কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার এক অনন্য বার্তা

ছিয়ামের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

post title will place here

আরবী শব্দ ‘ছওম’-এর বহুবচন হলো ছিয়াম, যার অর্থ الْإِمْسَاكُ বা বিরত থাকা। মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ছুবহে ছাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল ধরনের খাবার, পানীয় ও জৈবিক চাহিদা পূরণ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রাখার নাম ছওম। মানুষ এক আল্লাহর গোলাম। আর মহান আল্লাহ মানুষের একমাত্র উপাস্য ও মালিক। গোলামের সাথে তার মালিকের দূরত্ব কমানো এবং নৈকট্য বৃদ্ধির সর্বোত্তম মাধ্যম হলো এই ছওম। ছওম গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ফারসী ভাষায় যা রোযা এবং বাংলায় উপবাসব্রত হিসেবে পরিচিত। তবে শারঈ শব্দ ছওম দিয়ে যা বুঝানো হয়, রোযা বা উপবাস দিয়ে অনেকাংশেই তা বুঝায় না। খাদ্য, পানীয় ও জৈবিক চাহিদা বর্জনের পাশাপাশি মানুষের যেসব কথা, কাজ ও আচার-আচরণ মহান আল্লাহ পছন্দ করেন না সেগুলো থেকে বিরত থাকাও ছওমের পূর্ণতার শর্ত।

ছওমের ইতিহাস অতি প্রাচীন। যুগে যুগে পূর্ববর্তী অনেক জাতি ও গোষ্ঠী আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে এই ছওম পালন করেছে (আল-বাক্বারা, ২/১৮৩)। সে ধারাবাহিকতায় উম্মতে মুহাম্মাদীও ছওম পালনের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্তির আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছওমের মাস রামাযানের জন্য। ইবাদত হিসেবে অবশ্য পালনীয় অর্থাৎ ফরয ছওম আছে, আবার ঐচ্ছিক তথা নফল ছওমও আছে। ছওম কখনো ফরয, আবার কখনো নফল। আরবী নবম মাস রামাযানুল মুবারক ফরয ছওম পালনের নির্ধারিত মাস (আল-বাক্বারা, ২/১৮৫)

রামাযানের এক মাস বিরতিহীনভাবে ছওম পালন করা ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ।[1] এছাড়া রামাযানের বাইরেও ছওম পালন করা হয়, যা নফল হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তির আত্মশুদ্ধিতে, পরিবারের শৃঙ্খলায়, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায়, রাষ্ট্রের অন্যান্য অভাবী মানুষের ক্ষুধার কষ্ট উপলব্ধি করার উপায় হিসেবে এবং অর্থনৈতিক ইনছাফ ও সাংস্কৃতিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় ছওমের ভূমিকা অপরিসীম। আখেরাতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সংগ্রাম, ধৈর্য, সংযম ও সহমর্মিতার গুণ জরুরী। ছওম হচ্ছে এ সকল গুণের উৎসস্থল। ছওম বান্দাকে আত্মশুদ্ধি ও তাক্বওয়া অর্জন করতে সাহায্য করে, রবের নৈকট্য লাভের দুয়ার খুলে দেয় এবং বান্দার মনোরাজ্যে প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার হিম্মত তৈরি করে। ছওম কেবল মুমিনকে পানাহার থেকে বিরত রাখে না, বরং যাবতীয় পাপ ও অন্যায় কাজ থেকেও বিরত রাখে, চরিত্র গঠন করে এবং চরিত্র শোধন করে। ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে। আমাদের জীবনে ছওম কেন এত গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য প্রবন্ধে তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করব—

(১)ছওম ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ: মহান আল্লাহর নিকট ছওম অতি গুরুত্বপূর্ণ সৎকর্ম। আর সে জন্যই ইসলাম যে প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের উপরে ভর করে দাঁড়িয়ে আছে, তার চতুর্থ স্তম্ভটিই এই ছওম। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,بُنِيَ الإسلامُ على خمسٍ- وصَومِ رمضانَইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপরে প্রতিষ্ঠিত’। একথা বলে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আর রামাযানের ছওম’।[2]

