হে মানুষ! আল্লাহকে ভয় করো এবং জাহান্নাম থেকে সতর্ক হও


জাবির হোসেন*


আপনি বাইক নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছেন। আপনার কাছে হেলমেট নেই, গাড়ির লাইসেন্সও নেই। কিছু দূর এগিয়ে গিয়ে এক ব্যক্তি আপনাকে বলল, ভাই! সামনে যাবেন না, পুলিশ আছে— গাড়ি আটকাচ্ছে।

এখন আপনি কী করবেন? তার কথা আপনি সত্য অথবা মিথ্যা ভাবতে পারেন। আপনি যদি মিথ্যা মনে করে এগিয়ে যান আর সামনে গিয়ে পুলিশের খপ্পরে পড়েন, তাহলে আপনার অনুশোচনার শেষ থাকবে না। আফসোস করবেন, ‘হায়! আমি যদি তার কথা শুনতাম’। আর যদি তার ইনফরমেশন সত্য মনে করেন, তাহলে আপনি কখনোই সেই রুটে যাবেন না; বরং ফিরে যাবেন বা অন্য পথে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

এরই নাম হলো বিশ্বাস। আপনার বিশ্বাস এমন দৃঢ় যে, যেহেতু আপনার কাছে লাইসেন্স বা হেলমেট নেই, তাই ভয় করছেন সামনে যেতে, কিন্তু যদি আপনার কাছে এগুলো থাকত, তাহলে আপনার কোন ভয়ই থাকত না।

আমাদের জীবনে বিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলা চলে, বিশ্বাস ছাড়া দুনিয়া অচল। মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য বার্তাবাহক প্রেরণ করেছেন, যাদেরকে আমরা নবী ও রাসূল বলে জানি। তাদের একমাত্র আদেশ ছিল, ‘তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো, সৃষ্টিকর্তা ভিন্ন অন্য কারো ইবাদত করো না’।

সর্বশেষ নবী ছিলেন মহানবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে লাভ করেছিলেন এক আসমানী গ্রন্থ আর তা হলো পবিত্র কুরআন। পবিত্র কুরআন হলো সকল মানবের জীবনবিধান। তিনি আমাদেরকে ইনফরমেশন দিয়েছেন, মৃত্যুর পরবর্তী জীবন তথা আখিরাত সম্পর্কে। তিনি জানিয়েছেন, এই জীবন আমাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ। এই জীবন আমাদের মহান আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করতে হবে। এই জীবনে আমরা যদি আমাদের রবের ইবাদত করি, তাহলে পরকালের জীবন সুখের হবে। অপরপক্ষে যদি তা না করি, তাহলে আমাদের কষ্টের শেষ থাকবে না।

তিনি আরও জানিয়েছেন, মৃত্যুর পরে কবরে দেহ রাখার সঙ্গে সঙ্গে দু’জন ফেরেশতা এসে জিজ্ঞেস করবে তিনটি প্রশ্ন। উত্তর দিতে পারলে তো ভালো। যদি না পারি, তাহলে আমাদেরকে ফেরেশতাদের কাছে গ্রেফতার হতে হবে।

তিনি এসেছিলেন আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশত বছর পূর্বে এই ধরার বুকে। যিনি তার সমাজে বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সমাজ তাকে খেতাব দিয়েছিল ‘আল-আমীন’। তিনি মানুষকে সতর্ক করলেন। তিনি সতর্ক করলেন না দেখা এক অস্তিত্ব সম্পর্কে, আর সেই অস্তিত্ব হলো জাহান্নাম।

