বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কমানো যাবে বয়সের ছাপ। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক বলেছেন, মস্তীষ্কের কোষের পরিবর্তন করে বয়সের ছাপ কমানো সম্ভব। নেচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রটিতে বলা হয়েছে, বয়সের সঙ্গে মস্তীষ্কের জড়তা বাড়তে থাকে। মস্তীষ্কের সক্রিয় কোষ ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে বয়সের ভার বাড়িয়ে দেয়। এর জেরেই দৈনন্দিন কাজ করা কঠিন হয়ে যায় এবং বয়সের ছাপ দেখা যায় মুখে, শরীরে। বিজ্ঞানীরা ‘ওলিগোডেনড্রোসাইট প্রোজেনিটর সেলস’ পরীক্ষার মাধ্যমে বয়স্ক ও কমবয়সী ইঁদুরের মস্তীষ্কের কোষের ওপর গবেষণা চালান।
দেখা যায়, বেশি বয়সী ইঁদুরের মস্তীষ্কে বসানো কমবয়সী ইঁদুরের মস্তীষ্কের কোষ কাজ করছে। ড. কেভিন শল্যুট বলেন, ‘অত্যন্ত চমকপ্রদ যে, পরিণত হওয়ার পর কোষগুলো কমবয়সী মস্তীষ্কের কোষের মতোই কাজ করছিল।’ কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির এই গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউরোপীয় রিসার্চ কাউন্সিলসহ একাধিক সংস্থা। তবে চাঞ্চল্যকর এই গবেষণায় আরও পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি মানুষের ক্ষেত্রে এটি কতটা কাজ করবে তাও দেখতে হবে বলে মত দেন তারা এই সময়।
