রামাযানের পরের মাস শাওয়াল। এ মাসের ছিয়ামের গুরুত্ব ও ফযীলত অনেক। এ মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত গুরুত্ববহ। কারণ রামাযানের ছিয়াম পালনকারীরা এ মাসের ছয়টি ছিয়াম রাখলেই সারা বছর ছিয়াম রাখার ছওয়াব পায়। এ সম্পর্কে হাদীছে বেশ কিছু বর্ণনা রয়েছে, বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে আমরা পর্যায়ক্রমে সেগুলো আলোচনা করব।
শাওয়াল মাসের নামকরণের কারণ:
শাওয়াল আরবী বর্ষপঞ্জির দশম মাস। শাওয়াল শব্দের অর্থ হলো উঁচু হওয়া, উপরে তুলে ধরা, উঠানো, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি। শাওয়াল মাসের নামকরণ নিয়ে একাধিক মতামত পরিলক্ষিত হয়। যেমন—
(ক) এ মাসে উট উটনীর সাথে মিলিত হতো এবং আনন্দে আত্মহারা হয়ে লেজ উপরে উঠিয়ে রাখত। এ দিকে লক্ষ রেখে এ মাসের নাম রাখা হয় শাওয়াল।
(খ) শাওয়ালের একটি অর্থ হলো হ্রাস পাওয়া বা কমে যাওয়া। বলা হয়ে থাকে, এ মাসে জন্তু-জানোয়ারের দুধ কমে যেত। তাই এ মাসের নামকরণ করা হয়েছে শাওয়াল।
(গ) আরবরা এ মাসে আনন্দ-ফুর্তির উদ্দেশ্যে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ত। তারা খুব তেজোদীপ্ত গতিতে তাদের উটগুলোকে হাঁকিয়ে নিয়ে যেত। ফলে উটগুলো নিজেদের লেজ উপরে উঠিয়ে রাখত। এ দিকে লক্ষ রেখে এ মাসের নাম রাখা হয় শাওয়াল।
(ঘ) আরবরা এ মাসে শিকারের উদ্দেশ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে বন-বাদাড়ে দাপিয়ে বেড়াত। তাদের থেকে বন-বাদাড়ের জীব-জন্তু ভয়ে বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে যেত এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। এ কারণে এ মাসের নাম রাখা হয় শাওয়াল।
(ঙ) একটি দুর্বল হাদীছে শাওয়াল মাসের নামকরণের ব্যাপারে বলা হয়েছে,وَإِنَّمَا سُمِّىَ شَوَّالُ لِأَنَّهُ يَشُوْلُ الْذُنُوْبَ كَمَا تَشُوْلُ النَاقَةُ ذَنَبَهَا ‘এ মাসকে শাওয়াল নাম দেওয়া হয়েছে, কারণ এ মাসে মানুষের গুনাহ উঠিয়ে নেওয়া হয়, যেমন উটনী তার লেজ উঠিয়ে নেয়’।[1]
শাওয়াল মাসের অন্যান্য নাম:
আইয়ামে জাহিলিয়্যাতে এ মাসকে ওয়াইল, আদিল ও জীফল বলা হতো। বর্তমানে অনেক জায়গায় এ মাসকে ‘ঈদের মাস’ বলা হয়। প্রতিটি অর্থের সঙ্গেই শাওয়াল মাসের রয়েছে গভীর সম্পর্ক।
আর শাওয়াল মাসের আমলে উন্নতি লাভ হয়, নেকীর পাল্লা ভারী হয়, আমলে সাফল্য আসে, কল্যাণ প্রত্যাশীরা আল্লাহর কাছে উভয় হাত প্রসারিত করে প্রার্থনায় মগ্ন হয়। মুমিনরা রামাযানের পূর্ণ মাস ছিয়াম পালনের পর আরও কয়েকটি ছিয়াম রাখার আনন্দে বিভোর হয়। যে ছিয়ামের বরকতে বছরজুড়ে ছিয়াম রাখার ছওয়াব মিলে। এ সবই শাওয়াল মাসের আমলের সার্থকতা।
শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম রাখা মূলত সুন্নাত, যেহেতু রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তা আমল করেছেন এবং আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু পরিভাষায় এগুলোকে নফল ছিয়াম বলা হয়। কারণ এগুলো ফরয ও ওয়াজিব নয়; বরং অতিরিক্ত তথা নফল। এ মাসে ছয়টি নফল ছিয়াম রাখা সুন্নত। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যারা রামাযানে ছিয়াম পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি ছিয়াম রাখবে, তারা যেন সারা বছরই ছিয়াম পালন করল’।[2]
