মহান আল্লাহর এই বিশাল সৃষ্টিজগতে সময়ের বিবর্তন আসলে এক মহানিদর্শন। সময়ের আবর্তনে মানুষ বড় হয় এবং তার চারপাশের পরিচিত জগতটাও বদলে যায় চোখের পলকে। আশি বা নব্বই দশকের সেই বহুল আলোচিত সোনালি দিনগুলো সরাসরি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। কিন্তু শৈশব থেকেই বড়দের মুখে সেই সময়ের ঈদের যে বর্ণনা আমি শুনেছি, তাতে আমার মনে হয় যে, আমরা আসলে এক অদ্ভুত যান্ত্রিক আধুনিকতার যুগে জন্মেছি। আমাদের এখনকার জীবনে সুযোগ-সুবিধা অনেক থাকলেও হৃদয়ের সেই অকৃত্রিম টানটুকু কোথাও যেন ফিকে হয়ে আসছে। আজ ২০২৬ সালের এই ব্যস্ত নগরে দাঁড়িয়ে, যখন বড়দের স্মৃতির সাথে আজকের ঈদের তুলনা করি, তখন বারবার মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা কি কেবল যান্ত্রিক উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে ওপরেই উঠেছি, নাকি উৎসবের সেই আসল আত্মাটুকু কোথাও হারিয়ে ফেলেছি?
১. ঈদুল ফিতর: ধৈর্য ও প্রতীক্ষার এক মাস
বড়দের মুখে শোনা গল্পের মাধ্যমে আমি যখন সেই পুরনো দিনগুলোকে কল্পনা করি, তখন সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঈদুল ফিতরের সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার ছবি। বড়রা বলতেন, তাঁদের সময়ে ঈদের আনন্দ শুরু হতো মূলত ১৫ রামাযানের পর থেকেই। তখন ঈদ মানেই ছিল ধৈর্যের সাথে দীর্ঘ একটি মাস অপেক্ষা করা। আজকের মতো যখন তখন অনলাইনে অর্ডার দেওয়া কিংবা এসির নিচে বসে শপিং মলের চাকচিক্য দেখার সুযোগ তাঁদের ছিল না। আমাদের সময়ে এখন মোবাইল হাতে নিলেই দুনিয়ার সব পোশাক চোখের সামনে চলে আসে, কিন্তু তাঁদের সময় বাবা যখন মাসের মাঝামাঝি কোনো একদিন ঈদের বাজার করে আনতেন, সেটিই ছিল বাড়ির ছোটদের কাছে বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। সেই সাদামাটা সুতি কাপড়ের জামার ভাঁজ খুললেই নতুনত্বের এক কড়া ঘ্রাণ নাকে আসত। আব্বুর মুখে শুনেছি, সেই নতুন কাপড়ের ঘ্রাণেই নাকি তাঁদের ঈদের আসল আমেজ শুরু হতো। জামাটি আলমারির সবচেয়ে গভীর কোণে সযত্নে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে কোনো বন্ধু বা ভাই তা আগে না দেখে ফেলে। আজ আমাদের আলমারি ডিজাইনার পোশাকে ঠাসা থাকলেও, সেই একটি নতুন জামার জন্য তীব্র প্রতীক্ষার সুখটুকু আমরা হয়তো বর্তমান যুগে আর সেভাবে অনুভব করতে পারি না।
চাঁদ রাতের সেই অকল্পনীয় রোমাঞ্চের কথা, যা এখন আমাদের কাছে রূপকথার মতো মনে হয়। তখন নাকি রেডিওর নব ঘুরিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষণা শোনার জন্য বাড়ির সবাই কান পেতে বসে থাকত। হঠাৎ যখন সেই চিরচেনা গানটি বেজে উঠত, ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’, তখন নাকি চারপাশ এক ভীষণ খুশিতে ভরে উঠত। পাড়ার সব ছেলেমেয়ে মিলে সরু সুতোর মতো সেই বাঁকা চাঁদ দেখার জন্য বাড়ির ছাদে কিংবা খোলা মাঠে দৌড়াদৌড়ি করত। এখন আমাদের স্মার্টফোনের অ্যাপে চাঁদ দেখার খবর অনেক আগেই চলে আসে, কিন্তু নিজের চোখে সেই বাঁকা চাঁদ দেখার রোমাঞ্চটুকু আজ যান্ত্রিকতায় ঢাকা পড়েছে।
২. ঈদুল আযহা: আনুগত্য ও ত্যাগের মহিমা
