রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘ঈলা’র ঘটন
-হাফীযা খাতুন*


দাম্পত্য জীবন মানুষের জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই বিশাল জীবন সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কে উত্থান-পতন হতে পারে, খুবই স্বাভাবিক। সুসম্পর্কের মাধ্যমে জীবন মধুময় হয়ে উঠতে পারে আবার দুজনের মাঝে মনোমালিন্য ও ভুল বোঝাবুঝিতে এ জীবন দুঃখ-যাতনায় ভরে যায়। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবনেও এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। একটি অপ্রিয় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আর তারই প্রেক্ষিতে নিম্নের হাদীছটির অবতারণা-

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে উৎসুক ছিলাম যে, আমি উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট জিজ্ঞেস করব, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণের মধ্যে কোন দুজনের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন,

إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا

‘তোমরা দুজন যদি অনুশোচনা ভরে আল্লাহর দিকে আসো (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম), তোমাদের অন্তর (অন্যায়ের দিকে) ঝুঁকে পড়েছে’ (আত-তাহরীম, ৬৬/৪)। আমরা কুরাইশরা নিজেদের স্ত্রীগণের উপর প্রাধান্য বিস্তার করে রেখেছিলাম। কিন্তু আমরা যখন আনছারদের মধ্যে আসলাম, তখন দেখতে পেলাম, তাদের স্ত্রীগণ তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে আছে এবং তাদের উপর কর্তৃত্ব করে চলেছে। সুতরাং আমাদের স্ত্রীরাও তাদের দেখাদেখি সেরূপ ব্যবহার করতে লাগল।

