কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

মিন্নাতুল বারী শারহু ছহীহিল বুখারী (পর্ব-৩)

অধ্যায়ের নামকরণ ও কিছু কথা :

(১) সাধারণত ইমামগণ তাদের গ্রন্থ ‘কিতাব’ দিয়ে শুরু করে থাকেন। যেমন- কিতাবুল ঈমান, কিতাবুছ ছালাত। অতঃপর এই কিতাবগুলোর অধীনে তারা ‘বাব’ বা অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে থাকেন। কিন্তু ইমাম বুখারী ব্যতিক্রম। তিনি তার গ্রন্থ ‘অহি’র বাব দিয়ে শুরু করেছেন। অতঃপর কিতাব আরম্ভ করেছেন। কেননা, সকল কিতাবের উৎস অহি। কিন্তু অহির আলোচনা আবার এমন নয় যে, তার অধীনে অনেক বাব বা অনুচ্ছেদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তিনি বাধ্য হয়ে অহি সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা কোন প্রকার ‘কিতাব’ বা অধ্যায় ছাড়াই শুধুমাত্র ‘বাব’ দিয়ে শেষ করে করেছেন।

(২) ইমাম বুখারী অধ্যায়ের নাম রেখেছেন,

كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الوَحْيِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟

‘রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি অহি কিভাবে আরম্ভ হয়েছিল?’ অনেকেই এই নামকরণের উপর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন যে, ইমাম বুখারী এই অধ্যায়ের অধীনে মোট ৫টি হাদীছ এনেছেন। তন্মধ্যে শুধুমাত্র তৃতীয় হাদীছটির অধ্যায়ের নামের সাথে মিল হয়। বাকী হাদীছগুলোতে অহির আলোচনা থাকলেও অহির প্রারম্ভের আলোচনা নেই। এই অভিযোগের বিভিন্ন জবাব দিয়েছেন মুহাদ্দিছগণ; তন্মধ্যে অধিক বাস্তবসম্মত জবাবটি নিমেণ পেশ করা হল-

ইমাম বুখারী এই ধরনের নাম দিয়ে আরো কয়েকটি অধ্যায় রচনা করেছেন। যেমন, كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الحَيْضِ بَابُ ‘হায়যের প্রারম্ভ কিভাবে?’ ও بَدْءِ الأَذَانِ بَابُ ‘আযানের প্রারম্ভ’।

এই সকল অধ্যায়ের আলোচনা সামনে রাখলে বুঝা যায়, ইমাম বুখারী আরবী بَدْءِ শব্দ দ্বারা ‘শুরু’ বুঝান না; বরং ঐ বিষয় সংশ্লিষ্ট ভূমিকাস্বরূপ কিছু বুঝিয়ে থাকেন। যেখানে ঐ বিষয়ের প্রারম্ভ থেকে শুরু করে পরিচিতিমূলক কিছু আলোচনা উপস্থাপন করা হবে। এই অর্থে গ্রহণ করলে অধ্যায়ে আনীত সকল হাদীছের সাথে অধ্যায়ের নামের একটা সম্পর্ক থাকে।

ছাত্রদের জন্য জ্ঞাতব্য :

প্রথম জ্ঞাতব্য :

كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الوَحْيِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ باب এই বাক্যে ‘বাব’ শব্দটিকে আমরা তিনভাবে পড়তে পারি।

(১) بَابٌ - বাবুন (তানবীনের সাথে)। সেই ক্ষেত্রে এটি হবে খবর, যার মুবতাদা মাহযূফ হচ্ছে, هذا باب আর কায়ফা থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বাক্যটি হবে বাব থেকে বদল।

(২) بَابُ - বাবু (এক পেশের সাথে)। সেই ক্ষেত্রে বাব হবে ‘মুযাফ’ আর পরবর্তী পুরো বাক্যটি হবে ‘মুযাফ ইলাইহি’।

(৩) بابْ - বাব (সাকিনের সাথে)। তখন এটাকে গণনার হিসাবে গণ্য করা হবে। কেননা আরবগণ যখন কোন কিছু গণনা করতেন, তখন তার শেষে সাধারণত সাকিন দিয়ে পড়তেন।

বাব শব্দের পরে যদি পূর্ণ বাক্য থাকে, তাহলে শেষে তানবীন দিয়ে ‘বাবুন’ পড়াই উত্তম। আর যদি বাবের পরে পূর্ণ বাক্য না থাকে বরং মুরাক্কাব নাকেছ বা বাক্যের খণ্ডিত অংশ থাকে, তাহলে বাবকে ‘মুযাফ’ হিসাবে পড়া উত্তম। যেমন-

بَابُ حَلاَوَةِ الإِيمَانِ.