এরপর যখন ঈদুল আযহার কথা শুনি, তখন মনে হয়- সেই কুরবানীর ঈদের রূপ বড়দের গল্পে ছিল আরও বেশি মায়াবী এবং ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল। বাবার হাত ধরে সেই কাদামাখা গরু-ছাগলের হাটে যাওয়ার আনন্দটাই ছিল তাঁদের কাছে অন্যরকম। কার গরু কত সুন্দর, কিংবা কে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কত ভালো পশু কিনল, এই নিয়ে পাড়ার মোড়ে মোড়ে চলত নির্মল আলোচনা। পশু বাড়িতে আসার পর থেকে তাকে ঘাস খাওয়ানো কিংবা যত্ন করার মধ্য দিয়ে এক ধরনের মমতা তৈরি হতো। কুরবানীর সকালে যখন সেই পশুকে আল্লাহর রাহে যবেহ করার সময় আসত, তখন মনের কোণে যে সূক্ষ্ম হাহাকার জমা হতো, সেটিই ছিল নিজের প্রিয় জিনিসের মায়া ত্যাগ করে রবের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের আসল শিক্ষা।
কিন্তু আজকের যান্ত্রিক যুগে সেই ত্যাগের পরিবেশ কোথায়? এখন ডিজিটাল হাট থেকে ক্লিক করে গরু কেনা হয় এবং অনেক সময় পশু সরাসরি খামার থেকে কসাইখানায় চলে যায়। বাড়ির আঙিনায় পশুর ডাক আর ত্যাগের সেই পবিত্র আবহাওয়া এখন আর আগের মতো পাওয়া যায় না। কুরবানী এখন অনেকের কাছে কেবল একটি বাৎসরিক আর্থিক লেনদেন, কিংবা সামাজিক মর্যাদা প্রকাশের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
৩. খাবারের টেবিলে সেই অকৃত্রিম ছোঁয়া:
খাবারের টেবিলের সেই অকৃত্রিম ছোঁয়ার কথা যদি বলি, তবে বড়দের কাছে শোনা সেই খাবারের স্বাদ হয়তো আমরা এখনকার নামিদামি রেস্টুরেন্টে গিয়েও পাব না। আগের সময়ের দুই ঈদেই খাবারের আয়োজন ছিল একেবারেই ঘরোয়া এবং আন্তরিক। ঈদুল ফিতরে মা-চাচিদের হাতে তৈরি সেই হাতে কাটা সেমাই কিংবা ক্ষীরের যে অকৃত্রিম স্বাদ ছিল, তা আজ আধুনিক শেফদের রান্নায় খুঁজে পাওয়া ভার। সারারাত জেগে মশলা বাটা আর উনুনের ধারে বসে রান্নার সেই ব্যস্ততার মধ্যে এক ধরনের পারিবারিক ঐক্য ছিল, যা বর্তমানের অর্ডার করা খাবারে কল্পনাও করা যায় না।
বড়দের মুখে শোনা সেই মেহমানদারির গল্পগুলো আজ আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়। তখন নাকি কারো বাড়িতে যাওয়ার জন্য দাওয়াতের প্রয়োজন হতো না। এক বাড়িতে রান্না হলে প্রতিবেশীরা সেখানে অবলীলায় চলে আসত এবং আনন্দের ভাগ নিত। আজ আমরা আভিজাত্য কিংবা প্রাইভেসি রক্ষার দোহাই দিয়ে নিজেদের গেট বন্ধ করে রাখি। সেই মেঠোপথের অকৃত্রিম মেলামেশা আজ নগরের উঁচু ফ্ল্যাটবাড়িতে বন্দি হয়ে গেছে।
৪. ঈদ কার্ড বনাম যান্ত্রিক শুভেচ্ছা:
মনে পড়ে বড়দের বলা সেই রঙিন ঈদ কার্ডের কথা, যা এখন আমাদের কাছে শুধুই ইতিহাস। সামান্য কয়েকটা টাকা জমিয়ে দোকান থেকে বেছে বেছে কার্ড কেনা, আর পরম মমতায় তাতে হাতে লিখে ঈদ মোবারক জানানো, ছিল এক বিশাল আবেগের বিষয়। ডাকপিয়ন যখন সেই কার্ডগুলো বিলি করত, তখন মনে হতো প্রিয় কোনো মানুষের দু‘আ সরাসরি হাতে পাওয়া গেল। কার্ডগুলো নাকি বছরের পর বছর বইয়ের ভাঁজে আগলে রাখা হতো।
আজ আমরা হোয়াটসঅ্যাপে একটি কপি-পেস্ট করা মেসেজ বা ফরোয়ার্ড করা ভিডিওর বন্যায় ভেসে যাই। এখানে আন্তরিকতার কোনো অবকাশ নেই এবং নেই কোনো ব্যক্তিগত ছোঁয়া। মেসেজের রিপ্লাই দিতে দিতেই আমাদের ঈদের অনেকটা সময় পার হয়ে যায়। আমরা আসলে এখন মানুষকে হৃদয়ের চেয়ে মোবাইল স্ক্রিনেই বেশি খুঁজি, যা আমাদের একাকিত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে।