সুধী পাঠক! জানার বিষয় হচ্ছে, শাওয়াল মাসের এ ছিয়াম কখন রাখবেন? এ ছিয়াম রাখার উপকারিতা কী? রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম থাকলে এ ছিয়াম রাখার হুকুম কী? এরকম আরও অনেক বিষয় জানার আছে।
মূলত শাওয়াল মাসের যেকোনো সময় এই ছিয়াম রাখা যায়। ধারাবাহিকভাবে বা মাঝে মাঝে বিরতি দিয়েও আদায় করা যায়। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল ছিয়াম রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম প্রসঙ্গে অনেকেরই বিশেষ কিছু প্রশ্ন আছে, যেগুলোর উত্তর অনেকেই জানেন না। তাদের জন্য বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো।
শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল ছিয়াম রাখলে কী উপকার হবে?
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ছিয়াম রাখল, এরপর শাওয়াল মাসে (পুরো শাওয়াল মাসের মধ্যে যেকোনো সময়) ছয়টি ছিয়াম রাখল, সে ব্যক্তি সারা বছর ছিয়াম রাখার সমান ছওয়াব পাবে’।[3]
কেন সারা বছর ছিয়াম রাখার ছওয়াব পাবে?
ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ শাওয়ালের ছয়টি ছিয়ামের ফযীলত সম্পর্কে বলেছেন, রামাযান মাস ২৯ বা ৩০ দিন হয়ে থাকে। যদি ৩০ ধরা হয় আর শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম ধরা হয়, তবে ছিয়াম হয় ৩৬টি। আর আল্লাহ তাআলার ঘোষণা দিয়েছেন, ‘যে ব্যক্তি সৎকর্ম করবে তার জন্য আছে ১০ গুণ পুরস্কার’ (আল-আনআম, ৬/১৬০)।
সেই হিসাবে রামাযান মাসের ৩০টি ছিয়ামকে ১০ দ্বারা গুণ করলে (৩০×১০=৩০০) হয় ৩০০ দিন। আর শাওয়ালের ছয়টি ছিয়ামকে ১০ দ্বারা গুণ করলে (৬×১০=৬০) হয় ৬০ দিন। অতএব, সর্বমোট দিন হয় ৩৬০। আর আরবী বছর হয় ৩৬০ দিনে। এভাবে শাওয়াল মাসের ৬ দিন ছিয়াম রাখলে সারা বছর ছিয়াম রাখার অনুরূপ হয়।
উপর্যুক্ত হিসাব সরাসরি রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও জানিয়ে দিয়েছেন। চলুন সরাসরি তাঁর মুখ থেকে সেই হিসাব শুনি। তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,مَنْ صَامَ سِتَّةَ أَيَّامٍ بَعْدَ الْفِطْرِ كَانَ تَمَامَ السَّنَةِ مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا ‘যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতরের পর ছয় দিন ছিয়াম রাখল, তা পূর্ণ বছর ছিয়াম রাখার সমতুল্য। কেউ কোনো সৎকাজ করলে, সে তার ১০ গুণ পাবে’।[4] অন্য হাদীছে তিনি বলেন,صِيَامُ شَهْرٍ بِعَشَرَةِ أَشْهُرٍ وَسِتَّةُ أَيَّامٍ بَعْدَهُ بِشَهْرِينِ فَذَلِكَ تَمَامُ السَّنَةِ ‘রামাযানের এক মাস ছিয়াম ১০ মাস ছিয়ামের সমান এবং রামাযানের পর ছয় দিন ছিয়াম দুই মাস ছিয়ামের সমান। এভাবে (রামাযানের পুরো মাস ও শাওয়ালের ছয় দিন ছিয়াম) এক বছর ছিয়ামের সমান হয়’।[5]
শাওয়ালের ছিয়াম কি একটানা রাখতে হবে?
