কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক : একটি তথ্য নির্ভর আলোচনায় তার নিরসন

ভূমিকা : ১৪৪০ হিজরী সনের পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ ও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণা নিয়ে এবার সমগ্র বাংলাদেশে এক নযিরবিহীন বিভ্রান্তি ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই বিভ্রান্তি ও বিতর্ক দ্বীনী জ্ঞানের অভাব ও স্বল্পতার কারণে খোদ মুসলিমদের মধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে।

ইফাবা ও হেলাল কমিটির ঘোষণায় যা হল : বেশ কয়েকজনের কাছে এই প্রশ্ন শুনেছি যে, ‘চাঁদ দেখা যায়নি এ খবর এত দেরি করে প্রচার করার পরও আবার কেন বলা হল যে, চাঁদ দেখা গিয়েছে? তাহলে কি রাত ১০ টার পর নতুন চাঁদ উঠলো?’ না, ব্যাপারটি একদ মই এরকম নয়। নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রে জানাগেছে যে, গত ৪ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার আকাশ মেঘে ঢাকা ছিল। তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফাবা) তাদের শাখাস্থ সকল দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে জানতে পেরেছে যে, চাঁদ দেখা যায়নি। তারপরও হেলাল কমিটির প্রতিনিধি দল রাত ৯ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন, কেউ হয়তো তাদেরকে জানাবে যে, চাঁদ দেখা গিয়েছে। কিন্তু তাদের কাছে কোন ফোন বা সংবাদ আসেনি। তাই রাত ৯ টা ৫ মিনিটে ইফাবা ঘোষণা দিল যে, ‘ঈদুল ফিতরের তথা শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি এবং বুধবার নয়; বৃহস্পতিবার সারা বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে’। এটাই যুক্তিসম্মত ঘোষণা। কেননা, আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা রামাযান সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন,لَا تَصُوْمُوْا حَتَّى تَرَوُا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوْا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوْا لَهُ ‘নতুন চাঁদ না দেখে তোমরা ছিয়াম রেখ না এবং চাঁদ না দেখা পর্যন্ত ছিয়াম ভঙ্গ কর না। যদি তোমাদের কাছে আকাশ মেঘাচছন্ন থাকে, তবে তার (ত্রিশ) পূরণ কর’।[1] উল্লেখ্য, সঊদী আরবে যেদিন চাঁদ দেখা যাবে, ঠিক তার পরের দিনই বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবেই- এই কথার শরী‘আতগত কোন ভিত্তি নেই। যদিচ দীর্ঘ দিন থেকেই সঊদী আরবের ঠিক পরের দিনই বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়ে আসছে।

যাহোক, বুধবার নয়; বৃহস্পতিবার সারা বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এ খবর প্রচার হওয়ার ১০ মিনিট পর থেকেই হেলাল কমিটির প্রতিনিধির কাছে ফোন আসতে থাকে যে, দেশের কয়েকটি জেলায় চাঁদ দেখা গিয়েছে। কোথাও ইমাম তার ৩০ জন মুছলস্নীসহ একসাথে চাঁদ দেখেছেন। কোথাও ১১ জন, আবার কোথাও ২ জন একসাথে চাঁদ দেখেছেন। এ সংবাদও এসেছে যে, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা এবং লালমনিরহাটে পাটগ্রাম উপজেলার শতাধিক ব্যক্তি চাঁদ দেখেছেন। এই সংবাদ পাওয়ার পর হেলাল কমিটির বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কারও সাথে ফোনে ও কারও সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। ‘সাক্ষ্যদাতারা তাদের সাক্ষ্যের ব্যাপারে আমানতদার’-এর ওপর ভিত্তি করে অনেক যাচাই-বাছাই করার পর এবং শারঈ পদ্ধতিতে তাদের সাক্ষ্য নেওয়ার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ এডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যে ওলামায়ে কেরামের সাথে মিটিং করে রাত প্রায় ১১ টার দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন যে, আগামীকালই (৫ জুন ২০১৯, বুধবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে ইনশাআল্লাহ। সেই সাথে তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছাও জানান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কেননা ততক্ষণে অনেকেই তারাবীর ছালাত আদায় করেছেন। খোদ ধর্মপ্রতিমন্ত্রীও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তারাবীর ছালাত আদায় করেছেন। অর্থাৎ এবারে বাংলাদেশে ছিয়াম হয়েছে ২৯টি কিন্তু তারাবীহ হয়েছে ৩০টি। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে নযির হয়ে থাকল। অনেকে হয়তো সাহরির সময়ে, আবার অনেকে হয়তো সকালবেলা জানতে পেরেছেন যে, আজকে (৫ জুন ২০১৯, বুধবার) ঈদ। এখানে আসল সমস্যাটা হল যোগাযোগের। কেননা মেঘের কারণে অল্প কিছু মানুষ চাঁদ দেখতে পেরেছেন। কিন্তু যারাওবা দেখেছেন তাদের কাছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অথবা জাতীয় চাঁদ দেখা (হেলাল কমিটি) কমিটির সাথে যোগাযোগ করার মতো সহজলভ্য নাম্বার বা উপায় ছিল না। সেকারণেই ইফাবা ও হেলাল কমিটি এই সংশয়ে পড়েছিল।