আলোচ্য অধ্যায়ে যদি আমরা বাবের ‘বা’ বর্ণে তানবীন দিয়ে পড়ি, তাহলে পরবর্তীতে আসা وَقَوْلُ اللهِ جَلَّ ذِكْرُهُ এই বাক্যে ক্বওলকে পেশ দিয়ে পড়তে হবে (ক্বওলুল্লাহ)। আর যদি বাবকে মুযাফ হিসাবে পড়ি, তাহলে ক্বওলিল্লাহ (যের দিয়ে) পড়তে হবে। কেননা এটি কায়ফা-এর উপর আতফ।

দ্বিতীয় জ্ঞাতব্য :

(ক) بِالنِّيَّاتِ إِنَّمَا الْأَعْمَالُ এই বাক্যে ‘ইন্নামা’ শব্দটি হাছর বা সীমাবদ্ধতার ফায়দা দেয়। যেমন নাফী-এর পরে ইল্লা আসলে সীমাবদ্ধতার ফায়দা দেয়, ঠিক তেমনি ইন্নামাও সীমাবদ্ধতার ফায়দা দেয়। সেই হিসাবে অর্থ দাঁড়ায়- নিয়্যতের উপরেই নির্ভরশীল সকল আমল।

(খ) আল-আমাল শব্দের আলিফ-লাম ইসতিগরাকের জন্য। উল্লেখ্য, আলিফ-লাম প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত :

(১) আলিফ-লাম আল-জিনসিয়্যাহ (أل الجنسية) : নির্দিষ্ট জাতিসত্তাকে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ ‘নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত রয়েছে’ (আছর, ২)। এখানে ইনসান শব্দের আলিফ-লামটি জিনস বা জাতি বুঝানোর জন্য এসেছে। তথা মানুষ দ্বারা নির্দিষ্ট কোন মানুষ নয়; বরং মানব জাতির সকলকে বুঝানো উদ্দেশ্য।

(২) আলিফ-লাম আল-আহদিয়্যাহ (أل العهدية) : নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে বুঝানোর জন্য ব্যবহার হয়, যে ব্যক্তির উল্লেখ ইতিপূর্বে করা হয়েছে এবং পাঠকের স্মৃতিতে সে রয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেন, فَعَصَى فِرْعَوْنُ الرَّسُولَ ‘আর ফিরাঊন রাসূলকে অস্বীকার করল’ (মুযযাম্মিল, ১৬)। এখানে রাসূল শব্দের আলিফ-লামটি আহদিয়্যাহ তথা নির্দিষ্ট রাসূলকে বুঝানোর জন্য এসেছে। আর সেই নির্দিষ্ট রাসূলের কথা এই আয়াতের পূর্বের আয়াতগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই যে পাঠক আগে থেকে পড়ে আসছিলেন, তিনি এই আয়াত পড়া মাত্রই বুঝতে পারবেন যে, এখানে রাসূল বলতে আগে থেকে যার আলোচনা চলে আসছিল, সেই রাসূলকে বুঝানো হয়েছে। আর তিনি হচ্ছেন মূসা আলাইহিস সালাম।

(৩) আলিফ-লাম আল-ইস্তিগরাকিয়্যাহ (أل الاستغراقية) : এই আলিফ-লাম ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন এই হাদীছে আমাল শব্দের আলিফ-লামটি ইস্তিগরাকিয়্যাহ। তথা কেউ যদি বুঝে যে, নির্দিষ্ট কিছু আমল নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল আর কিছু আমল এমন আছে, যার জন্য নিয়্যতের প্রয়োজন নাই তাহলে সে ভুল বুঝবে। কেননা এখানে আলিফ-লামটি ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য এসেছে, যা প্রমাণ করে সকল আমল নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল।

এই হাদীছের গুরুত্ব : নিয়্যত সংক্রান্ত এই হাদীছটির গুরুত্ব অপরিসীম। নিমেণ এই হাদীছ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের মন্তব্য পেশ করা হল: 

(১) আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

لَوْ صَنَّفْتُ كِتَابًا فِي الْأَبْوَابِ، لَجَعَلْتُ حَدِيثَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي الْأَعْمَالِ بِالنِّيَّاتِ فِي كُلِّ بَابٍ، وَعَنْهُ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ أَرَادَ أَنْ يُصَنِّفَ كِتَابًا، فَلْيَبْدَأْ بِحَدِيثِ" الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ".

