কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

প্রশ্ন (৪৯): আমার একটা বিড়াল ছিল। বিড়ালটি হঠাৎ খুব আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং আমার স্ত্রী ও বাচ্চাকে আঘাত করায় পরিবারের নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে তাকে দূরে একটি জায়গায় রেখে আসি। এখন আমি খুব অপরাধবোধে ভুগছি। ইসলামের দৃষ্টিতে এ কাজটি বৈধ কি? এখন আমার কী করা উচিত? উল্লেখ্য, অন্য কাউকে দিতে পারিনি, কারণ তার মধ্যে জলাতঙ্কের সব ধরনের লক্ষণ উপস্থিত ছিল।

উত্তর: বিড়াল আমাদের চতুর্পাশ্বে প্রদক্ষিণকারী একটি প্রাণী (আবূ দাঊদ, হা/৭৬)। বিড়াল কখনো যদি ক্ষতিকারক (আক্রমণাত্মক) হয়ে ওঠে, তাহলে তাকে লোকালয় থেকে দূরে বা নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে আসবে এবং এতে কোনো পাপ হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না’ (আল-বাকারা, ২/২৮৬)। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেওয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মারা যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানাপিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৩৬৫)।

-আহমেদ

গাইবান্ধা।


Magazine