সূরা আন-নাবা : মানবজাতির জন্য হাদিয়া
হাফেয আব্দুল মতীন মাদানী*



(পর্ব-২)

হে ক্ষমতাধরগণ! যারা অন্যায়ভাবে মানুষের ধন-সম্পদ লুটপাট করছ, তাদেরকে লাঞ্ছিত করছ, অপমানিত করছ, সমপত্তির জবরদখল করছ, যেনা-ব্যভিচারে লিপ্ত আছ, জুয়া ও মদপানে মত্ত আছ, মাজারপূজা ও ব্যবসায় বিভোর আছ- একবার চিন্তা করো ফেরাউন ও কারুনের কথা, তোমার বর্তমান অবস্থা তুলনা করো তাদের সাথে। যদি সত্যি এটি করতে পার, তবে আশা করা যায় হুঁশ ফিরে আসবে।

হে অহংকারী! আল্লাহর আয়াত অস্বীকারকারী, নাস্তিক, কিয়ামতে অবিশ্বাসী! মৃত্যু একদিন আসবেই। সেদিন মৃত্যুর হাত থেকে তোমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। মহান আল্লাহ বলেন,

وَيَقُولُونَ مَتَى هَذَا الْوَعْدُ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ – قُلْ لَكُمْ مِيعَادُ يَوْمٍ لَا تَسْتَأْخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةً وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ – وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَنْ نُؤْمِنَ بِهَذَا الْقُرْآنِ وَلَا بِالَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ وَلَوْ تَرَى إِذِ الظَّالِمُونَ مَوْقُوفُونَ عِنْدَ رَبِّهِمْ يَرْجِعُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ الْقَوْلَ يَقُولُ الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا لَوْلَا أَنْتُمْ لَكُنَّا مُؤْمِنِينَ – قَالَ الَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا لِلَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا أَنَحْنُ صَدَدْنَاكُمْ عَنِ الْهُدَى بَعْدَ إِذْ جَاءَكُمْ بَلْ كُنْتُمْ مُجْرِمِينَ – وَقَالَ الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا بَلْ مَكْرُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِذْ تَأْمُرُونَنَا أَنْ نَكْفُرَ بِاللَّهِ وَنَجْعَلَ لَهُ أَنْدَادًا وَأَسَرُّوا النَّدَامَةَ لَمَّا رَأَوُا الْعَذَابَ وَجَعَلْنَا الْأَغْلَالَ فِي أَعْنَاقِ الَّذِينَ كَفَرُوا هَلْ يُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

‘তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বলো, এ (কিয়ামতের) প্রতিশ্রুতি কখন বাস্তবায়িত হবে? হে নবী! আপনি বলুন, তোমাদের জন্য একটি (নির্ধারিত) দিনের ওয়াদা রয়েছে, যা থেকে তোমরা এক মুহূর্তও বিলম্বিত হতে পারবে না এবং এক মুহূর্তও এগিয়ে আসতে পারবে না। কাফেররা বলে, আমরা কখনোও এ কুরআনে বিশ্বাস করব না এবং এর পূর্ববর্তী কিতাবেও নয়। আপনি যদি পাপিষ্ঠদেরকে দেখতেন, যখন তাদেরকে তাদের প্রতিপালকের সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা পরস্পর বাদানুবাদ করবে। যাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো, তারা অহংকারীদেরকে বলবে, তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই মুমিন হতাম। অহংকারীরা দুর্বলদেরকে বলবে, তোমাদের নিকট হেদায়াত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে বাধা প্রদান করেছিলাম? বরং তোমরাই তো ছিলে অপরাধী। দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, (প্রকৃতপক্ষে) তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহকে অমান্য করি এবং তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক স্থাপন করি। তারা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুত আমি কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাবো। তারা সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা করত’ (সাবা, ৩৪/২৯৩৩)