শাওয়ালের ছিয়াম কি একটানা রাখতে হবে নাকি বিরতি দিয়ে আলাদা আলাদা রাখা যাবে? এর সঙ্গে ছিয়াম হওয়া বা না হওয়ার বিষয় জড়িত আছে কি না?
এর উত্তর হলো- শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম একটানা না রেখে বিরতি দিয়ে আলাদা আলাদা রাখলেও আদায় হয়ে যাবে। কেউ যদি একটানা ছিয়াম রাখে, তাতেও আদায় হয়ে যাবে। কারণ হাদীছের কোনো বর্ণনায় শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম একসঙ্গে রাখার ব্যাপারে কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি।
শাওয়ালের ছিয়াম রাখার সহজ উপায় কী?
সাপ্তাহিক ও মাসিক (আইয়্যামে বীয) ছিয়ামের সঙ্গে মিল রেখে সহজেই শাওয়ালের ছিয়ামগুলো রাখা যায়। আর এতে বেশি কষ্টও হয় না। কারণ সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার ছিয়াম রাখলেই পুরো মাসে সহজে ছয়টি ছিয়াম রাখা সহজ হয়ে যায়। আবার আইয়্যামে বীযের তিনটি ছিয়াম একসঙ্গে রেখে অন্য সময়ে তিনটি ছিয়াম রাখার মাধ্যমেও ছয়টি ছিয়াম রাখা যায়। তবে কেউ যদি একটানা ছয়টি ছিয়াম রাখে, তাতেও কোনো সমস্যা নেই।
শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম না রেখে পরের কোনো সময় এ ছিয়াম রাখলে হাদীছে ঘোষিত ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
না, শাওয়াল মাস চলে যাওয়ার পর (অন্য মাসে) ছয়টি ছিয়াম (ক্বাযা) রাখলে হাদীছে ঘোষিত ছয়টি ছিয়ামে সারা বছর ছিয়াম রাখার ছওয়াব পাওয়া যাবে না। কারণ ছয়টি ছিয়াম রামাযানের ছিয়াম পালনকারীর জন্য শাওয়াল মাসের মধ্যে রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে। যারা শর্ত পূরণ করতে পারবে, তারাই বছরজুড়ে ছিয়াম রাখার ছওয়াব পাবে। এ ছওয়াব শাওয়াল মাসে ছিয়াম রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
শাওয়াল মাসের ছিয়াম রাখার জন্য তারাবীহ ছালাত পড়তে হবে কি?
না, শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়ামের জন্য তারাবীহ ছালাত আদায় করতে হবে না। রামাযান মাসের ছিয়াম রাখার সময় রাতে যেভাবে তারাবীহ আদায় করা হয়, সেভাবে শাওয়াল মাসের ছিয়ামের জন্য তারাবীহ পড়তে হবে না।
শাওয়াল মাসের ফযীলত ও গুরুত্ব:
শুধুই কি ছওয়াব আর কল্যাণেই সীমাবদ্ধ শাওয়াল মাস ও ছয়টি ছিয়াম? না, এ শাওয়াল মাস ও ছয়টি ছিয়াম শুধু ছওয়াব ও কল্যাণে সীমাবদ্ধ নয়। বরং পুরো বছরই ছিয়ামের আমেজ নিয়ে জীবন কাটানোর বিশেষ সুবিধা দেয়। শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম রাখার ব্যাপারে এমনই ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হাদীছে এসেছে, আবূ আইয়ূব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ছিয়াম রাখল এবং শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম রাখল, এটি (শাওয়ালের ছয় ছিয়াম) তার জন্য সারা বছর ছিয়াম রাখার সমতুল্য’।[6]
(১) গরীবের মুখে হাসি ফোটানোর মাসও শাওয়াল: এ মাসটি গরীবের মুখে হাসি ফোটানোর মাস। ইসলামের অন্যতম প্রধান দুইটি বিনোদনের একটি এ মাসের প্রথম দিন উদযাপিত হয়। সামর্থ্যবান মুসলিমরা এ মাসের প্রথম দিন গরীব-দুঃখী মানুষকে নিজেদের সঙ্গে ঈদ আনন্দে শরীক করতে অকাতরে দান করেন। ঈদগাহে এক কাতারে ছালাত আদায় করেন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক কাতারে দাঁড়ানোর মাধ্যমেই সাম্যের বাণী ঘোষণা করে ইসলাম এবং তা বাস্তবে প্রমাণ করার দিনটি এ মাসেই নির্ধারিত। গরীব-অসহায় মানুষ এ শাওয়ালে হাসিমুখে ধনীদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ উদযাপন করেন, যা বছরের অন্য দিন ও মাসের তুলনায় পুরোপুরি ভিন্ন।
(২) দু‘আ ও ইবাদত কবুলের মাস শাওয়াল: শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম শুধু বছরজুড়ে ছিয়াম পালনের আমেজ ও ছওয়াব পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং যে সময় থেকে শাওয়াল মাস শুরু হয়, সে সময়টি ছিয়াম পালনকারী বান্দার জন্য বিশেষ মূল্যবান।
ঈদের আগের রাত তথা চাঁদরাত বলতে শাওয়ালের প্রথম রাতকেই বুঝানো হয়। এ রাতের ইবাদতকারীর জন্য আল্লাহ তাআলা জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই পান। কেননা এ রাতের কোনো প্রার্থনাকারীকে আল্লাহ তাআলা খালি হাতে ফেরত দেন না।
(৩) আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণার মাস শাওয়াল: হজ্জের মাসের আগে এ শাওয়াল মাসেই আল্লাহ তাআলার তাকবীরের সূচনা হয়। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার পর এটা শুরু হয়। যদিও তা ঈদের ছালাত পড়ার আগ পর্যন্ত পড়তে হয়, কিন্তু আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা শুরু হয় এ শাওয়াল মাসের প্রথম প্রহরে। এ দিক থেকেও শাওয়াল মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা স্বীকৃত। তাকবীর হলো ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’।
(৪) পরিপূর্ণ বরকত ও কল্যাণের মাস শাওয়াল: শাওয়াল শব্দের মধ্যেও এ মাসের মাহাত্ম্য লুকায়িত আছে। শাওয়াল অর্থই হচ্ছে প্রসারিত করা, পূর্ণতা দান করা কিংবা উন্নতকরণ। মূলকথা হলো মহান রাব্বুল আলামীন বান্দার আবেদন-নিবেদনে চাওয়ার হাতকে বরকত ও কল্যাণে ভরপুর করে দেন। আমল-ইবাদত ও ছিয়াম পালনে নিজের আমলকে সমৃদ্ধ ও উন্নত করে নেন মুমিন। ফলে এ মাসে খুব সহজেই মহান রবের সন্তুষ্টি পেয়ে যায় মুমিন।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে বছরজুড়ে ছিয়াম রাখার ছওয়াব ও ভরপুর কল্যাণ পাওয়ার জন্য শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম রাখার তাওফীক্ব দান করুন এবং শাওয়াল মাসের আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফীক্ব দান করুন- আমীন!
ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
চিকিৎসক, কলামিষ্ট ও গবেষক; প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি।
[1]. সিলসিলা যঈফা, হা/১১৬৪।
[2]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪।
[3]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪।
[4]. ইবনু মাজাহ, হা/১৭১৫, হাদীছ ছহীহ।
[5]. নাসাঈ, হা/২৮৭৩, হাদীছ ছহীহ।
[6]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪।
