির্দিষ্ট?

আমাদের দেশে সাধারণত মানুষ শুধু রামাযানের ২৭ তারিখে রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগী করে এবং ধারণা করে, এ রাতেই শবে ক্বদর অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এ ধারণা সুন্নাতের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। নবী করীম a-এর কথা শেষ দশকে বেজোড় রাতে সন্ধান করো। তার প্রথম রাত হলো ২১ তারিখ, আর সর্বশেষ হলো ২৯ তারিখ। বছরের ভিন্নতায় শেষ দশকের বিভিন্ন রাতে তা হতে পারে। হাদীছে এসেছে,

عَنْ أَبِىْ بَكْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ يَقُولُ الْتَمِسُوْهَا يَعْنِى لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِىْ تِسْعٍ يَبْقِيْنَ أَو فِىْ سَبْعٍ يَبْقِيْنَ أَو فِىْ خَمْسٍ يَبْقِيْنَ أَوْ ثَلَاثٍ أَوْ اٰخِرِ لَيْلَةٍ.

আবূ বাকরা c হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ a-কে বলতে শুনেছি, তোমরা লায়লাতুল ক্বদরকে (রামাযান মাসের) অবশিষ্ট নবম রাতে, অর্থাৎ- ২৯তম রাতে; অথবা অবশিষ্ট সপ্তম রাতে, অর্থাৎ- ২৭তম রাতে; অথবা অবশিষ্ট পঞ্চম রাতে, অর্থাৎ ২৫তম রাতে; অথবা অবশিষ্ট তৃতীয় রাতে, অর্থাৎ- ২৩তম রাতে; অথবা শেষ রাতে খোঁজ করো।[4]

সুতরাং শুধু ২৭ রামাযান নয়, বরং শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল ক্বদর খোঁজার জোর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বরং পুরো শেষ দশক ইবাদতে মশগুল থেকে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে হবে, যেমনটি রাসূল a করতেন।

লায়লাতুল ক্বদর’-এ কী কী ইবাদত করবেন?

প্রথমত, আল্লাহ তাআলা আমাদের বলে দিয়েছেন যে, এই রাত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম।[5] তাই এই রাতটি ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করাই হবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয়ত, জানা দরকার যে ইবাদত কাকে বলে? ইবাদত হচ্ছে, প্রত্যেক এমন আন্তরিক ও বাহ্যিক কথা ও কাজ, যা আল্লাহ পছন্দ করেন এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকেন।[6] এই সংজ্ঞার আলোকে বলা যেতে পারে যে, ইবাদত বিশেষ ১/২টি কাজে সীমাবদ্ধ নয়। তাই আমরা একাধিক ইবাদতের মাধ্যমে এই রাতটি অতিবাহিত করতে পারি। নিম্নে কিছু উৎকৃষ্ট ইবাদত উল্লেখ করা হলো :

১. ফরয ছালাতসমূহ ঠিক সময়ে জামাআতের সাথে আদায় করা : এর সাথে সাথে সুন্নাতে মুআক্কাদা, তাহিয়্যাতুল মাসজিদসহ অন্যান্য মাসনূন ছালাত আদায় করা।

২. তারাবীহর ছালাত করা : অর্থাৎ রাতে তারাবীহর ছালাত আদায় করা। নবী a বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমান ও নেকীর আশায় লায়লাতুল ক্বদরে ক্বিয়াম করবে (ছালাত পড়বে), তার বিগত গুনাহ ক্ষমা করা হবে’।[7]

৩. বেশি বেশি দু‘আ করা : আয়েশা g থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

لَوْ عَلِمْتُ أَيُّ لَيْلَةٍ لَيْلَةُ الْقَدْرِ لَكَانَ أَكْثَرَ دُعَائِي فِيهَا أَنْ أَسْأَلَ اللهَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ

‘যদি আমি লায়লাতুল ক্বদরের রাত জানতে পারি, তাহলে আমার অধিক দু‘আ হবে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা চাওয়া’।[8] ফলে সেই দু‘আটি বেশি বেশি পাঠ করা উচিত, যা নবী a মা আয়েশা g-কে শিখিয়েছিলেন। আয়েশা g নবী a-কে জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লায়লাতুল ক্বদর লাভ করি, তাহলে কী দু‘আ করব? তিনি a বলেন, তুমি বলবে, اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা পছন্দ করো, তাই আমাকে ক্ষমা করো’।[9]

৪. যিকির-আযকার ও তাসবীহ-তাহলীল করা : অবশ্য এগুলো দু‘আরই অংশ বিশেষ। কিন্তু বিশেষ করে সেই শব্দ ও বাক্যসমূহকে যিকির বলে, যার মাধ্যমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করা হয়। যেমন- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, ‘আল-হামদুলিল্লাহ’, ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘আল্লাহু আকবার’, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়তা ইল্লা বিল্লাহ’ ইত্যাদি।

৫. কুরআন তেলাওয়াত : কুরআন পাঠ একটি বাচনিক ইবাদত, যা দীর্ঘ সময় ধরে করা যেতে পারে। যার এক একটি অক্ষর পাঠে রয়েছে এক একটি নেকী। নবী a বলেন,

مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ وَالحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا لَا أَقُولُ الم حَرْفٌ وَلَكِنْ أَلِفٌ حَرْفٌ وَلَامٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ

‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি অক্ষর পড়বে, সে তার বিনিময়ে একটি নেকী পাবে। আর একটি নেকী হয় তার ১০ গুণ। আমি একথা বলছি না যে, আলিফ, লাম ও মীম একটি অক্ষর; বরং ‘আলিফ’ একটি অক্ষর ‘লাম’ একটি অক্ষর এবং ‘মীম’ একটি অক্ষর’।[10] এছাড়া কুরআন যদি কিয়ামত দিবসে আপনার সুপারিশকারী হয়, তাহলে কতই না সৌভাগ্যের বিষয়! নবী a বলেন, ‘তোমরা কুরআন পড়ো; কারণ সে কিয়ামত দিবসে পাঠকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে’।[11]

অল্প কয়দিনের ইবাদতে বহু বছরের নেকী কামাইয়ের এই সুবর্ণ সুযোগ যেন হাতছাড়া না হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফীক্ব দিন- আমীন!


[1]. ছহীহ বুখারী, হা/৮১৩, ২০১৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৯।

[2]. ফাতহুল বারী, ৪/২৬০।

[3]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০১; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৬০।

[4]. তিরমিযী, হা/৭৯৪; মিশকাত, হা/২০৯২, হাদীছ ছহীহ।

[5]. আল-ক্বদর, ৯৭/৩; আল-মিছবাহ আল-মুনীর, পৃ. ১৫২১।

[6]. মাজমূউ ফাতাওয়া, ১০/১৪৯।

[7]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০১; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৬০।

[8]. নাসাঈ, সুনানে কুবরা, হা/১০৬৪৮; আমালুল ইয়াওম ওয়াল লায়লাহ, হা/৮৭৮।

[9]. তিরমিযী, হা/৩৫১৩; মুসনাদ আহমদ, ২৫৭৪১, হাদীছ ছহীহ।

[10]. তিরমিযী, হা/২৯১০, হাদীছ ছহীহ।

[11]. ছহীহ মুসলিম, হা/৮০৪।