স্বাধীন ফিলিস্তীন রাষ্ট্রের পক্ষে ১৫৮ দেশ


১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পরই ইসরাঈল পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। এরপর থেকে ওই এলাকায় ইয়াহূদী বসতি স্থাপনকারীদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কিন্তু হার মানেনি ফিলিস্তীন। ১৯৬৭ এর পর থেকেই আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় ও জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে নতুন সীমানা তৈরি করে পূর্ব জেরুজালেমকে নয়া ফিলিস্তীনের রাজধানী হিসাবে দেখতে চেয়েছেন ফিলিস্তীনীরা। এর অর্থ ফিলিস্তীনীরা চেয়েছেন সেলফ ডিটারমিনেশন বা তাদের রাষ্ট্র, তাদের জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা ও স্বীকৃতি। ইসরাঈল এই চেষ্টায় বারবার বাধ সাধলেও এতদিন পর জাতিসংঘের মঞ্চে ফিলিস্তীনের পক্ষে ভোট পড়েছে। প্রায় ১৫৮টি দেশ ফিলিস্তীনকে স্বাধীন ও দখলমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে দেখার পক্ষে মত দিয়েছে। আর ইসরাঈল ও মার্কিন মিত্ররা বিপক্ষে ভোট দিয়েছে বা ভোট থেকে বিরত থেকেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে ফিলিস্তীনীদের পক্ষে একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবে ফিলিস্তীনীদের সেলফ ডিটারমিনেশন (আত্মনিয়ন্ত্রণ) বা রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তীনের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে ভোটাভুটি হয়। অর্থাৎ ফিলিস্তীনকে একটি স্বাধীন এবং স্বকীয় রাষ্ট্র হিসাবে মেনে নেওয়া হবে কি-না তা নিয়ে ভোট প্রদান করে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো। ফিলিস্তীনকে রাষ্ট্র হিসাবে মেনে নিতে ১৫৮টি দেশ পক্ষে ভোট প্রয়োগ করে, যেখানে ১০টি সদস্য দেশ (অস্ট্রেলিয়া, ক্যামেরুন, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, কিরিবাতি, পাপুয়া নিউগিনি, রুয়ান্ডা, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোগো টোঙ্গা) ভোট দেয়নি এবং প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ৬টি (ইসরাঈল, মার্শাল আইল্যান্ডস, মাইক্রোনেসিয়া, নাউরো, পালাউ, যুক্তরাষ্ট্র) দেশ।