উত্তর: আল্লাহ তাআলা মানুষের তাকদীর (ভাগ্য) সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করার ৫০ হাজার বছর পূর্বেই লাওহে মাহফূযে লিপিবদ্ধ করেছেন (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৫৩)। এরপর ভ্রূণের বয়স ১২০ দিন (চার মাস) হলে ফেরেশতাকে পাঠিয়ে তার তাকদীর পুনরায় লিখানো হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৩২০৮, ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৪৩)। তবে ভ্রূণ অবস্থায় যে তাকদীর লেখা হয়, তা লাওহে মাহফূযে পূর্বলিখিত তাকদীরেরই অনুলিপি; নতুন কিছু নির্ধারণ করা হয় না (শারহু ছহীহ মুসলিম, খণ্ড ১৬, পৃষ্ঠা ১৯০-১৯১)। মূলত লাওহে মাহফূযের জ্ঞান আল্লাহর কাছে রয়েছে। এ ব্যাপারে ফেরেশতাদের জ্ঞান না থাকায় ভ্রূণের ১২০ দিন হলে তার তাকদীর লেখা হয় অর্থাৎ ওইদিন সেই ভ্রূণের সাথে দায়িত্বশীল ফেরেশতারা তার তাকদীরের মৌলিক কিছু বিষয় জানতে পারে, যেমন- তার রিযিক, আয়ু।
প্রশ্নকারী : ইমরান