৫. নির্মল বিনোদন ও হারানো মেলা:
আগেকার মেলাগুলোর কথাও বড়দের মুখে অনেক শুনেছি। ঈদের দিন বিকেলে পাড়ার খোলা মাঠে ছোটখাটো মেলা বসত, যেখানে নাগরদোলা বা মাটির খেলনা ছিল প্রধান আকর্ষণ। বড়দের কাছ থেকে পাওয়া সালামির সেই সামান্য কয়েকটা টাকা দিয়ে মেলায় গিয়ে যা কেনা হতো, তাতেই ছিল অফুরন্ত তৃপ্তি। আজ সেই নির্মল বিনোদনগুলো হারিয়ে গেছে।
এখনকার তরুণ প্রজন্মের কাছে ঈদ মানে নেটফ্লিক্সে মগ্ন থাকা, কিংবা গেমিং জোনে গিয়ে সময় কাটানো। ডিজিটাল লাইক আর কমেন্টের সংখ্যার ওপর এখন আমাদের ঈদের সার্থকতা নির্ভর করে, যা সত্যিই ভাবনার বিষয়। মানুষের সাথে মানুষের যে সরাসরি আড্ডা আর প্রাণখোলা হাসাহাসি ছিল, তা আজ যান্ত্রিক পর্দার আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে।
৬. নাড়ির টান বনাম পর্যটন:
অতীতের ঈদের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। যত কষ্টই হোক না কেন, বড়রা গ্রামের টানে ছুটে যেতেন। প্রবীণদের সালাম করা, আর শৈশবের বন্ধুদের সাথে মেঠোপথে আড্ডা দেওয়া ছিল ঈদের আসল প্রাণ। কিন্তু বর্তমানে আমাদের ঝোঁক বদলে গেছে।
এখন আমাদের কাছে ঈদের ছুটি মানেই হলো কোনো পর্যটন স্পটে ঘুরতে যাওয়া। পারিবারিক মিলনমেলার জায়গা দখল করেছে বিলাসবহুল ট্যুর। এতে করে আমাদের আত্মীয়তার বন্ধনগুলো দিন দিন শিথিল হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান প্রজন্ম তাদের মূল শেকড় ও পারিবারিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আগের মতো আর কিছুই জানতে পারছে না। গ্রামে যাওয়ার সেই আনন্দ আর মাটির ঘ্রাণ এখনকার পর্যটন কেন্দ্রের কৃত্রিমতায় খুঁজে পাওয়া অসম্ভব।
৭. সামাজিক বিবর্তন ও বৈষম্য:
অতীতের ঈদে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধানটা অন্তত উৎসবের দিনটিতে ঘুচে যেত। যাকাত আর ফিতরার টাকা পৌঁছে দেওয়া হতো সরাসরি মানুষের হাতে। পাড়ার সচ্ছল পরিবারগুলো খেয়াল রাখত, যেন দরিদ্র শিশুটিও নতুন পোশাক পরে ঈদগাহে আসে। আজ যাকাত হয়ে গেছে অনেক ক্ষেত্রে লোকদেখানো প্রদর্শন, যেখানে মানুষের সম্মানের চেয়ে নিজের প্রচারই বেশি থাকে।
অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এক ধরনের বড়ত্ব প্রকাশের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। কার পশু কত দামি, বা কার পোশাক কত দামি, এই তথ্যগুলো যখন আমরা প্রচার করি, তখন সামর্থ্যহীনদের মনে হীনম্মন্যতা তৈরি হতে পারে। অতীতের ঈদ ছিল আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার, আর বর্তমানের ঈদ অনেক ক্ষেত্রে হয়েছে আনন্দ দেখানোর।
৮. আধ্যাত্মিকতা ও তাক্বওয়ার গুরুত্ব:
ঈদের যে মূল ধর্মীয় শিক্ষা, অর্থাৎ সংযম এবং তাক্বওয়া, তা যান্ত্রিকতার ভিড়ে আজ যেন কোথাও গৌণ হয়ে যাচ্ছে। ঈদুল ফিতরের ছিয়াম সাধনা আমাদের শিখায় ধৈর্য ও মিতব্যয়িতা। কিন্তু ঈদের দিন আমরা যে পরিমাণ অপচয় করি, তা কি সেই শিক্ষার সাথে একদমই যায়?
