জুন ও জুলাই মাসে ভারতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও বৈষম্যের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে আসামসহ কয়েকটি রাজ্যে উচ্ছেদ অভিযান, মসজিদ-মাদরাসায় অভিযান এবং বাংলাভাষী মুসলিমদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বৈধ ভারতীয় মুসলিম নাগরিকদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ আখ্যা দিয়ে সীমান্তে পুশব্যাকের অভিযোগও উঠেছে। কলকাতায় ‘নিট’ আন্দোলনের সময় মুসলিম তরুণদের লক্ষ্য করে গ্রেপ্তার ও মামলার অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
এদিকে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১৩৬ বছর পুরোনো গৌরীপুর জামে মসজিদে সাধারণ মুছল্লীদের জামাআতে ছালাত সাময়িকভাবে স্থগিত করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কারণ দেখালেও মসজিদ কর্তৃপক্ষ এটিকে ধর্মীয় অধিকার চর্চায় বাধা হিসেবে দেখছে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের ভোজশালা–কামাল মওলা মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট মূল চত্বরে জুমআর ছালাতের অনুমতি দেয়নি এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাটির বর্তমান অবস্থা অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ বহাল রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক আদিনা মসজিদকে ঘিরেও নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ধর্মীয় কর্মসূচির ঘোষণার পর ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বিভাগ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামSI) জানিয়েছে, সংরক্ষিত এ ঐতিহাসিক স্থাপনায় নতুন ধর্মীয় স্থাপনা বা আচার-অনুষ্ঠান আইনসম্মত নয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
