হ্রাস পাচ্ছে সূর্যের ঔজ্জ্বল্য, সৌর ঝড়ের শঙ্কা : নাসা

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, সূর্যের ২৫তম সোলার সাইকেল শুরু হয়ে গেছে। এখন শক্তিশালী সৌরঝড় হতে পারে। গতিবিধিও বেড়ে যেতে পারে। নাসায় কর্মরত বিজ্ঞানী লিকা গুহঠাকুরতা জানিয়েছেন, সম্প্রতি  একটি শক্তিশালী করোনিয়াল তরঙ্গ, অর্থাৎ একটি সৌর শিখা দেখা গেছে। একই সঙ্গে দেখা গেছে, একটি বড় কালো দাগ। যা জানান দিচ্ছে, সূর্য তার নতুন সোলার সাইকেলের কাজ শুরু করেছে। নাসার আগে জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট দাবি করেছিল, পৃথিবীতে সূর্যই একমাত্র শক্তির উৎস। তবে গত ৯০০০ বছর ধরে এটি ধারাবাহিকভাবে দুর্বল হচ্ছে। এর উজ্জ্বলতা হ্রাস পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের ছায়াপথের অন্যান্য তারার তুলনায় সূর্যের উজ্জ্বলতা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, গত ৯০০০ বছরে এর উজ্জ্বলতা পাঁচ গুণ কমেছে। ম্যাক্স প্ল্যাংক ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানী ডা. আলেকজান্ডার শাপিরো বলেন, মহাকাশে সূর্যের বেশি সক্রিয় তারা বা নক্ষত্র রয়েছে। সূর্যের সঙ্গে সূর্যের মতো আরও ২ হাজার ৫০০ তারার তুলনা করেই তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। তাই বিজ্ঞানীরা বলেন, হ্রাস পাচ্ছে সূর্যের ঔজ্জ্বল্য। তবে, মনে করা হয় সূর্যের বয়স ৪.৬ বিলিয়ন বছর। সে তুলনায় ৯ হাজার বছর কিছুই না। কিন্তু বিজ্ঞানীদের দাবি, গত ৯ হাজার বছরে এর উজ্জ্বলতা পাঁচ গুণ কমেছে।

 

সংক্রমণ ঠেকাতে ইলিশের উপকারিতা

বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক একটি জার্নালে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ হলেও শেষ পর্যন্ত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ-তে যেতে নাও হতে পারে ইলিশের কারণে। গবেষকরা বলছেন, আসলে ম্যাজিকটা করছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। সার্ডিন, টুনা ইত্যাদি মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকলেও বাঙালির কাছে তা দূরের জিনিস, আর অন্য দিকে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে পূর্ণ ইলিশেরই মওসুম এখন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে উপস্থিত অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান সংক্রমণকে অনেকটা লঘু করে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আসল কাজটা করছে, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের থাকা ইপিএ। এটিই মূল অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। এক কেজি ইলিশে ইপিএ আছে অন্তত ১১.৮৩ শতাংশ। এটি শরীরে প্রবেশ করে এনজাইমের সঙ্গে মিশে যায়। সৃষ্টি হয় আইকোসানয়েডস। এই আইকোসানয়েডস সংক্রমণকে বাধা দেয়।