হে কবরপূজারি! যারা মাজারব্যাবসা করে অবৈধ সম্পদ দিয়ে আপন পেট ভর্তি করছ, মানুষের ঈমান লুণ্ঠন করে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করছ। মৃত্যু, কবরের শাস্তি, হাশরের ময়দানের বিচার ইত্যাদির কথা বারবার চিন্তা করো। হে মুরিদান! যারা মনে কর পীর না ধরলে জান্নাতে যাওযা যাবে না। সেই দিন তোমাদের পীর কোথায় যাবে? তাদের আর তোমাদের কী অবস্থা হবে? একবার ভেবে দেখো। হে আল্লাহকে অস্বীকারকারী নাস্তিকদের দল! মৃত্যুর ভয়াবহতা এবং মৃত্যুর পরবর্তী অবস্থা সম্পর্কে একবার ভেবে দেখ। তোমাদের ভয় হয় না? সেই দিন প্রতেক মানুষের সকল কর্মকাণ্ডের প্রামাণ্য চিত্র প্রকাশ করা হবে। মহান আল্লাহ বলেন,

إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا – وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا – وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا – يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا – بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَى لَهَا – يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ – فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ – وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ

‘পৃথিবী যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে। যখন সে তার অভ্যন্তরের বোঝাসমূহ বের করে দিবে। এবং মানুষ বলবে, এর কী হলো? সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, কারণ আপনার প্রতিপালক তাকে আদেশ করবেন। সেদিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বের হবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো যায়। অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পারে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে’ (যিলযাল, ৯৯/)

হে নেতৃবর্গ! স্মরণ করো সেই সময়ের কথা, যখন তোমাদের সকল ক্ষমতা বিনাশ হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ বলেন,

وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِشِمَالِهِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي لَمْ أُوتَ كِتَابِيَهْ – وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ – يَا لَيْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِيَةَ – مَا أَغْنَى عَنِّي مَالِيَهْ – هَلَكَ عَنِّي سُلْطَانِيَهْ – خُذُوهُ فَغُلُّوهُ – ثُمَّ الْجَحِيمَ صَلُّوهُ – ثُمَّ فِي سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوهُ – إِنَّهُ كَانَ لَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ – وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ – فَلَيْسَ لَهُ الْيَوْمَ هَاهُنَا حَمِيمٌ – وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ – لَا يَأْكُلُهُ إِلَّا الْخَاطِئُونَ

‘যার আমলনামা তার বাম হাতে দেওয়া হবে, সে বলবে, হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো! আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব! হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হতো! আমার ধন-সম্পদ আমার কোনো উপকারে আসলো না। আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল। ফেরেশতাদেরকে বলা হবে, একে ধরো, তার গলায় বেড়ি পরিয়ে দাও। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করো। অতঃপর তাকে ৭০ গজ দীর্ঘ এক শিকলে শৃঙ্খলিত করো। কেননা সে মহান আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল না এবং মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করত না। অতএব, আজ এখানে তার কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু নাই। এবং ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত কোনো খাদ্য নাই আর অপরাধী ব্যতীত কেউ এটা ভক্ষণ করবে না’ (আল-হাককা, ৬৯/২৫-৩৭)

হে মানবজাতি! পরকালে কেউ কারো উপকার করতে পারবে না, বিধায় অন্যায় থেকে নিজেকে রক্ষা করো। মহান আল্লাহ বলেন,

وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا – يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ – وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ – وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ – وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنْجِيهِ – كَلَّا إِنَّهَا لَظَى – نَزَّاعَةً لِلشَّوَى – تَدْعُو مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّى – وَجَمَعَ فَأَوْعَى

‘আর (সে দিন) কোনো বন্ধু কোনো বন্ধুর খবর নেবে না। যদিও তারা একে অপরেকে দেখতে পাবে। সে দিন গোনাহগার ব্যক্তি আযাবের মুক্তিপণস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততি, স্ত্রী, ভাই ও জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত। আর পৃথিবীর সবকিছুকে দিতে চাইবে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে রক্ষা করে। কখনোই নয়, নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি, যা চামড়া তুলে দিবে। জাহান্নাম ঐ ব্যক্তিকে ডাকবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল। সম্পদ পুঞ্জিভূত করেছিল অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল’ (আল-মাআরিজ, ৭০/১০১৮)। আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,

فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ – يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ – وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ – وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ – لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ – وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ مُسْفِرَةٌ -ضَاحِكَةٌ مُسْتَبْشِرَةٌ – وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌ – تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌ – أُولَئِكَ هُمُ الْكَفَرَةُ الْفَجَرَةُ