একইভাবে ঈদুল আযহায় পশু কুরবানী মানে নিজের ভেতরের অহংকার আর পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়া। কিন্তু আমরা পশুর গলায় ছুরি চালালেও নিজেদের জেদ, হিংসা আর ঘৃণা বিসর্জন দিতে পারছি কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। বর্তমানের আলোকসজ্জার আড়ালে সেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তিটুকু খুঁজে পাওয়া আজ আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকদেখানো আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে মনের পবিত্রতা আজ অনেক বেশি জরুরী।
৯. প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার:
অবশ্যই প্রযুক্তির কিছু ইতিবাচক দিক আছে, যা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। আজ প্রবাসে থাকা প্রিয় মানুষটি ভিডিও কলের মাধ্যমে নিমিষেই পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে, যা আমাদের জন্য আল্লাহর এক বড় নেয়ামত। টাকার অভাবে যারা ঈদে বাড়ি যেতে পারে না, তারা অন্তত প্রিয়জনের হাসিটুকু দেখে সান্ত্বনা পায়।
কিন্তু এই প্রযুক্তির অতি ব্যবহার যেন আমাদের সরাসরি সামাজিক মেলামেশার পথে বাধা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরী। আমরা এখন একই ঘরে বসে খাবার খাই, কিন্তু সবাই সবার স্মার্টফোনে মগ্ন থাকি। আমাদের শারীরিক উপস্থিতি থাকলেও, মানসিকভাবে আমরা যেন একে অপরের থেকে যোজন যোজন দূরে সরে যাচ্ছি।
১০. উপসংহার: তাক্বওয়া ও মানবিক আগামীর প্রত্যাশায়
আসলে পরিবর্তনই পৃথিবীর নিয়ম এবং একে মেনে নিতেই হবে। তবে আধুনিক হওয়ার মানে এই নয় যে, আমরা আমাদের দ্বীনি মূল্যবোধ আর ঐতিহ্যকে বিসর্জন দেব। বড়দের কাছে শোনা সেই অকৃত্রিম ঈদের গল্পগুলো আমাদের বারবার একটি কথাই শিখিয়ে দেয়, আনন্দ মানে কেবল বস্তুগত ভোগ কিংবা প্রদর্শন নয়, বরং আনন্দ মানে হচ্ছে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধাবোধ।
এবারের ঈদে আসুন, আমরা অন্তত কিছু সময়ের জন্য এই ডিজিটাল পর্দা থেকে বেরিয়ে আসি। মোবাইলটা একপাশে সরিয়ে রেখে প্রিয়জনের সাথে সরাসরি কথা বলি এবং পাড়া-প্রতিবেশীর খোঁজ নিই। ঈদ মানে তো আসলে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করা এবং আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়া। সেই ভাগাভাগিটা হোক হৃদয়ে হৃদয়ে, কোনো সামাজিক মাধ্যমের ওয়ালে নয়।
অতীতের সেই সোনালি ঐতিহ্যগুলো আমাদের জীবনের পাথেয় হয়ে থাকুক। সবাইকে দুই ঈদের অকাল শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের উৎসবগুলো আবার তার হারানো মহিমা ও প্রাণ ফিরে পাক প্রতিটি মানুষের অন্তরে। কোনো যান্ত্রিক রোশনাই যেন আমাদের হৃদয়ের সেই অকৃত্রিম আলোকে নিভিয়ে দিতে না পারে।
আতাউল্লাহ বিন আবুল কালাম আজাদ
দাওরায়ে হাদীছ ফারেগ, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী
