কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (২৮) : রাফউল ইয়াদায়েন করার কারণে অনেকেই ঠাট্টা-বিদ্রুপ ও গালিগালাজ করে। এমতাবস্থায় যদি তাদেরকে ঘৃণা করা হয় তাহলে কি অহংকার করা হবে?

উত্তর : শারঈ কোনো বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলে তা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। মহান আল্লাহ বলেন, আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, আমরা তো কথার কথা বলে ছিলাম এবং হাসি-তামাশা করেছিলাম। তুমি বলে দাও, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং রাসূলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করছিলে? ছলনা করো না, তোমরা ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গেছ’ (আত-তওবা, ৬৫-৬৬)। সুতরাং সুন্নাহর প্রতি আমল করার কারণে অন্যের ঠাট্টা-বিদ্রুপের কোনো মূল্য ইসলামে নেই। তবে কেউ ঠাট্টা-বিদ্রুপ ও গালমন্দ করলে তাকে ঘৃণা করা যাবে না। বরং উত্তম আচরণের মাধ্যমে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। কেননা আল্লাহ মন্দের প্রতি-উত্তর উত্তম পন্থায় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না। উৎকৃষ্ট দ্বারা মন্দ প্রতিহত করো’ (ফুসসিলাত, ৩৪)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা আহলে কিতাবদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করো উত্তম পন্থায়’ (আল-আনকাবূত, ৪৬)। একান্ত গোঁড়ামিতা অবলম্বন করলে, নিশ্চুপ থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘রহমানের বান্দা তারাই যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন মূর্খরা সম্বোধন করে, তখন তারা বলে ‘সালাম’ (তর্ক এড়িয়ে চলে) (আল-ফুরক্বান, ৬৩)।

 প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ

পীরগঞ্জ, রংপুর।

Magazine