ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ এবং আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাঈল যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ‘লায়ন্স রোয়ার’ শুরু করেছে। ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতাকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে এই দুই মিত্র দেশ। গত দুই দিনের হামলায় ইরানে ইমাম আয়াতুল্লাহ খামেনী-সহ অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকও রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পাল্টা আক্রমণে ইসরাঈলে ১১ জন এবং কুয়েতে ৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন ও ইসরাঈলি বিমান হামলায় ইরানের নাতাঞ্জ, ইসফাহান ও ফোরদোর পারমাণবিক স্থাপনা এবং অসংখ্য সামরিক ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরাঈল, জিসিসিভুক্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে তেহরানসহ ১০০টিরও বেশি শহরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।