‘অতঃপর যেদিন কর্ণ বিদারক বিকট ধ্বনি আসবে। সেদিন পলায়ন করবে মানুষ তার ভ্রাতার কাছ থেকে, তার মাতা, তার পিতা, তার স্ত্রী ও তার সন্তানদের কাছ থেকে। সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। অনেক মুখমণ্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল, সহাস্য ও প্রফুল্ল। এবং অনেক মুখমণ্ডল সেদিন হবে ধুলায় ধূসরিত। তাদেরকে কালিমা আচ্ছন্ন করে রাখবে। তারাই কাফের পাপিষ্ঠের দল’ (আবাসা, ৮০/৩৩৪২)

ইচ্ছামতো চললে পরকালে কল্যাণ পাওয়া যাবে না। প্রবৃত্তির অনুসারী যারা হবে, জাহান্নাম হবে তাদের বাসস্থান। কারণ জাহান্নাম কু-প্রবৃত্তি আর লোভ-লালসা দ্বারা ঘেরা। আনাস (রাযিয়াল্লা-হু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, حُفَّتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ وَحُفَّتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ ‘দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ঘেরা জান্নাত আর জাহান্নাম কু-প্রবৃত্তি ও লোভ-লালসা দ্বারা ঘেরা’।[1] স্বৈরাচারী, অত্যাচারী, অহংকারী ও কু-প্রবৃত্তির আনুসারীদের জন্যই জাহান্নাম তৈরি করা হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লা-হু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

احْتَجَّتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ فَقَالَتِ الْجَنَّةُ يَدْخُلُنِى الضُّعَفَاءُ وَالْمَسَاكِينُ وَقَالَتِ النَّارُ يَدْخُلُنِى الْجَبَّارُونَ وَالْمُتَكَبِّرُونَ فَقَالَ لِلنَّارِ أَنْتِ عَذَابِى أَنْتَقِمُ بِكِ مِمَّنْ شِئْتُ وَقَالَ لِلْجَنَّةِ أَنْتِ رَحْمَتِى أَرْحَمُ بِكِ مَنْ شِئْتُ

‘জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা হলো। জান্নাত বলল, ফক্বীর, মিসকীন ও দুর্বল ব্যক্তিরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। জাহান্নাম বলল, স্বৈরাচারী, ক্ষমতাধর ও অহংকারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তাআলা জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব, আমি তোমার দ্বারা যার থেকে ইচ্ছা প্রতিশোধ গ্রহণ করব। তিনি জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহমত, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা দয়া করব’।[2] আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লা-হু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,

يَخْرُجُ عُنُقٌ مِنَ النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهُ عَيْنَانِ تُبْصِرَانِ وَأُذُنَانِ تَسْمَعَانِ وَلِسَانٌ يَنْطِقُ يَقُولُ إِنِّى وُكِّلْتُ بِثَلاَثَةٍ بِكُلِّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَبِكُلِّ مَنْ دَعَا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَبِالْمُصَوِّرِينَ

‘কিয়ামত দিবসে জাহান্নাম হতে একটি গর্দান (মাথা) বের হবে। এর দুইটি চোখ থাকবে, যা দিয়ে সে দেখবে, দুটি কান থাকবে, যা দিয়ে সে শুনবে এবং একটি জিহ্বা থাকবে, যা দিয়ে সে কথা বলবে। সে বলবে, তিন ধরনের লোকের জন্য আমাকে নিয়োজিত করা হয়েছে— (১) প্রতিটি অবাধ্য অহংকারী যালিমের জন্য, (২) আল্লাহ তাআলার সাথে অন্য কিছুকে যে ব্যক্তি ইলাহ বলে ডাকে, তার জন্য এবং (৩) ছবি নির্মাতার জন্য’।[3]

 (চলবে)


* এম. এ, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সঊদী আরব; শিক্ষক, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, বীরহাটাব-হাটাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

[1]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৮২২; সুনানে তিরমিযী, হা/২৫৫৯।

[2]. সুনানে তিরমিযী, হা/২৫৬১, সনদ হাসান।

[3]. সুনানে তিরমিযী, হা/২৫৭৪, ছহীহ।