উত্তর : সকল প্রকার নেশাজাত দ্রব্য হারাম। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ ‘সকল নেশাজাত দ্রব্য মদ এবং সকল নেশাজাত দ্রব্য হারাম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২০০৩; মিশকাত, হা/৩৬৩৯)। তিনি আরও বলেন, مَا أَسْكَرَ كَثِيْرُهُ فَقَلِيْلُهُ حَرَامٌ ‘যা বেশি খেলে মাদকতা আনে, তার কমটাও হারাম’ (তিরমিযী, হা/১৮৬৫; আবুদাঊদ, হা/৩৬৮১; ইবনু মাজাহ, হা/৩৩৯৩; মিশকাত, হা/৩৬৪৫)। এমতাবস্থায় ছালাত আদায় করলে তা কবুল হবে না। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সে ছালাত ছেড়ে দিবে। নেশা করা অবস্থাতেও তাকে ছালাত আদায় করতে হবে। নেশার কারণে ছালাত কবুল নাহলেও সে ছালাত পরিত্যাগ করার গুনাহ থেকে বেচে যাবে। শুধু তাই নয়; এমন ব্যক্তি নিয়মিত ছালাত আদায় করতে থাকলে নেশাসহ যেসব অন্যায় তার মধ্যে আছে মহান আল্লাহ সেগুলো দূর করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। কেননা মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই ছালাত যাবতীয় অশস্নীল ও পাপ কাজ হতে বিরত রাখে’ (আনকাবূত, ৭৫)। আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, অমুক ব্যক্তি রাতে ছালাত আদায় করে আর সকালে চুরি করে। তিনি বললেন, তুমি যা বলছ অচিরেই তার ছালাত তাকে এ অন্যায় হতে বিরত রাখবে (মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৭৭৭, সনদ ছহীহ; মিশকাত, হা/১২৩৭; ইবনে কাছীর, সূরা আনকাবূত ৪৫ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র.)।
-মুবারক
শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