একদিন আমি আমার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হলাম এবং তাকে উচ্চৈঃস্বরে কিছু বললাম। সেও প্রত্যুত্তর করল। আমার কাছে এরকম প্রত্যুত্তর করাটা অপছন্দনীয় হলো। সে বলল, আমি আপনার কথার পাল্টা উত্তর দিচ্ছি এতে অবাক হচ্ছেন কেন? আল্লাহর কসম! নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ তার কথার মুখে পাল্টা উত্তর দিয়ে থাকেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার একদিন একরাত পর্যন্ত কথা না বলে কাটান। উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এ কথা শুনে আমি ঘাবড়ে গেলাম এবং আমি বললাম, তাদের মধ্যে যারা এরূপ করেছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এরপর আমি আমার কাপড় পরলাম এবং আমার কন্যা হাফছাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, হাফছাহ! তোমাদের মধ্য থেকে কারও প্রতি রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি সারা দিন-রাত পর্যন্ত অসন্তুষ্ট থাকেননি? সে উত্তর করল, হ্যাঁ। আমি বললাম, তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ। তোমরা কি এ ব্যাপারে ভীত হচ্ছো না যে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসন্তুষ্টির কারণে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবেন? পরিণামে তোমরা ধ্বংসের মধ্যে পড়বে। সুতরাং তুমি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে অতিরিক্ত কোনো জিনিস দাবি করবে না এবং তার কথার প্রত্যুত্তর করবে না। তার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করবে না। তোমার যদি কোনো কিছুর প্রয়োজন হয়, তবে আমার কাছে চেয়ে নেবে। আর তোমার সতীন তোমার চেয়ে অধিক রূপবতী এবং রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অধিক প্রিয় তা যেন তোমাকে বিভ্রান্ত না করে। এখানে সতীন বলতে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে বুঝানো হয়েছে। উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আরও বলেন, এ সময় আমাদের মধ্যে এ কথা ছড়িয়ে পড়েছিল যে, গাসসানের শাসনকর্তা আমাদের উপর আক্রমণ চালাবার উদ্দেশ্যে তাদের ঘোড়াগুলোকে প্রস্তুত করছে। আমার প্রতিবেশী আনছার তার পালার দিন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমত থেকে রাতে ফিরে এসে আমার দরজায় করাঘাত করল এবং জিজ্ঞেস করল, আমি ঘরে আছি কি-না? আমি শঙ্কিত অবস্থায় বেরিয়ে আসলাম। সে বলল, আজ এক বিরাট ঘটনা ঘটে গেছে। আমি বললাম, সেটা কী? গাসসানীরা কি এসে গেছে? সে বলল, না, তার চেয়েও বড় ঘটনা এবং তা ভয়ংকর। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিনীগণকে তালাক দিয়েছেন। আমি বললাম, হাফছাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তো ধ্বংস হয়ে গেল, ব্যর্থ হলো। আমি আগেই ধারণা করেছিলাম, খুব শীঘ্রই এ রকম কিছু ঘটবে। এরপর আমি পোশাক পরলাম এবং ফজরের ছালাত নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আদায় করলাম। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপরের কামরায় একাকী আরোহণ করলেন, আমি তখন হাফছাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর কাছে গেলাম এবং তাকে কাঁদতে দেখলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কাঁদছো কেন? আমি কি তোমাকে এ ব্যাপারে আগেই সতর্ক করে দেইনি? নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তোমাদের সকলকে তালাক দিয়েছেন? সে বলল, আমি জানি না। তিনি ওখানে উপরের কামরায় একাকী রয়েছেন। আমি সেখান থেকেই বেরিয়ে মিম্বারের কাছে বসলাম। সেখানে কিছু সংখ্যক লোক বসা ছিল এবং তাদের মধ্যে অনেকেই কাঁদছিল। আমি তাদের কাছে কিছুক্ষণ বসলাম, কিন্তু আমার প্রাণ এ অবস্থা সহ্য করতে পারছিল না। সুতরাং যে উপরের কক্ষে নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবস্থান করছিলেন, আমি সেই উপরের কক্ষে গেলাম এবং তার হাবশী কালো খাদেমকে বললাম, তুমি কি উমারের জন্য নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাবার অনুমতি এনে দেবে? খাদেমটি গেল এবং নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথা বলল। ফিরে এসে উত্তর করল, আমি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আপনার কথা বলেছি, কিন্তু তিনি নিরুত্তর আছেন। তখন আমি ফিরে এলাম এবং যেখানে লোকজন বসা ছিল সেখানে বসলাম। কিন্তু এ অবস্থা আমার কাছে অসহ্য লাগছিল। তাই আবার এসে খাদেমকে বললাম, তুমি কি উমারের জন্য অনুমতি এনে দিবে? সে গেল এবং ফিরে এসে বলল, আমি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আপনার কথা বলেছি, কিন্তু তিনি নিরুত্তর ছিলেন। তখন আমি আবার ফিরে এসে মিম্বারের কাছে ঐ লোকজনের সঙ্গে বসলাম। কিন্তু এ অবস্থা আমার কাছে অসহ্য লাগছিল। পুনরায় আমি খাদেমের কাছে গেলাম এবং বললাম, তুমি কি উমারের জন্য অনুমতি এনে দেবে? সে গেল এবং আমাকে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগল, আমি আপনার কথা উল্লেখ করলাম কিন্তু তিনি নিরুত্তর আছেন। যখন আমি ফিরে যাবার উদ্যোগ নিয়েছি, তখন খাদেমটি আমাকে ডেকে বলল, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন।

এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করে দেখলাম, তিনি খেজুরের চাটাইয়ের উপর চাদরবিহীন অবস্থায় খেজুরের পাতা ভর্তি একটি বালিশে ভর দিয়ে শুয়ে আছেন। তার শরীরে চাটাইয়ের চিহ্ন পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। আমি তাকে সালাম করলাম এবং দাঁড়ানো অবস্থাতেই জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি আমার দিকে চোখ ফিরিয়ে বললেন, ‘না’। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি যদি শোনেন তাহলে বলি, আমরা কুরাইশগণ, মহিলাদের উপর আমাদের প্রভাব খাটাতাম, কিন্তু আমরা মদীনায় এসে দেখলাম, এখানকার পুরুষদের উপর নারীদের প্রভাব বিদ্যমান। এ কথা শুনে নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! যদি আপনি আমার কথার দিকে একটু নযর দেন। আমি হাফছাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর কাছে গেলাম এবং আমি তাকে বললাম, তোমার সতীনের রূপবতী হওয়া ও রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রিয় পাত্রী হওয়া তোমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে। এর দ্বারা আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার মুচকি হাসলেন। আমি তাঁকে হাসতে দেখে বসে পড়লাম। এরপর আমি তাঁর ঘরের চারিদিকে তাকিয়ে দেখলাম। আল্লাহর কসম! কেবল তিনটি চামড়া ব্যতীত তাঁর ঘরে উল্লেখ করার মতো কিছুই দেখতে পেলাম না। তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! দু‘আ করুন, আল্লাহ তাআলা যাতে আপনার উম্মতদের সচ্ছলতা দান করেন। কেননা পারসিক ও রোমানদের প্রাচুর্য দান করা হয়েছে এবং তাদের দুনিয়ার শান্তি প্রচুর পরিমাণে দান করা হয়েছে অথচ তারা আল্লাহর ইবাদত করে না।

একথা শুনে হেলান দেওয়া অবস্থা থেকে নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোজা হয়ে বসে বললেন, ‘হে খাত্ত্বাবের পুত্র! তুমি কি এখনো এ ধারণা পোষণ করছো? ওরা ঐ লোক, যারা উত্তম কাজের প্রতিদান এ দুনিয়ায় পাচ্ছে’। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার ক্ষমার জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। হাফছাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) কর্তৃক আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর কাছে কথা ফাঁস করে দেওয়ার কারণে নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ২৯ দিন তাঁর স্ত্রীগণ থেকে আলাদা থাকেন। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, ‘আমি এক মাসের মধ্যে তাদের কাছে যাব না তাদের প্রতি রাগের কারণে’। তখন আল্লাহ তাআলা তাকে মৃদু ভর্ৎসনা করেন। সুতরাং যখন ২৯ দিন হয়ে গেল, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বপ্রথম আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর কাছে গেলেন এবং তাঁকে দিয়েই শুরু করলেন। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কসম করেছেন যে, এক মাসের মধ্যে আমাদের কাছে আসবেন না; কিন্তু এখন তো ২৯ দিনেই এসে গেলেন। আমি প্রতিটি দিন এক এক করে হিসাব করে রেখেছি। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘২৯ দিনেও মাস হয়’। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘এ মাস ২৯ দিনের’। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) আরও বলেন, ঐ সময় আল্লাহ তাআলা এখতিয়ারের আয়াত অবতীর্ণ করেন, যাতে নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবিগণকে দুনিয়া বা আখেরাত এ দুটির যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে’ (আল-আহযাব, ৩৩/২৮)। তিনি তার স্ত্রীগণের মধ্যে আমাকে দিয়েই শুরু করেন এবং আমি তাকেই গ্রহণ করি। এরপর তিনি অন্য স্ত্রীগণের অভিমত চাইলেন। সকলেই তাই বললেন, যা আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেছিলেন।[1]

শিক্ষা :

১. রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি তাদের কাছে না যেয়ে বরং এক মাস পর যাবার মনস্থ করেন। তিনি তাদের দাবি যুক্তিসঙ্গত মনে করেননি, যার কারণে তাদেরকে শাসনের উদ্দেশ্যে এক মাস তাদের কাছে যাননি। এর দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, স্ত্রীদেরকে শাসনের উদ্দেশ্য এমন করা যায়। তবে ঈলার সর্বোচ্চ সময়সীমা হচ্ছে ৪ মাস। এর বেশি হওয়া চলবে না।

২. দুনিয়ার জীবনে নিজের মনমত চলা যায় না। সবকিছুর একটা নিয়ম আছে। নিজের মনমত চলা কাফির-মুশরিকদের কাজ।

৩. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান-শ্রদ্ধাবোধ অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু কখনো কখনো সংসারে ঝগড়া-কলহ হতে পারে। সেজন্য পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকা জরুরী।


* পলাশী, রাজশাহী।

[1]. ছহীহ বুখারী, ‘বিবাহ’ অধ্যায়, হা/৪১৯১।