তাছাড়া হাদীছে কুদসীতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা বলেন, إلَّا الصَّوْمَ؛ فإنَّه لي، وَأَنَا أَجْزِي به ‘তবে ছওম ব্যতীত, কেননা তা আমার জন্য রাখা হয় আর এর পুরস্কার আমি নিজেই দিব’।[3]

(২)আল্লাহভীতি অর্জনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম ছওম: পরকালে যে দুটি জিনিস সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে, তার একটি হচ্ছে তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি।[4] সেই আল্লাহভীতি অর্জনের সবচেয়ে বেশি কার্যকরী প্রক্রিয়া হচ্ছে ছওম। আল্লাহ তাআলা বলেন, كُتِبَ عَلَیكُمُ ٱلصِّیَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِینَ مِن قَبلِكُم لَعَلَّكُم تَتَّقُونَ ‘তোমাদের উপর ছিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাক্বওয়ার অধিকারী হতে পার’ (আল-বাক্বারা, ২/১৮৩)

(৩)আমল হিসেবে ছওমের বিকল্প হয় না: আমলে ছালেহ বা সৎকর্ম বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। তার মধ্যে যে সৎকর্মটির কোনো তুলনা হয় না, তা হচ্ছে ছওম। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক প্রিয় ছাহাবী উমামা আল-বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু-কে ছওম পালনে উৎসাহ দিয়ে বলেন, عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَا مِثْلَ لَهُ ‘হে আবূ উমামা! তুমি বেশি বেশি ছওম পালন করো। কেননা ছওম এমন একটি ইবাদত, যার মতো আর কিছু নেই’।[5]

(৪) ছওমের পুরস্কার অসীম: ধৈর্য ও ক্ষমার মতো কিছু সৎকর্ম রয়েছে, যার প্রতিদান বা পুরস্কারের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। ছওম তেমনি একটি সৎকর্ম, যার পুরস্কার আল্লাহ নিজে দিবেন এবং বেহিসাবী সেই পুরস্কার দিবেন বলে ঘোষণা করেছেন। হাদীছে কুদসীতে আল্লাহ বলেছেন, إلَّا الصَّوْمَ؛ فإنَّه لي، وَأَنَا أَجْزِي به ‘তবে ছওম ব্যতীত, কেননা তা আমার জন্য রাখা হয় আর এর পুরস্কার আমি নিজেই দিব’।[6]

(৫)ছওমে লৌকিকতা বা রিয়া নেই: রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত আল্লাহ কখনো কবুল করেন না। রিয়া এক রকমের শিরক।[7] ছওম ছাড়া সকল ইবাদতের মধ্যেই রিয়ার একটা সহজ সুযোগ থাকে, যা ছওমের মধ্যে নেই বললেই চলে। হাদীছে কুদসীতে বলা হয়েছে, يَدَعُ شَهْوَتَهُ وَطَعَامَهُ مِن أَجْلِي ‘সে আমার জন্যই তার খাবার ও প্রবৃত্তির তাড়না নিয়ন্ত্রণ করেছে’।[8]

(৬)ছওম হলো ছিয়াম পালনকারীর সুপারিশকারী: পরকালে কঠিন বিচারের মাঠে মহান আল্লাহর অনুমতিতে ‍সুপারিশের সুযোগ থাকবে (আল-বাক্বারা, ২/২৫৫)। নবীগণ ও নেককারগণ তাদের রবের অনুমতি সাপেক্ষে যখন কিছু মানুষের বেলায় সুপারিশ করবেন, তখন কিছু কিছু ইবাদত তার ইবাদতকারীর পক্ষে সুপারিশ করতে দাঁড়িয়ে যাবে। ছওম হচ্ছে তাদের অন্যতম। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,الصيامُ والقرآنُ يَشْفَعانِ للعبدِ، يقولُ الصيامُ : أَيْ رَبِّ! إني مَنَعْتُهُ الطعامَ والشهواتِ بالنهارِ، فشَفِّعْنِي فيه ‘কুরআন ও ছওম বান্দার জন্য সুপারিশকারী হবে। ছওম বলবে, হে আমার রব! আমি তাকে দিনের বেলায় খাবার-পানীয় ও দৈহিক চাহিদা পূরণ থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার পক্ষে আমাকে সুপারিশের অনুমতি দিন’।[9]