তিনি বললেন, ‘জাহান্নামের আগুনের তীব্র দাবদাহ, প্রজ্জ্বলন, অগ্নিশিখা দেহ ভক্ষণ করে আত্মায় প্রবেশ করবে। ঐ আগুন পৃথিবীর আগুনের চেয়ে উনসত্তর গুণ বেশি উত্তাপসম্পন্ন হবে।
সেখানে প্রবেশকারীদের জন্য রয়েছে আগুন হতে প্রস্তুতকৃত পোশাক, বিছানা, ছাউনি, ছাতা, ভারী বেড়ি, আগুনের জিঞ্জির, আগুনে উত্তপ্ত ও প্রজ্জ্বলিত কোটি কোটি টন ভারী লোহা, মুগুর এবং আসনসমূহ। আগুনে জন্মগ্রহণকারী উটের সমান বিষাক্ত সাপ ও খচ্চরের মতো বিষাক্ত বিচ্ছু। খাবার হিসেবে থাকবে আগুনে জন্মগ্রহণকারী কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ আর পান করার জন্য রয়েছে উত্তপ্ত পানি, দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত পুঁজ, ঘাম ও পাঁচড়া নিঃসৃত রক্ত’।[1]

যে জাহান্নামের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো, যার দু’পায়ের তলায় রাখা হবে জ্বলন্ত অঙ্গার, তাতে তার মগজ ফুটতে থাকবে।[2]

এই জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য তিনি নিজ কন্যা, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বিভিন্ন গোত্রকে সতর্ক করে বললেন, ‘হে কুরাইশ সম্প্রদায়! তোমরা আত্মরক্ষা করো। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোনো উপকার করতে পারব না। হে বানূ আব্দ মানাফ! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোনো উপকারে আসবো না। হে আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্ত্বালিব! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোনো উপকার করতে পারব না। হে ছাফিয়্যা! আল্লাহর রাসূলের ফুফু! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমার পক্ষে তোমার কোনো উপকারে আসা সম্ভব হবে না। হে ফাতেমা বিনতে মুহাম্মাদ! আমার ধন-সম্পদ থেকে যা ইচ্ছা চেয়ে নাও। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোনো উপকার করতে পারব না’।[3]

তিনি মুমিনদেরকে সতর্ক করে বললেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর’ (আত-তাহরীম, ৬৬/৬)

জাহান্নামের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার জন্য তিনি বললেন, ‘আমি তোমাদেরকে আগুন থেকে ভয় প্রদর্শন করছি। আমি তোমাদেরকে আগুন থেকে ভয় প্রদর্শন করছি। আমি তোমাদেরকে আগুন থেকে ভয় প্রদর্শন করছি’।[4]

তিনি আরো বললেন, ‘তোমরা আগুন থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করো, যদিও তা এক টুকরা খেজুর (ছাদাক্বা করার) দ্বারাও হয়। আর যদি তাও না পাও, তবে উত্তম কথার দ্বারা’।[5]

তিনি তাঁর নিজের স্ত্রীকে সতর্ক করলেন, ‘হে আয়েশা! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে’।[6]

হে পৃথিবীর মানুষ!  রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কথাগুলো বললেন, এগুলো কি মিথ্যা? যদি মিথ্যা হয়, তাহলে কেন মিথ্যা? তাঁর মিথ্যা বলার কী কারণ থাকতে পারে? তিনি তো ছিলেন আল-আমীন। তাঁকে কেউ কোনো দিন মিথ্যা কথা বলতে দেখেননি। না! তিনি মিথ্যা বলেননি। তিনি সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে দেওয়া আমানত যথাযথভাবে দুনিয়াবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এজন্য তাঁর ওপর চলেছে অত্যাচারের স্ট্রীম রোলার। তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে অসহনীয় যন্ত্রণা। তবুও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন। তাঁকে নিজ মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে, তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, তবুও তাঁর দুশমনেরা নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মিশনকে স্থগিত করতে পারেনি, থামাতে পারেনি তার অভিযাত্রাকে। শেষ পর্যন্ত তাকে লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তুমি যদি সম্পদ নিতে চাও, তোমাকে সেরা ধনী বানিয়ে দেওয়া হবে। তুমি যদি নেতৃত্ব চাও অথবা আরবের বাদশাহ হতে চাও, তাহলে তোমাকে বাদশাহ বানিয়ে দেওয়া হবে। অথবা, তুমি আরবের সুন্দরী নারীদের যাকেই চাইবে, তার সাথেই তোমার বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে। দাবি একটাই— তুমি তোমার ঐ নতুন দ্বীনের দাওয়াত পরিত্যাগ করো’।[7]

