ভূমিকা :
অবশেষে সকল উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ কুমিল্লার উপর দিয়ে বয়ে গেল ৮২ কিলোমিটার গতিতে। গত ৪ মে ২০১৯ শনিবার সকাল ৬ টা ৫০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি বয়ে যাওয়ার সময় বজ্রসহ ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ সাতক্ষীরা, খুলনা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সকাল প্রায় ৭টার পরে এ ঝড়ের গতি কমে যায়। বাংলাদেশে প্রবেশেরও ২২ ঘণ্টা আগে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে ২০০ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগসহ ‘ফণী’ আঘাত হানে ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ভারতের উড়িষ্যায়।
ফণী অর্থ কী? কে দিল এই ভয় ধরানো নাম?
গত মে মাস থেকেই ঘুরে ফিরে একটাই নাম বাঙালির মুখে ফিরছে- ‘ফণী’। ‘ফণী’ হল একটি ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের নাম। ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ নামটি দিয়েছে স্বয়ং বাংলাদেশই। যার অর্থ সাপ বা ফণা তুলতে পারে এমন প্রাণী। ইংরেজিতে (Fani) লেখা হলেও এর উচ্চারণ ‘ফণী’। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে থাকে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর উপকূলের এই আটটি দেশের প্রস্তাব অনুসারে একটি তালিকা থেকে একটির পর একটি ঝড়ের নামকরণ করা হয়। যেমন ‘ফণী’ নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। এরপরের ঝড়ের নাম হবে ভারতের প্রস্তাবানুযায়ী ‘ভায়ু’। এরপর যথাক্রমে বাকি যে ৬টি নাম অবশিষ্ট রয়েছে সেগুলো হল- হিক্কা, কায়ার, মাহা, বুলবুল, পাউয়ান এবং আম্ফান। এই নামগুলো শেষ হবার পর তারা আবার বৈঠকে বসে আরও নতুন নামকরণ করবে। অর্থাৎ এই ভয়ানক ও বিতর্কিত নামগুলো মানুষেরই দেওয়া নাম।
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’- উড়িষ্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি :
গত ৩ মে ২০১৯, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে গড়ে ঘণ্টায় ২০০-২৪৫ কিলোমিটার গতিবেগ নিয়ে ভারতের উড়িষ্যায় আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। এরপর প্রায় সারাদিন পুরো রাজ্যজুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হতে থাকে। এরপর এটি ছোবল মারে পশ্চিমবঙ্গে। গত ৪ মে শনিবার ভোরে বাংলাদেশে ঢোকার আগে এটি অনেকটাই শক্তি হারায়।[1]
ঘূর্ণিঝড় ফণী- বাংলাদেশ জুড়ে যা ঘটলো :
অনেক ভয় বা আশঙ্কা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়টি আগেই দুর্বল হয়ে যাওয়ায় এর প্রবেশের এলাকায় বড় ধরনের কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে। দক্ষিণ পশ্চিমের সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে থাকা গাবুরা ইউনিয়নকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেখানেও আল্লাহ্র রহমতে বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে দুর্বল ঘূর্ণিঝড়েও দেশের কয়েকটি জায়গা থেকে কমপক্ষে পাঁচজনের নিহত হওয়ার এবং ঘর-বাড়ী, ফসল, গাছ-পালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও নৌ যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সাময়িক বন্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।[2]
দুর্বল ফণীর মৃদু ছোবল :
সবমিলিয়ে দুর্বল ফণীর মৃদু ছোবলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে গেছে বাংলাদেশ। ঘুর্ণিঝড় দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বিধায় ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তাই বাঙালি জাতি আনন্দে ফেসবুক ও টুইটারে ফণীকে ‘ফইন্নী’ বলে পোস্ট দিচ্ছে, গালি দিচ্ছে। আমরা আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায় না করে গালি দিচ্ছি সেই ঘূর্ণিঝড়কে। অথচ রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা বায়ু প্রবাহকে গালি দিও না’।[3] অবশ্য ফণীর কারণে ক্ষয়ক্ষতি কম হওয়ায় লন্ডনে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আল্লাহ্র শুকরিয়া আদায় করেছেন।
ফণীর আগাম বার্তা নিয়ে অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি :
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, বস্নগ, টুইটারে ফণীর আগাম বার্তা নিয়ে অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি করা হয়েছে। ‘সিডর ও আইলার চেয়েও কয়েকশ’ মাইল দূরে ফণী’র উৎপত্তি। এই ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দীর্ঘ ২৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় অতি দুর্বল হবে’-আবহাওয়া অফিস এই তথ্য দিয়েছে। এটা জানার পরও অহেতুক সাগরপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি করা হয়েছে বৈকি। আর টিভি মিডিয়াগুলো যেভাবে অতি প্রচারণার মহাপরিকল্পনা চালাল, তাতে তো গোটা দেশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ার কথা। সেই সুবাদে পল্লী অঞ্চলের চায়ের দোকানেও এই ফণী নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে।
‘ফণী’ নিয়েও শিরক করল উপমহাদেশের মানুষ :
উপমহাদেশের কারও কারও মুখ থেকে শোনা গেল যে, স্যাটেলাইট ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির কারণে ফণীর আঘাত থেকে বাংলাদেশ বেঁচে গেছে। আরও সাংঘাতিক কথা শোনা গেছে যে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশ প্রস্ত্তত- নাউযুবিল্লাহ। মোকাবিলা শব্দটার মাধ্যমে মানুষ নীরবে শিরক করল। যেটা অনেকে উপলব্ধিই করতে পারল না। আমার বুঝে আসে না পত্রিকার সংবাদদাতা ও সম্পাদক কেন পত্রিকায় নিউজ করল ফণী মোকাবিলায় প্রস্ত্তত চট্টগ্রাম, ফণী মোকাবিলায় প্রস্ত্তত খুলনা ইত্যাদি। আচ্ছা, কোন ঝড়-বৃষ্টি কী ক্বিয়ামত পর্যন্ত মোকাবিলা করা সম্ভব? অথচ সব পত্রিকাই নিউজ করল ফণী মোকাবিলায় প্রস্ত্তত অমুক জেলা, তমুক জায়গা ইত্যাদি। আর যে স্যাটেলাইটের নিজস্ব কোন কার্যকারিতা নেই, সেই স্যাটেলাইটকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন আমাদের অনেকেই।
আসল কথা হল, আল্লাহ আমাদের উপর দয়া করেছেন বিধায় বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে গেছে। আল-হামদুলিল্লাহ। আর মনে রাখতে হবে, আল্লাহ্র দেওয়া ঘূর্ণিঝড়ের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষমতা শুধু বাংলাদেশ কেন তামাম দুনিয়ার মানুষেরও নেই। কাজেই এই ধরনের শিরকী কথা ও বিশ্বাস আমাদেরকে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ :
প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনা আল্লাহ তা‘লার ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। তবে মানুষের গুনাহ ও কৃতকর্মের কারণেই এ ধরনের বিপর্যয় ঘটে থাকে। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘জল ও স্থলের বিপর্যয় মানুষেরই কৃতকর্মের ফল’ (রূম, ৩০/৪১)। সমাজে অন্যায়-অবিচার বেড়ে গেলেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের বেশি আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া ভূমিধ্বস ও বজ্রপাত ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়ে যাওয়া ক্বিয়ামতের আলামতগুলোর একটি।[4]
প্রাকৃতিক দূর্যোগে আমাদের করণীয় :
(১) প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিলে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিচলিত হয়ে পড়তেন। আল্লাহ্র শাস্তির ভয় করতেন। বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করতেন এবং ছাহাবীদের তা করার নির্দেশ দিতেন। ঝড়-তুফান শুরু হলে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নফল ছালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্র দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি দো‘আ শিখিয়েছেন-
(ক) ঝড়ের সময় দো‘আ :
‘আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা খয়রহা ওয়া খয়রা মা ফীহা ওয়া খয়রা মা উরসিলাত বিহী; ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রিহা ওয়া শার্রি মা ফীহা ওয়া মিন শাররি মা উরসিলাত বিহী’।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে এর মঙ্গল, এর মধ্যকার মঙ্গল ও যা নিয়ে ওটি প্রেরিত হয়েছে, তার মঙ্গলসমূহ প্রার্থনা করছি এবং আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এর অমঙ্গল হতে এবং যা নিয়ে ওটি প্রেরিত হয়েছে, তার অমঙ্গলসমূহ হতে।[5]
(খ) বজ্রের আওয়াজ শুনে দো‘আ :
‘সুবহা-নাল্লাযী ইয়ুসাবিবহুর রা‘দু বিহামদিহী ওয়াল মালা-ইকাতু মিন খীফাতিহি’।
অর্থ : মহা পবিত্র সেই সত্তা, যার গুণগান করে বজ্র ও ফেরেশতামণ্ডলী সভয়ে।[6]
(গ) ঝড়-বৃষ্টির ঘনঘটায় রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়তে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, এগুলোই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে অন্য সবকিছু থেকে।[7]
উল্লেখ্য, এই সময় ‘আল্লা-হুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগযাবিকা অলা তুহলিকনা বি‘আযাবিকা ওয়া ‘আ-ফিনা ক্ববলা যালিকা’ পড়তে হবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যইফ।[8]
আরও উল্লেখ্য, ঝড়-তুফান বা কোন বালা-মুছীবতের সময় আযান দেওয়া বিদ‘আত।[9]
অতএব, ঘূর্ণিঝড়ের আগমনে আমাদেরও এ আমলগুলোর প্রতি যত্নবান হতে হবে। বিশেষত অতীতের সব গুনাহ ও ভুলের জন্য আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
(২) ছবর করা : কোন জনপদে আল্লাহ্র গযব নাযিল হলে প্রথম কর্তব্য হল ছবর করা এবং এটাকে আল্লাহ্র পরীক্ষা বলে মনে করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তুমি সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীল বান্দাদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়। তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহ্র জন্য এবং আমরা সবাই তাঁর নিকটই ফিরে যাব’ (বাক্বারাহ, ২/১৫৫-১৫৬)।
(৩) বিপদ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা : এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর বায়ু রাশির প্রবাহের মধ্যে (গতি পরিবর্তনে) এবং আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী (আল্লাহ্র আজ্ঞাধীন ভাসমান) মেঘের মধ্যে জ্ঞানী লোকের জন্য অবশ্যই (আল্লাহ্র মহিমার) বহু নিদর্শন রয়েছে’ (বাক্বারাহ, ২/১৬৪)।
(৪) স্ব স্ব পাপকর্ম থেকে তওবা করা : এ সময় আমাদের বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। কেননা মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা সকলে (তওবা করে) ফিরে এসো আল্লাহ্র দিকে’ (নূর, ২৪/৩১)।
(৫) বিপদগ্রস্ত ও দুর্গত মানুষের সেবায় এগিয়ে যাওয়া : রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে’।১০ তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ ঐ ব্যক্তির উপর রহম করেন না, যে ব্যক্তি মানুষের উপরে রহম করেন না’।১১
এক্ষেত্রে আমাদের বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসনীয়। কেননা, বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৬ লাখ ৪০ হাযার মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে পেরেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ‘ফণী’ ঘূর্ণিঝড়ের এবং দুর্গত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় ফণীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ী মেরামত ও আহত রোহিঙ্গা সদস্যদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। আমরা বাংলাদেশ সরকারের এই মহতী কাজকে স্বাগত জানাচ্ছি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সব গুনাহ ক্ষমা করে ঘূর্ণিঝড়সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিরাপদ রাখুন- আমীন!
উপসংহার :
ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঝড়ো বাতাস থেকে মুক্ত থাকতে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্র কাছে সাহায্য চাইতেন। কেননা, মহান আল্লাহই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা। সুতরাং, মুসলিম উম্মাহর উচিত ঘূর্ণিঝড়, প্রবল ঝড়ো বাতাস ও বিপদ-আপদে হাদীছের শেখানো দো‘আ পড়া এবং বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা। মহান আল্লাহ তা‘আলা মুসলিম উম্মাহকে ঘূর্ণিঝড়ে হাদীছের শেখানো দো‘আ পড়ার এবং বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করার তাওফীক্ব দান করুন ও ঝড়-তুফানের যাবতীয় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করুন- আমীন!
[1]. দৈনিক যুগান্তর, প্রথম পৃষ্ঠা, ৫ মে ২০১৯, রবিবার।
[2]. বিবিসি বাংলা, ঢাকা (প্রতিবেদন- কাদির কলেস্নাল), ৪ মে ২০১৯।
[3]. সুনান তিরমিযী, হা/২১৭৮, ‘বাতাসকে গালি দেওয়া নিষেধ’ অনুচ্ছেদ।
[4]. শায়খ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী, কিয়ামতের পূর্বাভাস ও ফেতনার যুগে করণীয় (ঢাকা : ইমাম পাবলিকেশন্স, প্রকাশকাল- সেপ্টেম্বর ২০১৫), পৃঃ ৪৭।
[5]. ছহীহ বুখারী, হা/৪৮২৯; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯৯; মিশকাত, হা/১৫১৩, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ঝড়-ঝঞ্ঝা’ অনুচ্ছেদ-৫৩।
[6]. মুওয়াত্ত্বা মালেক, হা/৩৬৪১; মিশকাত, হা/১৫২২, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ঝড়-ঝঞ্ঝা’ অনুচ্ছেদ-৫৩।
[7]. আবুদাঊদ, হা/৫০৮২; তিরমিযী, হা/৩৫৭৫; নাসাঈ, হা/৫৪২৮; মিশকাত, হা/২১৬২-২১৬৩, ‘কুরআনের ফাযায়েল’ অধ্যায়-৮, পরিচ্ছেদ-২।
[8]. যঈফ তিরমিযী, হা/৩৪৫০; যঈফুল জামে‘ আছ-ছাগীর, হা/৪৪২১; মিশকাত, হা/১৫২১, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ঝড়-ঝঞ্ঝা’ অনুচ্ছেদ-৫৩।
[9]. আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, আইনে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দো‘আ অধ্যায় (তৃতীয় সংস্করণ : ২০১২ ঈসায়ী), পৃঃ ৮০।
[10]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৯৯; মিশকাত, হা/২০৪, ‘ইলম’ অধ্যায়।
[11]. ছহীহ বুখারী, হা/৭৩৭৬; ছহীহ মুসলিম, হা/২৩১৯; মিশকাত, হা/৪৯৪৭।
