উত্তর: বিয়ের পর স্ত্রীর অভিভাবক হন তার স্বামী। স্বামী যদি স্ত্রীর পড়াশোনাকে কল্যাণকর মনে করেন, তাহলে তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারেন। আর যদি মনে করেন, পড়াশোনার তুলনায় সন্তান প্রতিপালন এবং পরিবারের সদস্যদের সেবাযত্ন করা অধিক কল্যাণকর, তাহলে তিনি পড়াশোনার অনুমতি দেবেন না। অনুরূপভাবে যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ফিতনামুক্ত না হয়, তাহলে স্বামীর উচিত এমন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করার অনুমতি না দেওয়া (আন-নিসা, ৪/৩৪; আবূ দাঊদ, হা/২১৪০)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।
