বেরুলো কোন সে সাতসকালে
ফেরেনি এখনো আপন নীড়ে,
দুপুরের কাঠফাটা রোদে
চলছে সে কোন তেপান্তরে।
দু’মুঠো ভাত খেয়েছে কি তবে
নাকি আজো ক্ষুধার তপস্যা রবে,
দুদিন ধরে জুটেনি কিছু পাতে
তার মাঝে বেরিয়েছে বিহানে।
আসুদা হয়ে খেয়েছিলো যবে
তা আজো মনে করে বলে,
তার সেই পুরনো স্মৃতিচারণে
কপোল যে যায় আজো ভিজে।
কিন্তু এই অভাবের সংসারে
দুঃখ দহ ঘোচাবে কবে,
মধ্যাহ্ন পেরিয়ে, সায়াহ্ন ক্ষণে
অনতিদূর হতে, অচেনা সুর এসে লাগে কানে।
কাজ ফেলে, ফিরে দিকে পাছে
চেনা লোক অচেনা বেশে ফেরে,
যত আকুতি ছিল মনে
আলিঙ্গনে মিটিয়েছে সবে।
আঁখিজল বেয়ে বেয়ে
ফেলিয়েছি পদ তলে,
তথাপি এই সকরুণ অন্তরে
মিলিয়েছি অরুণের বরণে।
-আব্দুল হাসিব বিন আব্দুর রহমান
কুল্লিয়া ১ম বর্ষ, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ,
ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী।