কিন্তু তিনি সবকিছুর প্রলোভন উপেক্ষা করে দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, ‘যদি তোমরা আমার ডান হাতে সূর্য এবং বাম হাতে চন্দ্র এনে দাও, তবুও তাওহীদের দাওয়াত থেকে বিরত হবো না, আমি কখনোই আমার মিশন হতে এক বিন্দু পিছপা হব না’।[8]

বন্ধু আমার! ভেবে দেখুন তো— তিনি কেন এত লাঞ্ছনা-গঞ্জনার স্বীকার হতে রাজি হলেন? কেন তিনি জান্নাত-জাহান্নামের কথা বলতে গেলেন? বেশ তো ছিলেন! সমাজে তাঁর নামডাক সবই ছিল। কী দরকার ছিল নিজেকে সমাজের সমালোচনার মুখে ঠেলে দেওয়ার? ভেবে দেখুন! সত্যকে অনুসন্ধান করুন; ইনশাআল্লাহ সত্য এসে আপনার কাছে ধরা দেবেই।

এখন আমাদের কাছে এই ইনফরমেশন সত্য অথবা মিথ্যা— দুটির একটি মনে হতে পারে। যদি মিথ্যা মনে করি এবং আল্লাহর প্রেরিত বিধান অনুযায়ী না চলে মৃত্যুবরণ করি, তাহলে যখন ফেরেশতাদের সম্মুখীন হব, তখন কষ্টের অন্ত থাকবে না। সেদিন থাকবে না কোন সেকেন্ড চান্স। যদিও আমরা কিয়ামতের ভয়াবহতা দেখে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য সেকেন্ড চান্সের আপিল জানাব, ‘হায়! যদি একটিবার (পৃথিবীতে) ফিরে যাবার সুযোগ আমাদের দেওয়া হতো, তাহলে আমরাও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতাম, যেমন তারা আমাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল। এভাবে আল্লাহ তাদের কার্যাবলিকে তাদের পরিতাপরূপে দেখাবেন। আর তারা কখনো আগুন হতে বের হতে পারবে না’ (আল-বাক্বারা, ২/১৬৭)

আর যদি সত্য মনে করি, তাহলে আমাদের পরিবর্তন কোথায়? কেন আমরা সৃষ্টিকর্তার বাণীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি; যখন আমরা নিশ্চিত জানি যে, মৃত্যুর পর কবরে ফেরেশতারা প্রশ্নের জন্য তৈরি হয়ে আছেন এবং আমাদের মৃত্যু যে কোনো সময় চলে আসতে পারে।

মনে করুন তো— লাইসেন্স ও হেলমেট না থাকা সত্ত্বেও কি আপনি পুলিশের সামনে দিয়ে যাবার হিম্মত দেখাবেন? যদি দেখান, তাহলে আপনাকে বলা হবে— বেকুব। আর যদি না দেখাতে চান, তাহলে তাদের রোষানল থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে আগে প্রয়োজনীয় উপাদান জোগাড় করতে হবে।