‘যদি আমি অধ্যায় আকারে কোন গ্রন্থ লিখতাম, তাহলে প্রত্যেক অধ্যায়ের শুরুতে ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত নিয়্যতের এই হাদীছটি নিয়ে আসতাম। তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তি কোন গ্রন্থ লিখতে চায়, সে যেন তার গ্রন্থের শুরুতে এই হাদীছটি নিয়ে আসে’।[1]

(২)

وقال أبو بكر بن داسة : سمعت أبا داود يقول : كتبت عن النبي عليه الصلاة والسلام خمسمائة ألف حديث انتخبت منها أربعة آلاف حديث وثمانمائة حديث في الأحكام ، فأما أحاديث الزهد والفضائل فلم أخرجها ، ويكفي الإنسان لدينه من ذلك أربعة أحاديث : «الأعمال بالنيات» و«الحلال بين والحرام بين» «ومن حسن إسلام المرء تركه ما لا يعنيه» و«لا يكون المؤمن مؤمنا حتى يرضى لأخيه ما يرضى لنفسه».

‘আবু বকর ইবনু দাসা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি আবুদাঊদ রাহিমাহুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি, আমি প্রায় ৫ লক্ষ হাদীছের মধ্য থেকে ৪৮০০ হাদীছ বাছাই করেছি আহকাম সংক্রান্ত। দুনিয়া বিমুখতা ও ফযীলতের হাদীছ আমি আমার বইয়ে সংকলন করিনি। আর এত সংখ্যক হাদীছের মধ্যে মানুষের দ্বীনের জন্য ৪টি হাদীছই যথেষ্ট:

(ক) ‘নিশ্চয় সকল কাজ নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল’।

(খ) ‘হারাম স্পষ্ট ও হালাল স্পষ্ট। আর এ দু’টির মাঝে রয়েছে কিছু সন্দেহপূর্ণ জিনিস। যে এই সন্দেহপূর্ণ বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকল, সে তার দ্বীন ও সম্মান বাঁচাল’।

(গ) ‘একজন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য হচ্ছে যে, সে অনর্থক কথা ও কাজ পরিত্যাগ করবে’।

(ঘ) ‘ততক্ষণ কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তাই পসন্দ করে, যা সে নিজের জন্য পসন্দ করে’।[2]

(৩)

وقال القاضي عياض : ذكر الأئمة أن هذا الحديث ثلث الإسلام.

‘ক্বাযী ইয়ায রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, ইমামগণ বলেন, এই হাদীছটি ইসলামের তিন ভাগের এক ভাগ’।[3] কেননা ইসলামের সকল আমল তিন ভাগে বিভক্ত। অন্তরের নেক নিয়্যত, মুখের যিকির ও কাজে বাস্তবায়ন। অতএব, নিয়্যতের হাদীছটি ইসলামের তিন ভাগের এক ভাগ বলা যথার্থ।

(৪)

قال الشافعي وغيره : يدخل فيه سبعون بابا من الفقه.

‘ইমাম শাফেঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এই হাদীছের মধ্যে ফিক্বহের সত্তরটি বিষয় সন্নিবেশিত রয়েছে’।[4]

উপরের চারটি মন্তব্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ বহন করে যে, আমাদের আলোচিত নিয়্যত সংক্রান্ত হাদীছটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মুসলিম জীবনের জন্য অপরিহার্য।

লক্ষণীয় যে, ইমাম বুখারী বই শুরু করেছেন নিয়্যত দিয়ে এবং সমগ্র বইয়ে আমলের আলোচনা করেছেন আর বই শেষ করেছেন মৌখিক যিকিরের হাদীছ দিয়ে।

সাবাবে উরূদ : কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার যেমন কিছু কারণ ও প্রেক্ষাপট থাকে, তেমনি বিভিন্ন হাদীছেরও কিছু প্রেক্ষাপট থাকে, যাকে আরবীতে ‘সাবাবে উরূদ’ বা ‘শানে উরূদ’ বলা হয়। এই হাদীছের সাবাবে উরূদ হিসাবেও একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়ে থাকে। নিমেণ ঘটনাটি পেশ করে তার তাহক্বীক্ব ও মুহাদ্দিছগণের মন্তব্য পেশ করা হল।

عن ابن مسعود قال : كان فينا رجل خطب امرأة يقال لها : أم قيس، فأبت أن تتزوجه حتى يهاجر، فهاجر فتزوجها، فكنا نسميه مهاجر أم قيس.

