কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (৫): আল-কুরআন অবমাননাকারীর বিধান ও শাস্তি কী? অবমাননাকারীর শাস্তি কারা দিবে? সাধারণ জনগণ কি অবমাননাকারীকে শাস্তি দিতে পারে?দলীলসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে চাই ।

উত্তর: কুরআনুল কারীম অবমাননা করা কুফরী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আপনি তাদেরকে প্রশ্ন করলে অবশ্যই তারা বলবে, আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও খেলা-তামাশা করছিলাম। বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলকে বিদ্রূপ করছিলে? তোমরা ওযর পেশ করো না। তোমরা তো ঈমান আনার পর কুফরী করেছ’ (আত-তাওবা, ৯/৬৫-৬৬)। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কুরআন নিয়ে বিতর্ক (বিবাদ) করা কুফরী’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৩)। অবমাননাকারী ব্যক্তির হদ্দ (শাস্তি) হল মৃত্যুদণ্ড, যা কার্যকর করার অধিকার শুধুমাত্র শাসক বা তার প্রতিনিধি (নায়েব) এর। এটির উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের কল্যাণ রক্ষা করা, তাদের জীবন, সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করা। শাসক সক্ষমতা রাখেন তার প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে, জনসাধারণের প্রতি বাধ্যবাধকতা ও আনুগত্যের কারণে। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে হদ্দ কার্যকর করতেন এবং তাঁর পরে খলীফারা ও তাদের পক্ষের শাসকরাও একইভাবে হদ্দ কার্যকর করেছেন।

প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার

হারাগাছ, রংপুর।


Magazine