উত্তর : তাদের বিবাহ বৈধ হবে। কেননা ব্যভিচারী ব্যভিচারিণীকে বিয়ে করবে এটাই শারঈ বিধান। মহান আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী ব্যক্তি ব্যভিচারিণী অথবা মুশরিকা নারী ব্যতীত অন্য কাউকে যেন বিয়ে না করে এবং ব্যভিচারিণীকে ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষ ব্যতীত কেউ যেন বিয়ে না করে, মুমিনদের জন্য এটা হারাম করা হয়েছে’ (নূর, ৪)। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদীছে বলেন, لَا يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلَّا مِثْلَهُ ‘শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যভিচারী তার মতো ব্যভিচারিণীকেই বিয়ে করবে’ (আবুদাঊদ, হা/২০৫২)। এখানে তারা উভয়েই শাস্তি প্রাপ্তদের স্থলাভিষিক্ত। তবে এ মহাপাপের জন্য তাদেরকে তওবা করতে হবে এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে। (যেহেতু ইসলামী শরী‘আতের শাস্তির বিধান আমাদের সমাজে নেই)।
অবশ্য তাদের উক্ত সন্তান জারজ সন্তান বলে গণ্য হবে এবং সে পিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে না। তবে মায়ের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে’ (ফিক্বহুস সুন্নাহ, ৩/৩৭২)। রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি স্বাধীন মহিলার সাথে যেনা করলে এবং অবৈধভাবে সন্তান জন্ম নিলে ঐ সন্তান নিজেও উত্তরাধিকারী হবে না এবং ঐ সন্তানের সম্পদেও (মা ব্যতীত) অন্য কেউ উত্তরাধিকারী হবে না’ (তিরমিযী, হা/২১১৩; মিশকাত, হা/৩০৫৪)।
-শাকিল হোসাইন
চরগগনপুর, জামালপুর সদর।
