উত্তর: দু‘আর মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিত তাকদীর পরিবর্তন হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন স্থির রাখেন, আর তাঁর কাছেই রয়েছে মূল কিতাব’ (আর-রা‘দ, ১৩/৩৯)। উমার রাযিয়াল্লাহু আনহু কা‘বা তওয়াফ করার সময় বলছিলেন, হে আল্লাহ! যদি আপনি আমাকে সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করে লিখে থাকেন, তবে আমাকে তার উপর অটল রাখুন। আর যদি আপনি আমাকে দুর্ভাগ্যবান ও পাপীদের অন্তর্ভুক্ত করে লিখে থাকেন, তবে আমাকে সেখান থেকে মুছে দিন এবং আমাকে সৌভাগ্যবান ও ক্ষমাপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি যা ইচ্ছা মুছে দেন এবং যা ইচ্ছা স্থির রাখেন। আর আপনার কাছেই রয়েছে ‘উম্মুল কিতাব’ (তাফসীরে কুরতুবী, ৯/৩৩০)। ছাওবান রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সৎকর্ম ব্যতীত অন্য কিছু আয়ুষ্কাল বাড়াতে পারে না এবং দু‘আ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর পরিবর্তন হয় না। মানুষ তার পাপকাজের দরুন তার প্রাপ্য রিযিক থেকে বঞ্চিত হয় (ইবনু মাজাহ, হা/৪০২২)।
প্রশ্নকারী : সালেহ গাজীপুর।
