উত্তর : রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুঅত প্রাপ্তির পর থেকেই ছালাত ফরয হয়। তবে তখন ছালাত ছিল কেবল ফজরে ও আছরে দু’ দু’রাক‘আত করে (কুরতুবী)। যেমন মহান আল্লাহ স্বীয় রাসূলকে বলেন, وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِالْعَشِيِّ وَالْإِبْكَارِ ‘আপনি আপনার প্রভুর প্রশংসা জ্ঞাপন করুন সূর্যাসেত্মর পূর্বে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে’ (গাফির/মুমিন, ৫৫; মিরআত, ২/২৬৯ পৃঃ)। আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা বলেন, শুরুতে ছালাত বাড়ীতে ও সফরে ছিল দু’ দু’রাক‘আত করে (মুসলিম, হা/৬৮৫; আবুদাঊদ, হা/১১৯৮; ফিক্বহুস সুন্নাহ, ১/২১১)। এছাড়া রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য ‘অতিরিক্ত’ (نَافِلَةً) ছিল তাহাজ্জুদের ছালাত (বানী ইসরাঈল, ৭৯)। সেই সাথে ছাহাবীগণও নিয়মিতভাবে রাত্রির নফল ছালাত আদায় করতেন (মুযযাম্মিল, ২০; তাফসীরে কুরতুবী)। তবে বর্তমানে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত (ফজর, যোহর, আছর, মাগরিব ও এশা) মুসলিমগণ আদায় করে থাকেন তা রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি মি‘রাজের রাত্রিতে ফরয করা হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৩৮৮৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২; মিশকাত, হা/৫৮৬২-৬৫)।
আক্বীমুল ইসলাম
জোতপাড়া, ঠাকুরগাঁও।
