কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

২০১৮ সালে সড়কে ঝরেছে ৭২২১ প্রাণ

গত বছর সড়কে ৫,৫১৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৭,২২১ জন। আহত হয়েছেন ১৫,৪৬৬ জন। সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের দুর্ঘটনার সংখ্যা ৬,০৪৮টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭,৭৯৬ জন। আহতের সংখ্যা ১৫,৯৮০। এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, বিপদজনক ওভারটেকিং, রাস্তাঘাটের নির্মাণ ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো, রেলক্রসিং ও মহাসড়কে হঠাৎ থেকে যানবাহন উঠে আসা, রাস্তায় ফুটপাত না থাকা বা দখলে থাকা, ওভারলোড এবং ছোট যানবাহন বৃদ্ধিকে দুর্ঘটনার কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ৪৯৯ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১৪ জন, আহত ১৩৫৩ জন। ফেব্রম্নয়ারিতে ৪৩৯ দুর্ঘটনায় ৪৫৯ জন নিহত, আহত ১৫২১ জন। মার্চে ৪৯১ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৩ জন ও আহত ১৫০৬ জন। এপ্রিলে ৪৫১ দুর্ঘটনায় ৪৭১ জন নিহত ও আহত ১২২৩ জন। মে মাসে ৪৫৮ দুর্ঘটনায় ৪৮৪ জন নিহত ও আহত ১১২৭ জন। জুনে ৫২২ দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৫ জন নিহত ও আহত ১৭৯০ জন। জুলাইয়ে ২৭৬ দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৫ জন ও আহত ১১২২ জন। আগস্টে ৪৯১ দুর্ঘটনায় নিহত ৫১৯ জন ও আহত ১৬৩৮ জন। সেপ্টেম্বরে ৪২৩ দুর্ঘটনায় নিহত ৫১৪ জন ও আহত ১১৬৬ জন। অক্টোবরে ৩৯৫ দুর্ঘটনায় ৪৯৫ জন নিহত, ৭৭০ জন আহত। নভেম্বরে ৪৩২ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৩ ও আহত ৯৭৯ জন এবং ডিসেম্বরে ৫৩৭ দুর্ঘটনায় ৫৮৪ জন নিহত ও আহত হন ১২৭১ জন। দুর্ঘটনার পর ৬টি বিভাগীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২০৫ জন মারা যান। আহতদের মধ্যে ১২৫২ জন চালক-শ্রমিক, ৮৮০ জন শিক্ষার্থী, ৩২১ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৭৮৭ জন নারী, ৪৮৭ জন শিশু, ১০৬ জন শিক্ষক, ৪৩ জন সাংবাদিক, ৩৩ জন চিকিৎসক, ৯ জন প্রকৌশলী, ২ জন আইনজীবী ও ১৯২ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী রয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৫০টি যানবাহনের পরিচয় পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব যানবাহনের মধ্যে ১৮.৯২ শতাংশ বাস, ২৮.৬৮ শতাংশ ট্রাক ও কাভ্যার্ডভ্যান, ৭.৯৩ শতাংশ কার জিপ ও মাইক্রোবাস, ৯.৬১ শতাংশ অটোরিকশা, ২৫.৩০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ৩.৭২ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা, ৫.৮০ শতাংশই ছিল নছিমন, করিমন ও হিউম্যান হলার। এসবের ৪১.৫৩ শতাংশ গাড়ি চাপায়, ২৯.৭২ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষে, ১৬.১৮ শতাংশ খাদে পড়ে, ০.৫৫ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এবং ০.৮৯ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে।


Magazine