‘ইবনে মাসঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি ছিল, যে উম্মে ক্বায়স নামণী একজন মেয়েকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। মেয়েটি বিবাহে অসম্মতি জানায়, যতক্ষণ না ছেলেটি হিজরত করবে। অগত্যা ছেলেটি বিবাহের জন্য হিজরত করে এবং মেয়েটির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এজন্য আমরা তাকে মুহাজিরে উম্মে ক্বায়স বলতাম’।

তাহক্বীক্ব : ইবনু মান্দা ও আবু নু‘আইমের[5][6] বরাত দিয়ে তাদের সনদে হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী রাহিমাহুল্লাহ তার ‘ইছাবা’ গ্রন্থে ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন।[7] এই সনদকে ইমাম মিযযী তার ‘তাহযীবুল কামাল’[8]-এ ও ইমাম যাহাবী তার ‘সিয়ার’[9]-এ ও ইমাম হায়ছামি তার ‘মাজমাঊয যাওয়ায়েদ’[10]-এ ছহীহ বলেছেন।

ঘটনাটি ছহীহ হিসাবে মেনে নিলেও এই ঘটনাটিই যে, এই হাদীছের শানে উরূদ, তা নিয়ে ওলামায়ে কেরামের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তন্মধ্যে ইবনু তায়মিয়া,[11] ইবনু দাক্বীক্বিল ঈদ[12] ও ইমাম সুয়ূতী[13] প্রমুখ আলেমের মতে এই ঘটনাটির কারণে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই হাদীছটি বলেছেন। অন্যদিকে ইবনে রজব হাম্বলী[14] ও হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী[15] প্রমুখ মুহাদ্দিছের মতে, ঘটনাটি যে এই হাদীছটির শানে উরূদ, তার কোন স্পষ্ট প্রমাণ নেই। আর বাস্তবেই এ মর্মে স্পষ্ট কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।

 (চলবে)


[1]. ইমাম নববী, আল-মিনহাজ, ১৩/৫৩ পৃঃ।

[2]. খাত্ত্বাবী, মা‘আলিমুস সুনান, ৪/৩৬৫ পৃঃ।

[3]. আবুল ওয়ালিদ আল-বাজি, ৭/২১২ পৃঃ; ক্বাযী ইয়ায, ইকমালুল মুলিম, ৬/৩৩২ পৃঃ।

[4]. ইমাম নববী, আল-মিনহাজ, ১৩/৫৩ পৃঃ।

[5]. ইমাম নববী, আল-মিনহাজ, ১৩/৫৩ পৃঃ।

[6]. ইমাম আবু নুয়াইম, মা‘রিফাতুছ ছাহাবা, হা/৮০১৪, ৬/৩৫৪৬ পৃঃ।

[7]. আসক্বালানী, ইসাবা, রাবী নং- ১২২১৫।

[8]. ইমাম মিযযী, তাহযিবুল কামাল, ১৬/১২৬ পৃঃ।

[9]. ইমাম যাহাবী, সিয়ারু আলামিন নুবালা, ১০/৫৯০ পৃঃ।

[10]. ইমাম হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ, ২/১০১ পৃঃ।

[11]. ইবনু তায়মিয়া, মাজমূ‘আ ফাতাওয়া, ১৮/২৫৩ পৃঃ।

[12]. ইবনু দাক্বীক্বুল ঈদ, ইহকামুল আহকাম, ১/১১ পৃঃ।

[13]. ইমাম সুয়ূতী, তাদরীবুর রাবী, ২/৯২৯ পৃঃ; ‘আসবাবুল হাদীছ’ অধ্যায়।

[14]. ইবনু রজব, জামিঊল উলূম ওয়াল হিকাম, ১/৭৪-৭৫ পৃঃ।

[15]. আসক্বালানী, ফাতহুল বারী, ১/১৬ পৃঃ।

Magazine