যে জাহান্নাম থেকে নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সতর্ক করেছেন, আমরা যদি সেই জাহান্নামকে অবিশ্বাস করি, ঠাট্টা-বিদ্রূপ করি, তাহলে আমাদের পরিণতি কী হবে— একবার  কি ভেবে দেখেছি? আমরা কি এক সেকেন্ডের জন্য জাহান্নামের আগুন সহ্য করতে পারব? —না! এক সেকেন্ড তো বহু দূরের কথা, এক মাইক্রো সেকেন্ডও জাহান্নামের আগুনে স্পর্শ হওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তবুও যদি আমরা উদাসীন হই, জাহান্নাম থেকে অসচেতন থাকি, জাহান্নামকে মিথ্যা মনে করি; কাল যখন জাহান্নামে প্রবেশ করব, তখন আহ্বানকারী বলতে থাকবে, ‘এটিই সেই জাহান্নাম! যাকে তোমরা মিথ্যা আখ্যায়িত করেছিলে’ (আত-তূর, ৫২/১৪)

তাই তো জাহান্নামের ভয়ে, অশ্রুসিক্ত নয়নে মুমিনেরা সর্বদা নিজেদের প্রভুর কাছে প্রার্থনা করে বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি দূর করো, তার শাস্তি তো ভয়াবহ বিপদ’ (আল-ফুরক্বান, ২৫/৬৫)

আজ আমরা পুলিশকে যেমন ভয় করি, যার ফলে লকডাউনের সময় চায়ের দোকানে আড্ডা মারতে ভয় পেয়েছি, অপ্রয়োজনে বাইরে বের হইনি, দোকানপাট খুলিনি— শুধু এই আশঙ্কায় যে, কখন না জানি পুলিশ চলে আসে। তার থেকেও বেশি ভয় করতে হবে আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে। মেনে চলতে হবে স্রষ্টা প্রেরিত জীবনবিধান। জানি না কখন মৃত্যুর ফেরেশতা আমাদের কাছে চলে আসবে।

পৃথিবীতে রোগ থেকে বাঁচতে কত গাইডলাইন মেনে চলছি। অদৃশ্য ভাইরাস থেকে বাঁচতে কত নির্দেশিকা ফলো করছি। মাস্ক পরে রাস্তাঘাটে বের হচ্ছি। কিন্তু মহান আল্লাহ জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি ম্যানুয়াল গাইড পাঠিয়েছেন— আমরা কি তা ফলো করছি? সেই ম্যানুয়াল গাইড হলো— পবিত্র কুরআন, যা আমাদের জীবনবিধান।

আসুন! আমরা পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে নিজেদের জীবন আলোকিত করি। মহান আল্লাহকে ভয় করি এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাই। তা না হলে, এমন যেন না হয়— আল্লাহর বিধানের তোয়াক্কা না করে, রেকলেস জীবনযাপন করতে করতে হঠাৎ কবরে গিয়ে হাযির হয়েছি এবং কবরে আগুন্তুক ফেরেশতা মুনকার ও নাকীরের প্রশ্নের সম্মুখীন, ‘মান রব্বুকা? —মা দ্বীনুকা? —মান নাবিয়্যুকা?’ তখন যেন আমাদেরকে না বলতে হয়, ‘হাহ্ হাহ্ লা-আদ্-রী অর্থাৎ আফসোস! আমি তো কিছুই জানি না’।[9]


* এম. এ. (অধ্যয়নরত), বাংলা বিভাগ, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, মুর্শিদাবাদ, ভারত।

 

[1]. বযলুর রহমান, কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম (আছ-ছিরাত প্রকাশনী), পৃ. ২০৭।

[2]. ছহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হা/৬৫৬১।

[3]. ছহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হা/২৭৫৩।

[4]. সুনান আদ-দারেমী, হা/২৮৫০।

[5]. সুনান আদ-দারেমী, হা/১৬৯৪।

[6]. সুনানে ইবনু মাজাহ, হা/৪২৪৩।

[7]. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব, সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) (হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ২য় সংস্করণ), পৃ. ১৬৪-১৬৫।

[8]. প্রাগুক্ত, পৃ. ১৬৩।

[9]. এইচ. এম আবূ আকীব (মূল- মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী), ক্ববরের বর্ণনা (আতিফা পাবলিকেশন্স), পৃ. ২৩।