উত্তর : মৃত্যুর পূর্বে সকল কল্যানের দু‘আ বেশি বেশি পাঠ করা উচিত। যেমন, শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থানা করা, মৃত্যু যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাওয়া ইত্যাদি। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু শয্যায় বলেছিলেন, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَأَلْحِقْنِى بِالرَّفِيقِ الأَعْلَى ‘আল্লাহুম্মাগফির-লী ওয়ার হামনী ওয়া আল-হিক্বনী বির রফীক্বিল আ‘লা’। অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর, আর আমাকে মহান বন্ধুর সাথে মিলিত কর (বুখারী, হা/৫৬৭৪)। অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি বলতেন, لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٍ ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ইন্না লিল-মাওতে সাকারাতিন’ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। সত্যিই মৃত্যুযন্ত্রণা কঠিন’ (বুখারী, হা/৪৪৪৯; মিশকাত, হা/৫৯৫৯)। তাছাড়া বিশেষভাবে মৃত যন্ত্রণায় নিপতিত ব্যক্তিকে কালিমার তালকিন দেওয়া যরূরী। ইয়াহইয়া ইবনু উমারাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু সাঈদ আল খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছি, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা মুমূর্ষ ব্যক্তিকে ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’র তালকীন দাও’ (মুসলিম, হা/৯১৬-১৭; মিশকাত, হা/১৬১৬)।
-সাদিয়া, ফেনী।
