কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন অর্ধশতাধিক রাষ্ট্রের

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে চীন ও তুরস্কসহ অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র। কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তান ৫০টিরও বেশি দেশের পক্ষে ঐতিহাসিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। এ ঘটনাকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসাবে আখ্যায়িত করেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। যৌথ বিবৃতিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে ভারতের প্রতি আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘ এবং ওআইসি-র অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র। গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। লাদাখ ও কাশ্মীরকে দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল পাস হয়। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। জারি করা হয়েছিল বিধিনিষেধ। গ্রেফতার করা হয়েছে সেখানকার শত শত নেতাকর্মীকে। সেখানে উন্নয়নের জন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবং এটা দেশটির সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে ভারতের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হলেও পাকিস্তান বলছে, সেখানে কাশ্মীরিদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের ওই দেশগুলো যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ভারত শাসিত কাশ্মীরে মানবাধিকার ও মানবিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, বিশেষত ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট পদক্ষেপগুলো নেয়ার পর থেকে। এখন সেখানে মানবাধিকার কাউন্সিল ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থার যরূরী মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন’। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘জাতিসংঘ সনদ, নিরাপত্তা কাউন্সিলের রেজুলেশন, মানবাধিকারের মান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে একমত হয়ে ভারত শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও তাদের সম্মান রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহবান থাকা উচিত। বিশেষত তাদের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা অধিকারের বিষয়ে’।


Magazine