(৭)প্রবৃত্তি দমনে অনন্য: অসৎ প্রবৃত্তিই আদম সন্তানের বড় শত্রু। প্রতিটি মানুষকে রীতিমতো তার অসৎ প্রবৃত্তির সাথে যুদ্ধ করেই জান্নাতের পথে এগোতে হয়। প্রবৃত্তির লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে কত মানুষ জাহান্নামী হয়েছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কিন্তু কেউ চায় না যে তার ঠিকানা জাহান্নামে হোক। প্রবৃত্তির তাড়না দমন ছাড়া জান্নাতের আশা কেবলই মরীচিকা। ছওম হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত অলৌকিক এক ব্যবস্থাপত্র, যা ব্যক্তির প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,ومَن لَمْ يَسْتَطِعْ فَعليه بالصَّوْمِ؛ فإنَّه له وِجَاءٌ ‘যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন ছওম পালন করে। কেননা ছওম তার প্রবৃত্তি দমিয়ে রাখবে’।[10]

(৮)জান্নাত লাভ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির সেরা মাধ্যম: পরকালে জান্নাত মঞ্জুর এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করতে পারা মুমিনের জীবনের সর্বোচ্চ চাওয়া এবং এটিই জীবনের প্রকৃত সফলতা। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

إنَّ في الجنةِ بابًا يقالُ له: الريَّانُ يقالُ يومَ القيامةِ: أين الصَّائمون؟ هل لكم إلى الريَّانِ؟ من دخلَهُ لم يظمأْ أبدًا فإذا دخلوا أغلِقَ عليهم فلم يدخلْ فيه أحدٌ غيرُهم.

‘জান্নাতে রাইয়ান নামে একটি দরজা রয়েছে। ছওম পালনকারীকে সেই দরজা থেকে জান্নাতে প্রবেশের জন্য আহ্বান করা হবে। তখন সেখান থেকে কেবল ছওম পালনকারীরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে, অন্য কেউ নয়। আর সেখানে তারা চিরকালের জন্য পিপাসামুক্ত থাকবে’।[11]

(৯)সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে: স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সুস্বাস্থ্য আল্লাহর দেওয়া এক নেয়ামত। ছিয়াম ব্যক্তির স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে। চিকিৎসা বিজ্ঞান শুধু ধর্মীয় বিধান হিসেবেই নয়, বরং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে মাঝেমধ্যেই ছওম পালনে উৎসাহিত করেছে। এ জন্যই হয়তো ‍মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রিয় ছাহাবীদেরকে মাসে তিনটি ছওম পালনের পরামর্শ দিয়েছেন। আবূ হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন,أَوْصَانِي خَلِيلِي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بثَلَاثٍ: بصِيَامِ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِن كُلِّ شَهْرٍ ‘রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মাসে অন্তত তিনটি ছওম পালন করতে পরামর্শ দিয়েছেন’।[12]

(১০)ছওম ক্ষুধার্ত গরীবের কষ্ট অনুভব করায়: কষ্টকর পরিস্থিতিতে না পড়া পর্যন্ত সচ্ছল লোকজন ক্ষুধার যন্ত্রণা যে কী কঠিন, তা উপলব্ধিই করতে পারে না। ধনী-গরীব সকল মুমিনের উপরেই ছওম ফরয হওয়ার সুবাদে রামাযানের এক মাসে প্রত্যেক সম্পদশালী মুসলিমই অভাবের কষ্টটা উপলব্ধি করতে পারে। এর মাধ্যমে নির্দয়ের অন্তরও দয়ার্দ্র হয়। আর যারা অসহায় মানুষের বেলায় দয়াপরবশ হয়, আরশের মালিক দয়াময় আল্লাহও তাদের প্রতি রহম করেন। গরীবের কষ্ট অনুভব ছাড়া গরীবের প্রতি দয়ার মানসিকতা তৈরি করা সম্ভব নয়। ছওমের মধ্য দিয়ে মুমিন যখন ক্ষুধার জ্বালা বুঝে, তখন তার মাঝে গরীবের কষ্ট বুঝার মানসিকতা তৈরি হয় এবং সে তাদের প্রতি দয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে, যা তাকে রহামনের দয়া পেতে সাহায্য করে।

