উত্তর: হাদীছের বাক্য ‘যেভাবে নাযিল হয়েছে’ দ্বারা কোনো ঘটনা বুঝানো উদ্দেশ্য নয়; বরং কুরআনুল কারীমের মুছহাফে যেভাবে আছে ঠিক সেভাবে তিলাওয়াত করা বুঝানো উদ্দেশ্য। আর সূরা কাহফের ফযীলত সংক্রান্ত প্রসিদ্ধ কয়েকটি হাদীছ উল্লেখ করা হলো- ১. আবূদ দারদা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষিত থাকবে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮০৯)। ২. বারা বিন আযিব রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি সূরা কাহফ তিলাওয়াত করছিলেন। তার ঘোড়াটি দুটি রশি দিয়ে তার পাশে বাঁধা ছিল। তখন এক টুকরো মেঘ এসে তাকে ছায়া দান করল। মেঘখণ্ড ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসতে লাগল। তখন তার ঘোড়াটি লাফালাফি শুরু করে দিল। সকালবেলা যখন লোকটি নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উক্ত ঘটনা বর্ণনা করল, তখন তিনি বললেন, ‘এটা ছিল সাকীনা (প্রশান্তি), যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নাযিল হয়েছিল (ছহীহ বুখারী, হা/৫০১১)। ৩. আবূ সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে তার জন্য দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়টি নূর বা আলোকিত হবে’ (ছহীহ আত-তারগীব, আলবানী, হা/৭৩৬)।
-মো. সিরাজুল ইসলাম
জোরবাড়ীয়া, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ।
