সকাল বেলা হঠাৎ করে হাঁচি দিলাম যখন
পাশে থেকে বউটা ভয়ে লাফিয়ে উঠল তখন।
দুপুর বেলা হঠাৎ করে গায়ে এলো জ্বর
বন্ধুরা সব চিৎকার করে বলল এখান থেকে সর।
মাথা ব্যাথা নিয়েই যখন চলে আসলাম বাড়ি
বউটা দেখি বাচ্চা নিয়ে চলছে বাবার বাড়ি।
বললাম তারে কোথায় যাও গো কথা বলো না
করোনাতে ধরেছে তোমায় তাও কি বোঝ না।
সন্ধা বেলা গলা ব্যাথায় ভয় পেয়ে যাই আমি
মনে হলো সত্যিই আমি করোনার আসামি।
ডাক্তার যখন রক্ত নিল পুলিশ আসল তখন
লাল ফিতা সব বেঁধে দিল বাড়ি লকডাউন।
দূরে গেল আশেপাশে আপন যারা ছিল
করোনা ভাইরাস এখন আমায় মানুষ চেনালো।
বাড়িতে শুধু মা রয়েছে সবাই গেছে চলে
মাঝে মাঝে কিছু মানুষ মোবাইলে কথা বলে।
মহা বিপদে পাশে শুধু পড়ে রইল মা
তাইতো বলি মাগো তোমার নেইকো তুলনা।
আস্তে আস্তে জ্বর তো গেলই গেল সর্দি-কাশি,
এখন আমি ভালোই আছি নেইতো কোনো হাঁচি।
হাসতে হাসতে বউটা এসে কামড় দিয়ে জিভ
বলল আমায় দেখো তোমার রিপোর্ট নেগেটিভ।
শুধু শুধুই কষ্ট দিলাম ক্ষমা করো মোরে
শত বিপদেও যাব না আর আমি কভু তোমায় ছেড়ে।
করোনা তুমি শিখিয়ে দিলে কে আপন কে পর
মায়ের চাইতে নেই তো আপন বাকি সবাই পর।
-আব্দুর রহমান বিন জামিল
অধ্যক্ষ, জামি‘আহ দারুল ইহসান আল-আরাবিয়্যাহ,
কালনী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।