(১১) গুনাহ মাফের অসীলা: ছওম মানুষকে একদিকে গুনাহের কাজ থেকে বিরত রাখে, অন্যদিকে কৃত গুনাহ মাফেরও সুযোগ করে দেয়। বিশেষত গোটা মাহে রামাযানই গুনাহ মাফের এক সুবর্ণ ক্ষণ। ছওমের অসীলাতে মাহে রামাযানের প্রতিটি রাতেই অগণিত বান্দাকে গুনাহ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَن صامَ رَمَضانَ إيمانًا واحْتِسابًا غُفِرَ له ما تَقَدَّمَ مِن ذَنْبِهِ ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে, ছওয়াবের আশায় ছওম পালন করে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়’।[13]

(১২) ধৈর্য ও সংযমের শিক্ষা দেয়: ধৈর্য আর সংযম সফলতার মূল চাবিকাঠি। ছিয়াম পালনের মাধ্যমে একরকম অবচেতনভাবেই তা অর্জিত হয়ে যায়। প্রতিদিন কোনো ব্যক্তি যখন ছিয়ামের মধ্য দিয়ে ধৈর্য ও সংযম চর্চা করে, তখন তা তাকে ধৈর্যশীল ও সংযমী করে তোলে। এটা তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এক দারুণ সুফল বয়ে আনে। ছওম ব্যক্তিকে মিছে, অপ্রয়োজনীয় ও মূর্খতাপূর্ণ আচরণ বর্জনে বাধ্য করে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,من لم يدَعْ قولَ الزُّورِ والعملَ بِهِ فليسَ للَّهِ حاجةٌ بأن يدَعَ طعامَهُ وشرابَهُ ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা আর মিথ্যা কর্ম ছাড়তে পারল না, সে ব্যক্তির খাবার-পানীয় বর্জন করে ছওম পালনের কোনো প্রয়োজন নেই’।[14]

আসুন! আমরা ছওমের গুরুত্ব অনুধাবন করি, মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রামাযানে ফরয ছওম এবং অন্যান্য মাসে বেশি বেশি নফল ছওম পালন করি। একদিনের একটি নফল ছওমের দ্বারা ছওম পালনকারী ব্যক্তি ও জাহান্নামের মধ্যে সত্তর বছরের দূরত্ব তৈরি হয়। ছওমের বিনিময়ে আল্লাহ আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করুন- আমীন!

সাইফুল্লাহ আল-মামুন মাদানী

 সাবেক দাঈ, ইসলামিক সেন্টার, আবহা, সঊদী আরব; পরিচালক, আস-সুন্নাহ একাডেমী, তাফালবাড়ী, শরণখোলা, বাগেরহাট।


[1]. ছহীহ মুসলিম, হা/১৬।

[2]. ছহীহ বুখারী, হা/৮।

[3]. ছহীহ বুখারী, হা/৭৪৯২।

[4]. আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/২৮৯, হাদীছটি ছহীহ।

[5]. নাসাঈ, হা/২২২২, হাদীছটি ছহীহ।

[6]. ছহীহ বুখারী, হা/৭৪৯২।

[7]. ইবনু মাজাহ, হা/৪২০৪ হাদীছটি ছহীহ।

[8]. ছহীহ বুখারী, হা/৭৪৯২।

[9]. মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৬২৬, হাদীছটি ছহীহ।

[10]. ছহীহ বুখারী, হা/৫০৬৫।

[11]. নাসাঈ, হা/২২৩৬, হাদীছটি ছহীহ।

[12]. ছহীহ বুখারী, হা/১৯৮১।

[13]. ছহীহ বুখারী, হা/২০১৪।

[14]. তিরমিযী, হা/৭০৭।

Magazine