কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২৭) : যমযম কূপের পানির পৃথক কোনো গুণাগুণ বা ঔষধী গুণ আছে কি?

উত্তর : যমযমের পানিতে অনেক গুণাগুণ, ফযীলত ও রোগমুক্তি আছে। আবু যার রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীছে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ إِنَّهَا طَعَامُ طُعْمٍ ‘এটি অতিশয় বরকতময়। এটি খাদ্যগুণ সমৃদ্ধ’ (যা অন্যান্য খাবারের মতো পেট পূর্ণ করে দেয়) (ছহীহ মুসলিম, হা/৬৩৫৯)। আবুদাঊদ আত-ত্বায়ালাসী তার ‘মুসনাদ’-এ মুসলিমের সনদে হাদীছটি বর্ণনা করেন এবং তিনি নিমেণাক্ত বাক্যটি উল্লেখ করেন, وشِفاءُ سَقْمٍ ‘আর এটি রোগ-ব্যাধি নিরাময়কারী’ (মুসনাদে ত্বায়ালাসী, হা/৪৫৯; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১১৬২, সনদ ছহীহ)। যমযম পানির ফযীলত সম্পর্কে ইবনে আববাস রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘ভূ-পৃষ্ঠের সেরা পানি হলো যমযমের পানি। এর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিকর খাদ্য এবং রোগ হতে আরোগ্য’ (ত্বাবারানী মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/৩৯১২; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১১৬১; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/১০৫৬, সনদ হাসান)। জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ ‘যমযম পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হবে, সে উদ্দেশ্যই পূরণ হবে’ (ইবনে মাজাহ, হা/৩০৬২; আল-মুসতাদরাক ‘আলাছ ছহীহাইন, হা/১৭৩৯; ইরওয়াউল গালীল, হা/১১২৩, সনদ ছহীহ)।

-নূর মুহাম্মদ

সৈয়দপুর, নীলফামারী।


Magazine