চাঁদ দেখা বিষয়ে আমাদের করণীয় : মুমিনের জন্য নিজ দেশের সরকার ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে ঈদ করা রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ। অন্য দেশের খবর তো দূরের কথা যদি কেউ নিজে চাঁদ দেখেন কিন্তু রাষ্ট্র তার সাক্ষ্য গ্রহণ না করে, তাহলে তিনিও একাকী সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিপরীতে ঈদ করতে পারবেন না। রাষ্ট্রীয়ভাবে তার সাক্ষ্য গৃহীত হলেই বা চাঁদ দেখা প্রমাণিত হলেই শুধু ঈদ করা যাবে।[2] রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও সমাজের সিদ্ধান্তের উপরেই আমাদের ঈদ পালন করার নির্দেশ দিয়ে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যেদিন সকল মানুষ ঈদুল ফিতর পালন করবে, সেই দিনই ঈদুল ফিতরের দিন এবং যেদিন সকল মানুষ ঈদুল আযহা পালন করবে, সেই দিনই ঈদুল আযহার দিন’।[3]

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মত ও আমাদের গ্রহণীয় পথ : চাঁদ দেখার সম্ভাবনা আছে এবং বুধবার ঈদ হতে পারে মর্মে অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সংস্থা আগেই বলেছিল। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টারের (আইএসি) ১৪টি দেশের ২৮ জন বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরসহ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে যে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ওমান ও মরক্কোসহ যেসব দেশে গত ৭ মে ২০১৯ ছিয়াম শুরু হয়েছে, সেসব দেশের আকাশে ৪ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে। অর্থাৎ চাঁদের অবস্থান বলছে, ৫ জুন ২০১৯, বুধবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।[4] শুধু বাংলাদেশের অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সংস্থাগুলো নয়, বরং আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সংস্থাগুলোও একই রিপোর্ট দিয়েছিল যে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে মঙ্গলবার ৪ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার খালি চোখে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।[5] লক্ষণীয় যে, এখানে বিশেষজ্ঞরাও সম্ভাবনার কথা বলেছেন, কিন্তু নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। তাই এই সম্ভাবনাকে লুফে নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হেলাল কমিটির দিকে তীর নিক্ষেপ করা মোটেই ঠিক হয়নি। আর আমরাও এই সম্ভাবনায় নিশ্চিত হতে পারিনি। এমনও তো হতে পারতো, বিশেষজ্ঞদের সম্ভাবনা উল্টিয়ে যেত, তখন সমালোচনাকারীরা কী বলতেন! অতীতে এরকম ভুরি ভুরি প্রমাণ মওজূদ আছে যে, বিজ্ঞানীদের শতভাগ সম্ভাবনাও ভেস্তে গেছে।

এবার বাংলাদেশে ঈদ হল তিন দিন ধরে : এবার বাংলাদেশে ঈদ হয়েছে তিন দিন ধরে। প্রথমত, একদল লোক সঊদী আরবের সাথে সঙ্গতি রেখে বরাবরের মতো সাধারণভাবে পালিত ঈদের আগের দিন ঈদ পালন করেছে। যদিচ কুরআন ও ছহীহ হাদীছে এর স্বপক্ষে কোন দলীল নেই বরং এর বিপক্ষেই দলীল রয়েছে।[6] স্মর্তব্য যে, যারা সারা বিশ্বে একই দিনে ঈদ পালন করে, তারা মানুষের মতামতের অনুসরণ করে মাত্র।[7] দ্বিতীয়ত, একদল লোক ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বুধবার (৫ জুন ২০১৯) ঈদ উদযাপন করেছে, যা শরী‘আহ অনুমোদিত। তৃতীয়ত, আরেকদল লোক সরকারের পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে বৃহস্পতিবার (৬ জুন ২০১৯) ঈদ উদযাপন করেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ২০টি এবং দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার পাঁচটি গ্রামসহ কয়েকটি উপজেলার মানুষ বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপন করেছে।[8]

জাতীয় সংসদ উত্তপ্ত হল যখন : গত ১১ জুন ২০১৯, রোজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা ঈদের চাঁদ দেরিতে দেখার ঘোষণা দেওয়ার বিষয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। সেই সাথে ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। এ নিয়ে জাতীয় সংসদ সেদিন অনেকটাই উত্তপ্ত ছিল। আর অনেকেই অজ্ঞতাবশত ধর্মপ্রতিমন্ত্রীকে যেভাবে গালি-গালাজ করেছে, তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে, সরকারের নিন্দা করেছে, তা আদৌ ঠিক হয়নি। কেননা স্বয়ং নববী যুগে নবীজী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। রাতে একবার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর রাতেই সেটা পরিবর্তিত হয়েছে, এমন নয়। বরং ছাহাবায়ে কেরাম সবাই পরদিন ছিয়াম পালন করেছেন। এরপর দুই বেদুঈনের আগমন ও তাদের স্বাক্ষ্যের ভিত্তিতে ছিয়াম রাখার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঈদের ঘোষণা এসেছে। নিমেণাক্ত হাদীছে এ বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে:

রিবঈ ইবনু হিরাশ নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একজন ছাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মানুষ রামাযানের শেষ তারিখ নিয়ে মতানৈক্য করল। ইতিমধ্যে দুইজন গ্রাম্য লোক এসে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আল্লাহ্র নামে সাক্ষ্য দিয়ে বললেন যে, তারা অবশ্যই গতকাল সন্ধ্যায় চাঁদ দেখেছেন। তখন রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনগণকে ছিয়াম ভঙ্গ করার নির্দেশ দান করেন। খালাফ নামক রাবী উক্ত হাদীছের মধ্যে অতিরিক্ত শব্দ উল্লেখ করেছেন যে, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সকালে ঈদগাহে যাওয়ারও নির্দেশ দান করেন।[9] অন্য হাদীছে এসেছে, আবু উমাইর ইবনু আনাস তার চাচা ও নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ছাহাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, কয়েকজন আরোহী রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে সাক্ষ্য দিলেন যে, তারা গতকাল চাঁদ দেখেছেন। তখন রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনগণকে ছিয়াম ভঙ্গ করার নির্দেশ দিলেন এবং যখন সকাল হবে, তখন তাদেরকে ঈদগাহে যেতে বললেন।[10] ইবনু মাজার হাদীছে এসেছে ‘তারা এসেছিলেন দিনের শেষে’।[11]

উপসংহার : আমরা মনে করি, দেরিতে চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণা নিয়ে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয় না। তবে সবচেয়ে ভালো সংবাদ এই যে, দেরিতে চাঁদ দেখার প্রমাণ পাওয়ার সাথে সাথেই মাননীয় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ তাঁর পূর্বের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে সংশোধিত বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুছলস্নীদেরকে সঠিক দিনে ঈদ করার নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁর মঙ্গল করুন। আমীন! এখানে ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর কোন দোষ বা দায় আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। তবে যারা হিংসার রাজনীতির চর্চা ও প্রতিযোগিতা করে থাকেন, তারা অনেক দোষ খুঁজে পেতেই পারেন। সেদিকে আমাদের কান না দেওয়াই কল্যাণকর। এই তথ্যনির্ভর আলোচনার শেষ বেলাভূমিতে এ কথাই বলা যায় যে, ঈদের চাঁদ দেরিতে দেখা যাওয়ার ঘোষণা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের উচিত এই সামান্য একটা বিষয় নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত থাকা। মহান আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন- আমীন! 


[1]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৬।

[2]. মরহুম ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, খুতবাতুল ইসলাম (ঝিনাইদহ: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, প্রকাশকাল-ডিসেম্বর ২০০৮ ঈসায়ী), পৃঃ ৩১১।

[3]. তিরমিযী, আস-সুনান ৩/১৬৫ পৃঃ, তিরমিযী হাদীছটিকে হাসান ছহীহ বলেছেন।

[4]. https://m.ntvbd.com/bangladesh/254681.

[5]. www.moonsighting.com.

[6]. কামারুযযামান বিন আব্দুল বারী, বিশ্ব ব্যাপী একই দিনে ছিয়াম ও ঈদ পালনকারীদের ভ্রান্তিবিলাস (প্রকাশকাল-২০১৩ ইং), পৃঃ ৫।

[7]. আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, উপদেশ (নিবরাস প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারী ২০১৪ ঈসায়ী), পৃঃ ৩৩৭।

[8]. ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, উপসম্পাদকীয়, চাঁদ দেখা গেছে, চাঁদ দেখা যায়নি, দৈনিক নয়া দিগন্ত, ১৩ জুন ২০১৯।

[9]. সুনানে আবুদাঊদ, হা/২৩৩৯, সনদ ছহীহ, ‘ছিয়াম অধ্যায়’, অনুচ্ছেদ-১৩।

[10]. সুনানে আবুদাউদ, হা/১১৫৭, ছালাতুল ঈদায়েন অধ্যায়, সনদ ছহীহ; নাসাঈ, হা/১৫৫৭; মিশকাত, হা/১৪৫০।

[11]. ইবনু মাজাহ, হা/১৬৫৩।

Magazine