কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (১৫) : যাদু থেকে বাঁচার উপায় কী?

উত্তর : যাদু থেকে বাঁচার জন্য নিমেণাক্ত নিয়মগুলো অবলম্বন করা যায়। (ক) যাদু দ্বারা আক্রান্ত হলে নিমেণর দু‘আটি সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পাঠ করবে।

بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ إِسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ.

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-ইয়াযুর্রম্ন মা‘আ ইসমিহী শাইয়ুন ফিল্ আর্যি ওয়া লা ফিসসামা-ই ওয়া হুয়াস সামী‘উল ‘আলীম। অর্থ : আমি ঐ আল্লাহ্র নামে শুরু করছি, যাঁর নামে শুরু করলে আসমান ও যমীনের কোন বস্ত্তই কোনরূপ ক্ষতিসাধন করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ (তিরমিযী, হা/৩৩৮৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬৯; আবুদাঊদ, হা/৫০৮৮ মিশকাত, হা/২৩৯১)।

(খ) সকালে সম্ভবপর ৭টি আজওয়া খেজুর খেলে যাদু কোন ক্ষতি করতে পারবে না। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ৭টি আজওয়া খেজুর সকালে খেলো। সেদিন কোন বিষ বা যাদু ক্ষতি করতে পারবে না (ছহীহ বুখারী, হা/৫৪৪৫; তাহক্বীক্ব মিশকাত, হা/৪১৯০)। 

(গ) সূরা নাস ও ফালাক্ব পড়ে শরীরে ফুঁ দিলে যাদু করার পূর্বে বা পরে যাদু কোন ক্ষতি করতে পারবে না। যেমন রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যাদু করা হলে উক্ত সূরা দু’টির ১১টি আয়াত পাঠ করে যাদুর ক্ষতি থেকে তিনি পরিত্রাণ পেয়েছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৬৫-৬৬)।

-নাঈম ইসলাম

শাহমখদু, রাজশাহী।


Magazine